১৯শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার,দুপুর ১:৪৬

শিরোনাম
খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন বিএনপির দুর্গাপূজা পর্যবেক্ষক কমিটির খুলনা জেলা প্রশাসনের সার্ভার রুমে আগুন ৭ দফা দাবী বাস্তবায়নের লক্ষ্যে খুলনা বিভাগীয় দলিল লেখক সমাবেশ অনুষ্ঠিত খুলনা শপিং কমপ্লেক্স ব্যবসায়ী সমিতির মানববন্ধন খুলনায় বাড়িঘর ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগে সাবানা বেগমের সংবাদ সম্মেলন মংলা বন্দর দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রেখে চলেছে -মবক চেয়ারম্যান নৌবাহিনীর শিপইয়ার্ডে নির্মিত হলো টাগবোট ‘টিয়াখালী ক্ষোভের তীর সারজিসের দিকে, এনসিপির খুলনা জেলা আহ্বায়ক কমিটি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা বাবুলের শিক্ষার্থী আজমুল হত্যায় মামলার তিন আসামী গ্রেপ্তার

ফেনীতে স্বর্ণ ডাকাতি: ডিবির ওসিসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতার

প্রকাশিত: আগস্ট ১১, ২০২১

  • শেয়ার করুন

ফেনীতে স্বর্ণ ডাকাতির ঘটনায় ডিবির ওসিসহ ৬ পুলিশ সদস্যকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ খানের আদালতে তোলা হয়েছে৷
বুধবার (১১আগস্ট) দুপুর পৌনে তিনটার দিকে ফেনী মডেল থানা থেকে পুলিশ ভ্যানে করে তাদেরকে ফেনী আদালত এলাকায় নেওয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ খানের আদালতে তোলা হয়।

আদালতে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদেরকে জেল হাজতে পাঠানোর কথা রয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার রাতে ২০টি স্বর্ণের বার আত্মসাতের অভিযোগে গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শকসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে মডেল থানা পুলিশ।

তাদের কাছে ১৫টি বার উদ্ধার করা হয়।
চট্টগ্রামের এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে ফেনী গোয়েন্দা পুলিশের ইন্সপেক্টর সাইফুল ইসলাম এবং তিন জন এসআই দুই জন এএসআইসহ মোট ছয়জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ ।

আটককৃত অন্যরা হচ্ছে উপ-পরিদর্শক মোতাহের হোসেন, মিজানুর রহমান ও নুরুল হক এবং সহকারী উপ-পরিদর্শক অভিজিত বড়ুয়া ও মাসুদ রানা। তাদের বিরুদ্ধে ফেনী মডেল থানায় ডাকাতি মামলা হয়েছে।
জেলা পুলিশ অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের কাছ থেকে ১৫ টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে ।
ফেনীর পুলিশ সুপার খোন্দকার নুরুন্নবী জানান, রোববার বিকেলে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার পথে যাওয়ার সময় স্বর্ণ ব্যবসায়ী গোপাল কান্তি দাস ফেনী ফতেহপুর রেলক্রসিং এলাকায় পৌঁছালে ডিবি পুলিশের সদস্যরা তার থেকে স্বর্ণের বারগুলো নিয়ে যায়। পরে গোপাল দাস ফেনীর পুলিশ সুপারের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ করলে পুলিশ সুপার তাদেরকে শনাক্ত করে চারজনকে প্রাথমিকভাবে আটক করে।

পরবর্তীতে তার জবানবন্দিতে আরো দু’জনকে আটক করে। পুলিশ সুপার তাদের কাছ থেকে ১৫ টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করে বাকি পাঁচটির ব্যাপারে পুলিশ তদন্ত করছে।

পুলিশ সুপার আরো জানান, স্বর্ণের বারগুলো ওই ব্যবসায়ীর বৈধ অথবা অবৈধ কিনা সেটি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন