৫ই জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার,সকাল ১০:০৮

শিরোনাম
খুলনায় বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কোনো অভাবই স্বপ্নের চেয়ে বড় হতে পারে না খুলনার ৩০ কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ও শিক্ষাবৃত্তি দিল সিএসএস সিএসএস এবং পল মুন্সী দেশের মানুষের আস্থা ও মানবসেবার এক অবিচ্ছেদ্য নাম-খুলনার জোনাল ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম খুলনায় অরুণোদয়ের বার্ষিক পরীক্ষা সম্পন্ন আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতির আহ্বান জামায়াত আমীরের রেভারেন্ড পল মুন্সী স্মরণে খুলনার পূর্ব রূপসায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে সিভিএ বিষয়ক অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন কর্ম-পরিকল্পনা প্রণয়ন সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় আরএকে সিরামিকসের নতুন ফ্যাক্টরি আউটলেট উদ্বোধন

দেশে বড় দুর্যোগের পূর্বাভাস

প্রকাশিত: মে ৩০, ২০২১

  • শেয়ার করুন

সিলেটে সাত দফায় ভূমিকম্প বড় দুর্যোগের পূর্বাভাস বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। দেশের ভেতরেই বিপজ্জনক দু’টি ভূকম্পন উৎসের কথা জানিয়ে তারা বলছেন, যে কোনো সময় শক্তি দেখালে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনুমান করাও কঠিন। তাই বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে সচেতনার আহ্বান তাদের।
সিলেটের জৈন্তাপুরে লালাখালের দক্ষিণে ৫ থেকে ৬ কিলোমিটার দূরে ডুপিটিলা পাহাড়ের ১৫ কিলোমিটার নিচে ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল। একবার, দু’বার নয় – অনুভূত হয় সাতবার। যদিও এর সর্বোচ্চ মাত্রা ছিল ৪ দশমিক এক মাত্রার মৃদূ ভূমিকম্প।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দেশের ভেতরেই যে দু’টি স্থানে বিপজ্জনক ভূকম্পন শক্তি লুকিয়ে আছে সিলেটের জৈন্তাপুর ও এর আশপাশের এলাকা এর মধ্যে একটি। শনিবারের (২৯ মে) একাধিক ছোট ভূকম্পন বড় দুর্যোগের সতর্কবার্তা বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূ-তত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. সৈয়দ হুমায়ুন আখতার বলেন, এই যে বিপুল পরিমাণ শক্তি ভূ-অভ্যন্তরে জমা হয়েছে, সেটা এক সময় না এক সময় বের হতেই হবে। সিলেটের ভূমিকম্প একটা আগাম সতর্কবার্তা। দেখা যাবে হয়ত আগামী ১০ দিনের মধ্যেই বড় ভূমিকম্প হতে পারে। কারণ অতি শক্তিশালী অঞ্চলে এ ভূমিকম্পটা হয়েছে।

যেহেতু সিলেট-চট্টগ্রাম ভূমিকম্পপ্রবণ এলাকা হিসেবে ঝুঁকিপূর্ণ, তাই দুর্ঘটনা প্রতিরোধে নিয়মিত মহড়া ও ভূমিকম্প সহনশীল স্থাপনা নির্মাণের তাগিদ বিশেষজ্ঞদের।

বুয়েটের পুরকৌশল বিভাগের অধ্যাপক মেহেদী আহমেদ আনসারী বলেন, এখন সুপ্ত অবস্থায় যে ফাটলগুলো আছে, সেগুলো যে কোনো সময় নাড়াচাড়া দিয়ে উঠবে। সিলেট ও ঢাকায় অনেক নির্মাণ কাজ হচ্ছে। এগুলো ভূমিকম্প সহনশীল হিসেবে করা হচ্ছে কিনা যাচাই করাটা খুবই জরুরি।

ধ্যাপক ড. সৈয়দ হুমায়ুন আখতার বলেন, ভূমিকম্পের সময় আতঙ্কিত না হয়ে দু’য়েক কদমের মধ্যে আশ্রয় নেওয়া গেলে আমাদের জীবন রক্ষা পাবে। এবং সেটার জন্য আমাদের মহড়া প্রয়োজন।

সাধারণ মানুষকে এ বিষয়ে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানালেন তারা।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন