৫ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার,বিকাল ৫:৪০

শিরোনাম
খুলনা শপিং কমপ্লেক্স ব্যবসায়ী সমিতির মানববন্ধন খুলনায় বাড়িঘর ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগে সাবানা বেগমের সংবাদ সম্মেলন মংলা বন্দর দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রেখে চলেছে -মবক চেয়ারম্যান নৌবাহিনীর শিপইয়ার্ডে নির্মিত হলো টাগবোট ‘টিয়াখালী ক্ষোভের তীর সারজিসের দিকে, এনসিপির খুলনা জেলা আহ্বায়ক কমিটি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা বাবুলের শিক্ষার্থী আজমুল হত্যায় মামলার তিন আসামী গ্রেপ্তার খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র আয়োজনে প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে সহায়ক উপকরণ হস্তান্তর খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন কর্তৃক শিশুশ্রম, ঝরে পড়া ও বাল্যবিবাহমুক্ত ওয়ার্ড ঘোষণা অপ্রতিম হত্যায় চার অভিযুক্তকে আদালতে সোপর্দ

রূপসায় মন্দির ভাঙচুর মামলায় গ্রেফতার ১০ জনকে জেলহাজতে প্রেরণ

প্রকাশিত: আগস্ট ৮, ২০২১

  • শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোটার : খুলনার রূপসা উপজেলার শিয়ালি গ্রামে একাধিক মন্দির এবং স্থানীয় হিন্দুদের কিছু দোকান ভাঙচুরের ঘটনায় গ্রেফতারকৃত ১০জনকে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। আজ রবিবার (৮ আগস্ট) দুপুরে তাদের জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়। হামলার ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শনিবার বিকেলে উপজেলার শিয়ালি গ্রামে।
রূপসা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সরদার মোশাররফ হোসেন বলেন, এঘটনায় উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি শক্তিপদ মন্ডল বাদী হয়ে ২৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত ১৫০ থেকে দুইশ’জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেছেন। এমামলার এজাহারনামীয় ৯ জনসহ ১০ জনকে গ্রেফতার করে আজ দুপুরে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে। এখন এলাকার পরিস্থিতি শান্ত। তবুও অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রেখেছি।
ভুল বোঝাবুঝি থেকেই ঘটনার সূত্রপাত
রূপসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও থানার অফিসার ইনচার্জ দু’জনেই বিবিসি বাংলাদে দেয়া সাক্ষাৎকারে বলেছেন, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় মসজিদে নামাজ চলার সময় হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যরা ‘গান-বাজনা’ করছিলেন, এ অভিযোগে দুই পক্ষের মধ্যে বাদানুবাদ হয়; যেটাকে তারা ‘ভুল বোঝাবুঝি’ বলে বর্ণনা করছেন।
রূপসা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রুবাইয়া তাছনিম বলেন, ওই দ্বন্দ্বের সমাধান সেদিনই হয়ে গিয়েছিল এবং ওইদিনের ঘটনার সাথে শনিবারের হামলার সম্পর্ক নেই।
তিনি আরও বলেন, শুক্রবারের ঘটনার পরপরই প্রশাসন ও পুলিশের কর্মকর্তাদের নিয়ে তিনি স্থানীয় হিন্দু ও মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতাদের সাথে বৈঠক করেন। আমরা জেলা প্রশাসন ও আইন শৃঙ্খলা-রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা সাথে সাথে সেখানে যাই এবং স্থানীয়দের সাথে বৈঠক করে দ্বন্দ্বের মিটমাট করি।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন