৬ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার,সকাল ৭:০৯

শিরোনাম
খুলনা শপিং কমপ্লেক্স ব্যবসায়ী সমিতির মানববন্ধন খুলনায় বাড়িঘর ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগে সাবানা বেগমের সংবাদ সম্মেলন মংলা বন্দর দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রেখে চলেছে -মবক চেয়ারম্যান নৌবাহিনীর শিপইয়ার্ডে নির্মিত হলো টাগবোট ‘টিয়াখালী ক্ষোভের তীর সারজিসের দিকে, এনসিপির খুলনা জেলা আহ্বায়ক কমিটি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা বাবুলের শিক্ষার্থী আজমুল হত্যায় মামলার তিন আসামী গ্রেপ্তার খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র আয়োজনে প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে সহায়ক উপকরণ হস্তান্তর খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন কর্তৃক শিশুশ্রম, ঝরে পড়া ও বাল্যবিবাহমুক্ত ওয়ার্ড ঘোষণা অপ্রতিম হত্যায় চার অভিযুক্তকে আদালতে সোপর্দ

শ্যামনগরে ঝুকিপূর্ণ বাক্সকল ভেঙে পানি প্রবেশ, আতঙ্কে উপকূলবাসী

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ৩০, ২০২৩

  • শেয়ার করুন

শ্যামনগর প্রতিনিধি : শ্যামনগরে ঝুকিপূর্ণ বাক্সকল ভেঙে পানি প্রবেশ করলো লোকালয়ে। ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৩ তারিখ দুপুর সাড়ে ১২ টার দিকে কৈখালী ইউনিয়নের পরানপুর ও কাঠামারির মাঝখানে নূর ইসলামের মৎস্যঘেরীর কলের পাশ ডেবে গিয়ে ১৫ ফুট জুড়ে পানি প্রবেশ করে। পরে স্থানীয়রা বস্তুা দিয়ে সাময়িক পানি আটকাতে সক্ষম হয়।
কৈখালী ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শেখ আব্দুর রহিম বলেন, বিষয়টি জানারপর লোকজন দিয়ে সংস্কার করেছি। তবে এরকম আরও কয়েকটি কল আছে যা ঝুঁকিপূর্ণ।
পানিউন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধে যত্রতত্র ছিদ্র করে পাইপ ও বাক্স কল বসিয়ে ঝাঁজরা করে বেড়িবাঁধকে দূর্বল করে দিয়েছে পানি ব্যবসায়ীরা। শ্যামনগরে ২০ টার অধিক বাক্স কল রয়েছে সেখানে প্রায় অর্ধেক বাক্সকল ঝুঁকিপূর্ন অবস্থায় পানি উত্তোলন কার্যক্রম অব্যহত রেখেছে।

স্থানীয়ও আব্দুর রহিম ও কালাম গাজী বলেন, কিছু এলাকায় সিএমবির রাস্তা তৈরি হয়েছে কিন্তু তার নিচু দিয়ে বাক্স কল রয়ে গেছে। সেই স্থানগুলো রাস্তার চরম ক্ষতি হয়েছে। নবনির্মিত রাস্তা বসে গেছে। অন্যদিকে কিছু স্থানে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধ দুপাশ ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে। সরকার প্রতিনিয়ন এই বেড়িবাঁধ রক্ষার্থে কোটি কোটি টাকা বাজেট দিয়েও রক্ষা করতে পারছে না কিছু অসাধু কর্মকর্তাদের জন্য।
জানা গেছে যে, বাক্সকলগুলোর বার্ষিক আয় প্রায় ২ কোটি টাকা। এই টাকা নিচু তলা থেকে উপর তলার সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা পেয়ে থাকে। বাক্স কল অপসারণে বিজ্ঞ আদালতের আদেশ থাকলেও স্থানীয়রা সমন্বয় করে তা সিথিল করে ফেলেছে।

কিছু সচেতন মহল জানিয়েছেন যে, ২০ টার অধিক বাক্স কল আতঙ্কে ভুগছে উপকূলবাসী। যেকোন মূহুর্তে ঐ সব বাক্সকল ভেঙে কৈখালীর মত ঘটনা ঘটতে পারে বলে জানিয়েছেন।
দাবী করেছেন, বাক্স কল অপসারণ করলে লোনাপানি উঠা বন্ধ হবে। বন্ধ হবে যত্রতত্র বেড়ীবাঁধ ছিদ্র।
তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের এস ডিও জাকির হোসেন বলেন, আমার দ্রুত ব্যাবস্থা নিচ্ছি। অবৈধ বাক্স এড়িয়ে গিয়ে দোষ চাপাচ্ছেন উপজেলা পরিষদ ও প্রশাসনের উপর।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন