২৯শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার,সকাল ৬:৪৬

শিরোনাম
কোনো অভাবই স্বপ্নের চেয়ে বড় হতে পারে না খুলনার ৩০ কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ও শিক্ষাবৃত্তি দিল সিএসএস সিএসএস এবং পল মুন্সী দেশের মানুষের আস্থা ও মানবসেবার এক অবিচ্ছেদ্য নাম-খুলনার জোনাল ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম খুলনায় অরুণোদয়ের বার্ষিক পরীক্ষা সম্পন্ন আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতির আহ্বান জামায়াত আমীরের রেভারেন্ড পল মুন্সী স্মরণে খুলনার পূর্ব রূপসায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে সিভিএ বিষয়ক অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন কর্ম-পরিকল্পনা প্রণয়ন সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় আরএকে সিরামিকসের নতুন ফ্যাক্টরি আউটলেট উদ্বোধন সরকারের পাশাপাশি খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন

ক্যাচ মিস’ই কাল হলো বাংলাদেশের

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৪, ২০২১

  • শেয়ার করুন

ক্যাচ মিস’ই কাল হলো বাংলাদেশের।ক্রিকেটে একটা প্রবাদ আছে- ‘ক্যাচ মিস তো ম্যাচ মিস’। আজ (২৪ অক্টোবর) শারজায় টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সুপার টুয়েলভে বাংলাদেশ-শ্রীলঙ্কা ম্যাচে সেটা ভালোভাবেই টের পেলো লাল-সবুজ বাহিনী। দুইটি গুরুত্বপূর্ণ ক্যাচ মিসের মাশুল গুনতে হলো। শেষ পর্যন্ত সিংহের কাছে কাছে ৫ উইকেটে পরাজিত হলো টাইগাররা।

টেলিভিশনের পর্দা ও মাঠে বসে যারা খেলা দেখেছেন তারা সবাই একবাক্যে স্বীকার করবে যে, ম্যাচটি প্রায় বাংলাদেশের হাতেই ছিল। সাইফউদ্দিনের বলে হাসারাঙ্গা আউট হওয়ার পরই সুবিধাজনক অবস্থানে চলে যায় বাংলাদেশ। তার আগে এক ওভারেই জোড়া উইকেট শিকার করেন সাকিব আল হাসান।
শ্রীলঙ্কার দলীয় রান যখন ৭৯, ঠিক তখনই আঘাত হানেন সাইফউদ্দিন। তার বলে নাঈমের হাতে ক্যাচ তুলে দেন হাসারাঙ্গা। গ্যালারিতে টাইগার সমর্থকদের উল্লাস বেড়ে যায়। এর পরই ঘটলো বিপত্তি। ওই মুহূর্তে ক্রিজে সেট হওয়া আসালাঙ্কা ও পরে ঝড়ো ইনিংস খেলতে থাকা রাজাপাক্ষা, দুই জনেই ক্যাচ তুলে দেন। মোটামুটি সহজ ক্যাচ দু’টো তালুবন্দী করতে পারেননি লিটন দাস। যার মাশুলও দিতে হলো বাংলাদেশকে।

১৯তম ওভারে রাজাপাক্ষাকে বোল্ড করে প্যাভিলিয়নে ফেরত পাঠান নাসুম আহমেদ। কিন্তু ততক্ষণে টাইগারদের হাত থেকে ম্যাচ ফসকে গেছে। আউট হওয়ার আগে ৩ ছয় ও ৩ চারের সাহায্যে ৩১ বলে ৫৩ রানের ঝড়ো ইনিংস খেলেন রাজাপাক্ষা। অপরপ্রান্তে, ৪৯ বলে ৮০ রানে অপরাজিত থেকে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন আসালাঙ্কা। তার ইনিংসে ৫টি ছয় ও সমান সংখ্যক চারের মার ছিল। এই দুজনের ওপর ভর করে সহজেই জয়ের বন্দরে পৌঁছে যায় লঙ্কানরা।
এর পরই নাঈম শেখকে নিয়ে জুটি গড়ে তোলেন মুশফিক। দু’জনে মিলে ৭৩ রানের জুটি গড়েন। দলীয় ১২৯ রানের মাথায় ব্যক্তিগত ৬১ রান করে ফিরে যান নাঈম। ৫২ বলে সাজানো তার ইনিংসটিতে ছিল ৬টি চারের মার।

শেষ পর্যন্ত ৩৭ বলে ৫৭ রানে অপরাজিত থাকেন মুশফিক। তার এই ইনিংসটিতে ছিল ৫টি চার ও দুটি ছয়ের মার। আরেক অপরাজিত ব্যাটার অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ করেন ৫ বলে ১০ রান। তার আগে ব্যক্তিগত ৭ রান করে রান আউটের ফাঁদে পড়েন আফিফ হোসেন। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটের বিনিময়ে ১৭১ রান সংগ্রহ করে টাইগাররা

লঙ্কান বোলারদের মধ্যে একটি করে উইকেট নিয়েছেন লাহিরু কুমারা, চামিকা করুণারত্নে ও বিনুরা ফার্নান্দো।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন