৫ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার,দুপুর ১:৫৫

শিরোনাম
খুলনা শপিং কমপ্লেক্স ব্যবসায়ী সমিতির মানববন্ধন খুলনায় বাড়িঘর ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগে সাবানা বেগমের সংবাদ সম্মেলন মংলা বন্দর দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রেখে চলেছে -মবক চেয়ারম্যান নৌবাহিনীর শিপইয়ার্ডে নির্মিত হলো টাগবোট ‘টিয়াখালী ক্ষোভের তীর সারজিসের দিকে, এনসিপির খুলনা জেলা আহ্বায়ক কমিটি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা বাবুলের শিক্ষার্থী আজমুল হত্যায় মামলার তিন আসামী গ্রেপ্তার খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র আয়োজনে প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে সহায়ক উপকরণ হস্তান্তর খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন কর্তৃক শিশুশ্রম, ঝরে পড়া ও বাল্যবিবাহমুক্ত ওয়ার্ড ঘোষণা অপ্রতিম হত্যায় চার অভিযুক্তকে আদালতে সোপর্দ

কুল্যা-দরগাহপুর সড়ক এলাকাবাসীর দুর্ভোগ

প্রকাশিত: এপ্রিল ২৫, ২০২৫

  • শেয়ার করুন

লিংকন আসলাম, আশাশুনি : আশাশুনি উপজেলার কুল্যা টু দরগাহপুর সড়কে ঠিকাদারের গাফিলতিতে চরম দুর্গতিতে পড়েছে পথচারী ও এলাকার মানুষ। খুলনার মেসার্স এসআর ট্রেডার্স সড়কের কাজটি পায়। কাজ শুরুর পর থেকে অনিয়ম দুর্নীতির আশ্রয় নেওয়া হলে এলাকার মানুষ ফুসে ওঠে। তখন ঠিকাদার নিজেকে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর ভাইপো পরিচয় দিয়ে ক্ষমতার দাপট দেখাতে থাকেন। কখনো অস্ত্র দেখানো, কখনো প্রকাশ্য হুমকী ও চুড়ান্ত আস্ফালন করে রাম-রাজত্ব কায়েমের চেষ্টা করেন। ফলে ভয়ে এলাকার মানুষ দূরে থাক প্রশাসন পর্যন্ত থমকে যেতে দেখা গেছে।

যার ফলশ্রুতিতে ইচ্ছেমত কাজ চলেছে সড়কে। দু’বছর আগে সড়কের কাজ শুরুর পর মাঝপথে এসে এক প্রকার বন্ধ হয়ে আছে। সড়কের গুনাকরকাটি ব্রীজ হতে গুনাকরকাটি বাজার পর্যন্ত, কাদাকাটি বাজার হতে কাদাকাটি পুরনো বাজার এবং শৈলমারী হতে ধাপুয়া ব্রীজ পর্যন্ত সড়কে ম্যাকাডম করে ফেলে রাখা হয়। ফলে ধুলা বালির গুড়া উড়ে এলাকা একাকার হয়ে যাচ্ছে। যানবাহন চলাচলের সময় ছোট যানবাহনের যাত্রী, পথচারী এবং সড়কের পাশের দোকানপাট, বসতবাড়ি, স্কুল-মাদ্রাসা ধুলায় ভরে যাচ্ছে। পাশের পুকুরের পানি ধুলায় একাকার হয়ে যাওয়ায় ব্যবহার করা অসম্ভব হয়ে উঠছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য বছির আহমেদ টুকু জানান, গত দু’বছর রাস্তায় কোন কাজ হয়নি। ঠিকাদার ৫ আগস্টের পূর্বে হুমকী ও শক্তি প্রদর্শন করে পার পেয়ে এসেছেন। এখনো কাজ করা হচ্ছেনা। মানুষের শান্তিতে বসবাস ও পথ চলাচল করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে।
সাবেক মেম্বার নুরুল ইসলাম মালী ও চা ব্যবসায়ী রবিউল ইসলাম জানান, আমরা অতিষ্ঠ হয়ে গেছি। এলাকায় বসবাস করা, রাস্তায় চলাচল করা কষ্ট সাধ্য হয়ে উঠেছে।

আশাশুনি উপজেলা প্রকৌশলী অনিন্দ্য কুমার দেব জানান, কাজের জন্য ঠিকাদারকে বারবার বলা হচ্ছে, করবো করবো বলেও কাজ করা হচ্ছেনা। বলার পর কয়েকজন শ্রমিক পাঠালেও কয়েকদিন পর তাদের পাওয়া যায়না। বিষয়টি নিয়ে আমি এক্সেন স্যারের সাথে কথা বলে ব্যবস্থা নেব বলে তিনি জানান।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন