২২শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার,রাত ১১:০১

শিরোনাম
পাইকগাছায় খুবির দ্বিতীয় কৃষি ক্যাম্পাসকে ‘বিজ্ঞানী পি সি রায় কৃষি ইনস্টিটিউট’ নামকরণের দাবিতে স্মারকলিপি খুলনায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জীবনদক্ষতা-ভিত্তিক শিক্ষা চালুর লক্ষ্যে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র পাঠ্যক্রম উন্নয়ন কর্মশালা খুলনা নগরীতে ভূমি ব্যবহার, আবাসন ও উন্মুক্ত স্থান বিষয়ক পরামর্শমূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশনের WEE প্রকল্পের আওতায় নারী উদ্যোক্তাদের নগদ অর্থ সহায়তা সিএসএস’র ঢাকা কার্যালয়ের নিজস্ব ভবনের উদ্বোধন, কৃতি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান শিশুশ্রম নিরসনে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারে খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র সমন্বয় সভা খুলনায় নারী উদ্যোক্তা ও নিবন্ধিত শিশুদের মাঝে ওয়ার্ল্ড ভিশনের মূলধন সহায়তা ও স্বাস্থ্য সামগ্রী বিতরণ খুলনায় বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কোনো অভাবই স্বপ্নের চেয়ে বড় হতে পারে না

পাইকগাছায় খুবির দ্বিতীয় কৃষি ক্যাম্পাসকে ‘বিজ্ঞানী পি সি রায় কৃষি ইনস্টিটিউট’ নামকরণের দাবিতে স্মারকলিপি

প্রকাশিত: জুলাই ২২, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

তথ্য প্রতিবেদক:
খুলনা জেলার পাইকগাছা উপজেলায় নির্মাণাধীন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় (কৃষি) ক্যাম্পাসের নাম বিশ্ববিখ্যাত বিজ্ঞানী স্যার আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র (পি সি) রায়ের নামে ‘বিজ্ঞানী পি সি রায় কৃষি ইনস্টিটিউট’ করার দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করা হয়েছে।

বুধবার (২২ জুলাই) সকাল সাড়ে ৯টায় খুলনা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাতের কাছে এ স্মারকলিপি তুলে দেন স্যার পি সি রায় স্মৃতি সংসদ-এর নেতৃবৃন্দ। প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন সংগঠনের সভাপতি ডা. মুহাম্মদ কাওসার আলী গাজী এবং সাধারণ সম্পাদক প্রকৌশলী রফিকুল আলম সরদার।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সংগঠনের সিনিয়র সহ-সভাপতি প্রফেসর অশোক কুমার ঘোষ, সহ-সভাপতি কৃষি বিজ্ঞানী ড. মো. হারুনুর রশিদ, অধ্যক্ষ এ কে এম গোলাম আযম, মো. আরিফিন খান, মো. তানভীর ইসলামসহ সংগঠনের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

স্মারকলিপিতে উল্লেখ করা হয়, খুলনার পাইকগাছা উপজেলার রাড়ুলী গ্রামে ১৮৬১ সালের ২ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন উপমহাদেশের প্রখ্যাত বিজ্ঞানী স্যার আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায়। তিনি ছিলেন রসায়ন বিজ্ঞানের মৌলিক গবেষক, সফল আবিষ্কারক, আদর্শ শিক্ষক, শিল্প উদ্যোক্তা, সাহিত্যিক এবং মানবকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ এক অনন্য ব্যক্তিত্ব।

স্মারকলিপিতে আরও বলা হয়, ১৮৯৫ সালে তিনি মারকিউরাস নাইট্রাইটসহ ১৭টি গুরুত্বপূর্ণ রাসায়নিক যৌগ আবিষ্কার করে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে খ্যাতি অর্জন করেন। ১৯০১ সালে তিনি অবিভক্ত বাংলার প্রথম দেশীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল কেমিক্যাল অ্যান্ড ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড প্রতিষ্ঠা করেন। এছাড়া নিজ জন্মস্থান রাড়ুলী গ্রামে ১৯০৯ সালে উপমহাদেশের তৃতীয় সমবায় ব্যাংক প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

নেতৃবৃন্দ আক্ষেপ প্রকাশ করে বলেন, বিজ্ঞানী পি সি রায়ের অসামান্য অবদান থাকা সত্ত্বেও দেশের বিভিন্ন স্তরের পাঠ্যপুস্তকে তাঁর জীবন ও কর্ম যথাযথভাবে স্থান পায়নি। ফলে নতুন প্রজন্ম তাঁর অবদান সম্পর্কে পর্যাপ্তভাবে জানার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

এ প্রেক্ষাপটে তারা প্রধানমন্ত্রীর কাছে দুটি দাবি উত্থাপন করেন। প্রথমত, দেশের শিক্ষার্থীদের ইতিহাস ও বিজ্ঞানচর্চায় অনুপ্রাণিত করতে বিজ্ঞানী পি সি রায়ের জীবনী জাতীয় শিক্ষাক্রমের পাঠ্যপুস্তকে অন্তর্ভুক্ত করা। দ্বিতীয়ত, পাইকগাছায় নির্মাণাধীন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় (কৃষি) ক্যাম্পাসের নাম ‘বিজ্ঞানী পি সি রায় কৃষি ইনস্টিটিউট’ হিসেবে নামকরণ করা।

স্মারকলিপি গ্রহণ শেষে জেলা প্রশাসক হুরে জান্নাত বিষয়টি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে প্রেরণের আশ্বাস দেন।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন