৫ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার,রাত ৩:২২

শিরোনাম
খুলনা শপিং কমপ্লেক্স ব্যবসায়ী সমিতির মানববন্ধন খুলনায় বাড়িঘর ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগে সাবানা বেগমের সংবাদ সম্মেলন মংলা বন্দর দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রেখে চলেছে -মবক চেয়ারম্যান নৌবাহিনীর শিপইয়ার্ডে নির্মিত হলো টাগবোট ‘টিয়াখালী ক্ষোভের তীর সারজিসের দিকে, এনসিপির খুলনা জেলা আহ্বায়ক কমিটি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা বাবুলের শিক্ষার্থী আজমুল হত্যায় মামলার তিন আসামী গ্রেপ্তার খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র আয়োজনে প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে সহায়ক উপকরণ হস্তান্তর খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন কর্তৃক শিশুশ্রম, ঝরে পড়া ও বাল্যবিবাহমুক্ত ওয়ার্ড ঘোষণা অপ্রতিম হত্যায় চার অভিযুক্তকে আদালতে সোপর্দ

খুলনা জেলা পরিষদের সাবেক প্রধান সহকারী মিজান কারাগারে

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ১০, ২০২২

  • শেয়ার করুন

খুলনা জেলা পরিষদের সাবেক প্রধান সহকারী মিজানুর রহমানকে কারাগারে পাঠিয়েছেন আদালত। সিডিউল বিক্রি, খেয়াঘাটের ইজারা ও ভ্রমণ ভাতা বাবদ প্রায় ৫০ লাখ টাকা আত্মসাতের মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

বৃহস্পতিবার (১০ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে মহানগর বিশেষ জজ আদালতে হাজির হয়ে জামিনের মেয়াদ বাড়ানোর আবেদন করলে বিচারক শহিদুল ইসলাম জামিন নামঞ্জুর করে তাকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আইনজীবী খন্দকার মজিবর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে ২০২০ সালে ১৩ ফেব্রুয়ারি সরকারি টাকা কোষাগারে জমা না দেয়ায় মিজানকে গ্রেফতার করে দুদক। এরপর পাওনা টাকা পরিষদের সময় চেয়ে হাইকোর্ট থেকে তিনি জামিন নেন।

এদিকে, তদন্ত শুরু হলে তিনি দুই কিস্তিতে জেলা পরিষদের কোষাগারে ১৩ লাখ টাকা জমা দেন। তবে অর্থ আত্মসাতের ঘটনা প্রমানিত হলে ২০২১ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর জেলা পরিষদ থেকে তাকে বরখাস্ত করা হয়।

আইনজীবী খন্দকার মজিবর রহমান জানান, অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক তরুণ কান্তি ঘোষ বাদী হয়ে মামলা করেন।

মিজানুর রহমান ২০১২-১৩ থেকে ২০১৫-১৬ অর্থবছরে দরপত্র সিডিউল বিক্রি, ইজারা বাবদ খাস আদায় ও অননুমোদিত ভ্রমণ ভাতা বাবদ প্রায় ৫৯ লাখ ৩৪ হাজার টাকা আত্মসাৎ করেন। তদন্তে তার বিরুদ্ধে আরও প্রায় এক কোটি টাকা আত্মসাতের বিভিন্ন তথ্য পাওয়া গেছে।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন