২১শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার,সন্ধ্যা ৭:৪৭

শিরোনাম
খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশনের WEE প্রকল্পের আওতায় নারী উদ্যোক্তাদের নগদ অর্থ সহায়তা সিএসএস’র ঢাকা কার্যালয়ের নিজস্ব ভবনের উদ্বোধন, কৃতি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান শিশুশ্রম নিরসনে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারে খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র সমন্বয় সভা খুলনায় নারী উদ্যোক্তা ও নিবন্ধিত শিশুদের মাঝে ওয়ার্ল্ড ভিশনের মূলধন সহায়তা ও স্বাস্থ্য সামগ্রী বিতরণ খুলনায় বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কোনো অভাবই স্বপ্নের চেয়ে বড় হতে পারে না খুলনার ৩০ কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ও শিক্ষাবৃত্তি দিল সিএসএস সিএসএস এবং পল মুন্সী দেশের মানুষের আস্থা ও মানবসেবার এক অবিচ্ছেদ্য নাম-খুলনার জোনাল ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম খুলনায় অরুণোদয়ের বার্ষিক পরীক্ষা সম্পন্ন

ঈদের আগে ৫ বছর কারাগারে থাকা খুবির ২ শিক্ষার্থীর মুক্তি দাবি

প্রকাশিত: মার্চ ১২, ২০২৫

  • শেয়ার করুন

তথ্য প্রতিবেদক : খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট ডিসিপ্লিনের ‘১৭ব্যাচের শিক্ষার্থী নূর মোহাম্মাদ অনিক এবং পরিসংখ্যান ডিসিপ্লিনের ‘১৭ ব্যাচের মোঃ মোজাহিদুল ইসলাম রাফি দীর্ঘ পাঁচ বছরেরও অধিক সময় ধরে জঙ্গি সন্দেহে কারাবন্দী রয়েছেন। ঈদের আগে তাদের মুক্তির দাবিতে জানিয়েছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা।
বুধবার (১২ মার্চ) দুপুরে খুবির হাদী চত্ত্বরে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে এ দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। ঈদের আগে মুক্তি না দেওয়া হলে দূর্বার আন্দোলনের হুশিয়ারি দেন তারা।
মানববন্ধনে শিক্ষার্থীরা বলেন, ২০২০ সালের ৮ জানুয়ারি থেকে নিখোঁজ হয় অনিক ও রাফি। অনিক ওই দিন সকালে রুমে ঘুমিয়ে ছিল। হলের অফিস ক্লার্ক এনামুলকে দিয়ে তাকে ডেকে নিয়ে যায়। একপর্যায়ে তাকে গল্লামারী ঘোষ ডেয়ারির সামনে নিয়ে পুলিশের কাছে তুলে দেয়। আর রাফিকে গ্রেপ্তার করে তার ভাড়া বাসা থেকে, যেখানে তিনি স্ত্রীসহ বসবাস করতেন। তাদের ১৭ দিন গুম করে রেখে ২৫ জানুয়ারি আদালতে তোলে পুলিশ। এর মধ্যে প্রশাসন জঙ্গি নাটকের স্ক্রিপ্ট সাজিয়ে একে একে ৭টি মামলা দেয় তাদের নামে। যার মধ্যে রয়েছে আওয়ামী লীগ অফিসে বোমা হামলার ঘটনা। অথচ ওই সময় খুলনার কোথাও এ ধরনের ঘটনা ঘটেনি। ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার শিক্ষিত তরুণদের কণ্ঠ রোধ করতে একের পর এক জঙ্গি নাটক সাজিয়ে নিরীহদের ফাঁসানোর চেষ্টা করেছে। স্বৈরাচার সরকার পতনের পর গত সেপ্টেম্বর ও নভেম্বরে অনিক ও রাফি কারাগারে অনশন করেন; কিন্তু তাতেও প্রশাসনের টনক নড়েনি। তৎকালীন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অন্যায়ভাবে ওদের ছাত্রত্ব স্থগিত করে। তাদেরকে কোনো রকমের আইনি সহযোগিতা করিনি। সে সময় প্রশাসনের যারা এ কাজে জড়িত ছিলেন তাদের বিচার করতে হবে। আমরা চাই বর্তমান বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তাদের মুক্তির বিষয়ে পদক্ষেপ নিবে। পাশাপাশি তাদের ছাত্রত্ব ফিরিয়ে দিবে।
মানববন্ধনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) উপাচার্য প্রফেসর ড. মো: রেজাউল করিম, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মো. নূরুন্নবী, ব্যবসায় প্রশাসন ডিসিপ্লিনের ডিন প্রফেসর ড. মো: নুর আলম, প্রধান প্রফেসর শেখ মাহমুদুল হাসান, ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) এর পরিচালক প্রফেসর ড. মো: মোস্তাফিজুর রহমান, ইংরেজি ডিসিপ্লিনের প্রফেসর সামিউল হক, হিউম্যান রিসোর্স এন্ড ম্যানেজমেন্ট (এইচআরএম) ডিসিপ্লিনের শিক্ষক মেহেদী হাসান, মানব সম্পদ ডিসিপ্লিনের ১৭ ব্যাচ এর শিক্ষার্থী আহমাদ উল্লাহ স্বাধীন, ১৮ ব্যাচের মিনহাজুল আবেদীন সম্পদ, ইংরেজি ডিসিপ্লিন এর ১৭ ব্যাচের টিপু তমিজ প্রমুখ।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন