৪ঠা অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার,বিকাল ৪:৫৫

শিরোনাম
খুলনা শপিং কমপ্লেক্স ব্যবসায়ী সমিতির মানববন্ধন খুলনায় বাড়িঘর ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগে সাবানা বেগমের সংবাদ সম্মেলন মংলা বন্দর দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রেখে চলেছে -মবক চেয়ারম্যান নৌবাহিনীর শিপইয়ার্ডে নির্মিত হলো টাগবোট ‘টিয়াখালী ক্ষোভের তীর সারজিসের দিকে, এনসিপির খুলনা জেলা আহ্বায়ক কমিটি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা বাবুলের শিক্ষার্থী আজমুল হত্যায় মামলার তিন আসামী গ্রেপ্তার খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র আয়োজনে প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে সহায়ক উপকরণ হস্তান্তর খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন কর্তৃক শিশুশ্রম, ঝরে পড়া ও বাল্যবিবাহমুক্ত ওয়ার্ড ঘোষণা অপ্রতিম হত্যায় চার অভিযুক্তকে আদালতে সোপর্দ

বেনাপোল বাজারে আজিজ মিষ্টান্ন ভান্ডারে স্বাস্থ্য বিধি মানছে না,ঈদকে পুঁজি করে মিষ্টির দাম জোরপূর্বক বেশি নেওয়া হচ্ছে।

প্রকাশিত: জুলাই ২৩, ২০২১

  • শেয়ার করুন


মিলন হোসেন বেনাপোল।
যশোরের বেনাপোল বাজারে আজিজ মিষ্টান্ন ভান্ডারে স্বাস্থ্য বিধি না মেনেই চলছে মিষ্টি ও দই কেনাবেচা। সেই সাথে পাল্লা দিয়ে দাম বেশি নেওয়া হচ্ছে মিষ্টি ও দইয়ের।
কাস্টমাররা প্রতিবাদ করলে তাদেরকে বলা হচ্ছে করোনা ভাইরাসের মধ্যে ঝুঁকি নিয়েই দোকান খোলা রাখার কারণে বেশি নেওয়া হচ্ছে ।

অনেকেই মিষ্টি ও দই না নিয়ে ঝামেলা করে ফেরত যাচ্ছেন।ঝামেলা সময় জোর হচ্ছে অনেক লোক।এতে মহামারি করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি বেশি হচ্ছে।
তাদের অভিযোগ আজিজ মিষ্টান্ন ভান্ডারে ঈদের আগে যে মিষ্টি বিক্রি করতো ১৪০ টাকা বর্তমানে সেটা ১৬০ টাকা,দই বিক্রি হতো ১১০ টাকা বর্তমানে নিচ্ছে ১৩০ টাকা।অভিযোগে তারা আরো বলেন দই খুরিতে যে পরিমাণ থাকার কথা সেটাও কম থাকে যা স্থানীয় প্রশাসন হঠাৎ করে অভিযান চালালে ধরা পড়বে।
দই ক্রয় করতে আসা সাদিপুর গ্রামের মাসুদ বলেন ঈদের ৫ দিন আগে আজিজ মিষ্টান্ন ভান্ডার থেকে যে দই কেনা হয়েছে ১১০ টাকায় ঈদের পরের সেই একই মাপের দই নিচ্ছে ১৩০ টাকা।দূর্গাপুর গ্রামের ইলিয়াস বলেন ঈদের আগে যে মিষ্টি আজিজ থেকে নিয়েছি ১৪০ টাকায়  ঈদের পরের দিন নিল ১৬০ টাকা।
এ সমস্ত বিষয়ে আজিজ মিষ্টান্ন ভান্ডারে মালিক আজিজ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ঈদের জন্য স্বাস্থ্য বিধি মানা কঠিন হচ্ছে।আর চিনির দাম বেশি হওয়ার কারণে মিষ্টি দাম বেশি নেওয়া হচ্ছে।দইয়ের বিষয়ে বলেন ১৩০ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে না বাজার কমিটির সাথে আলোচনা সাপেক্ষে ১২০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে বেনাপোল বাজার কমিটির সভাপতি আজিজুর রহমান শুক্রবার দুপুর ৩ টা ৮ মিনিটে মোবাইলে জানান,দই বিক্রির ব্যাপারে বাজার কমিটির সাথে কোন আলোচনা হয়নি।যদি ঈদকে পুঁজি করে দই ও মিষ্টি বেশি দামে বিক্রি করে বিকালে এসে তাকে ডেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা জানান যদি স্বাস্থ্য বিধি না মেনে ব্যবসা করে ও ঈদকে পুঁজি করে মিষ্টি ও দইয়ের দাম জোরপূর্বক ভাবে বেশি নেন তারা বিরুদ্ধে আইনের আওতায় আনা হবে।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন