১৯শে অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার,রাত ১০:৩৮

শিরোনাম
খুলনা মহানগরীর বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন বিএনপির দুর্গাপূজা পর্যবেক্ষক কমিটির খুলনা জেলা প্রশাসনের সার্ভার রুমে আগুন ৭ দফা দাবী বাস্তবায়নের লক্ষ্যে খুলনা বিভাগীয় দলিল লেখক সমাবেশ অনুষ্ঠিত খুলনা শপিং কমপ্লেক্স ব্যবসায়ী সমিতির মানববন্ধন খুলনায় বাড়িঘর ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগে সাবানা বেগমের সংবাদ সম্মেলন মংলা বন্দর দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রেখে চলেছে -মবক চেয়ারম্যান নৌবাহিনীর শিপইয়ার্ডে নির্মিত হলো টাগবোট ‘টিয়াখালী ক্ষোভের তীর সারজিসের দিকে, এনসিপির খুলনা জেলা আহ্বায়ক কমিটি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা বাবুলের শিক্ষার্থী আজমুল হত্যায় মামলার তিন আসামী গ্রেপ্তার

মা ইলিশ সংরক্ষণে বরিশালে নৌবাহিনীর অভিযান

প্রকাশিত: অক্টোবর ১৯, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

খুলনা, ১৯ অক্টোবর ২০২৬: দেশের জাতীয় সম্পদ ইলিশের নিরাপদ প্রজনন, বংশবিস্তার ও সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী ‘মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান-২০২৬‘ বাস্তবায়নে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার‘-এর আওতায় নিয়োজিত রয়েছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।

গত ৮ অক্টোবর থেকে সমুদ্র, উপকূলীয় অঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নদ-নদীতে পরিচালনা করছে নিয়মিত অভিযান। এরই ধারাবাহিকতায় আজও (১৯-১০-২০২৬), সোমবার, নৌবাহিনী জাহাজ ‘বানৌজা কুশিয়ারা‘ বরিশাল জেলার হিজলা, মেহেন্দিগন্জ, গোবিন্দপুর, লাহারহাট, বাবুগঞ্জ, চরমোনাই, শ্রীপুর এবং পাতারহাট তৎসংলগ্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে।

এ সময় নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে অবৈধভাবে মাছ ধরার সময় বিভিন্ন সরঞ্জামাদি-সহ জাল জব্দ করা হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় প্রশাসন ও মৎস্য কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে বিধি মোতাবেক জব্দকৃত জাল ধ্বংস করা হয়। নৌবাহিনীর দায়িত্বপ্রাপ্ত এলাকাসমূহে পরিচালিত বিভিন্ন অভিযানে সর্বমোট ৩০ লাখ ৩১ হাজার ৬২০ মিটার অবৈধ জাল এবং অন্যান্য ৭৪টি জাল জব্দ করা হয়েছে, যার আনুমানিক বাজারমূল্য ২৫ কোটি ৭৮ লাখ ৯৬ হাজার ৯০০ টাকা।

সমুদ্র, উপকূলীয় অঞ্চল ও অভ্যন্তরীণ নদ-নদীসহ জাতীয় সম্পদ ইলিশের প্রজননের সম্ভাব্য স্থানসমূহে নৌবাহিনী নিবিড় নিরাপত্তা প্রদান করছে। নৌবাহিনীর জাহাজের পাশাপাশি বিভিন্ন কন্টিনজেন্ট ও দ্রুতগতির বোটের মাধ্যমে ধারাবাহিক অভিযান পরিচালনা করে প্রজননকালীন ইলিশ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে নৌবাহিনীর সদস্যগণ।

গত ৮ অক্টোবর শুরু হওয়া এ অভিযান আগামী ২৯ অক্টোবর ২০২৬ পর্যন্ত চলবে। এ সময়ে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ রয়েছে। একই সঙ্গে সামুদ্রিক মৎস্য আহরণ এলাকাতেও সব প্রজাতির মাছ আহরণ নিষিদ্ধ রয়েছে। ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন ও বংশবিস্তার নিশ্চিত করা, অবৈধ মৎস্য আহরণ প্রতিরোধ এবং দেশের সামুদ্রিক ও অভ্যন্তরীণ জলসম্পদ সংরক্ষণে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর এ অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সংশ্লিষ্ট সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় সরকারি নিষেধাজ্ঞা যথাযথভাবে বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতীয় সম্পদ ইলিশের প্রাচুর্য বৃদ্ধি এবং দেশের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা যায়।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন