২৬শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার,রাত ১১:০৮

শিরোনাম
মোড়েলগঞ্জে মাদকের প্রতিবাদ করায় মিথ্যা মামলার অভিযোগ, খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন পাইকগাছায় খুবির দ্বিতীয় কৃষি ক্যাম্পাসকে ‘বিজ্ঞানী পি সি রায় কৃষি ইনস্টিটিউট’ নামকরণের দাবিতে স্মারকলিপি খুলনায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জীবনদক্ষতা-ভিত্তিক শিক্ষা চালুর লক্ষ্যে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র পাঠ্যক্রম উন্নয়ন কর্মশালা খুলনা নগরীতে ভূমি ব্যবহার, আবাসন ও উন্মুক্ত স্থান বিষয়ক পরামর্শমূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশনের WEE প্রকল্পের আওতায় নারী উদ্যোক্তাদের নগদ অর্থ সহায়তা সিএসএস’র ঢাকা কার্যালয়ের নিজস্ব ভবনের উদ্বোধন, কৃতি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান শিশুশ্রম নিরসনে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারে খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র সমন্বয় সভা খুলনায় নারী উদ্যোক্তা ও নিবন্ধিত শিশুদের মাঝে ওয়ার্ল্ড ভিশনের মূলধন সহায়তা ও স্বাস্থ্য সামগ্রী বিতরণ খুলনায় বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

করোনা টেস্ট জালিয়াতি: জেকেজি চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা গ্রেপ্তার

প্রকাশিত: জুলাই ১২, ২০২০

  • শেয়ার করুন

করোনার নমুনা সংগ্রহ করে ফেলে দিয়ে পরে মনগড়া রিপোর্ট দেয়ার অভিযোগে জেকেজির সিইও আরিফ চৌধুরীর পর এবার গ্রেপ্তার করা হলো প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান ডা. সাবরিনা আরিফ চৌধুরীকে।

রবিবার দুপুরে তাকে তেজগাঁও বিভাগীয় উপ-পুলিশ (ডিসি) কার্যালয়ে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাকে গ্রেপ্তার দেখায় পুলিশ।

পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, তদন্তে জেকেজির প্রতারণার সঙ্গে ডা. সাবরিনা আরিফের সংশ্লিষ্টতা পাওয়ায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

ডিসি হারুন অর রশিদ জানান, ডা. সাবরিনা সরকারি কর্মকর্তা হয়ে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের পরিচালক হতে পারেন না। তাকে চার দিনের রিমান্ডের আবেদন জানিয়ে আদালতে পাঠানো হবে বলেও জানান এই পুলিশ কর্মকর্তা।

বিভিন্ন মাধ্যমে সাবরিনাকে জেকেজি চেয়ারম্যান হিসাবে পরিচয় দেয়া হলেও জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউটের এই চিকিৎসক দাবি করেছেন, জেকেজির সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক নেই। তিনি শুধু জেকেজিকে করোনার বিষয়ে পরামর্শ দিয়েছেন।

সম্প্রতি ভুয়া করোনা রিপোর্ট তৈরির অভিযোগে জেকেজির সিইও আরিফ চৌধুরীসহ বেশ কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

পুলিশ জানতে পারে, জেকেজি হেলথকেয়ার থেকে ২৭ হাজার রোগীকে করোনার টেস্টের রিপোর্ট দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১১ হাজার ৫৪০ জনের করোনার নমুনার আইইডিসিআরের মাধ্যমে সঠিক পরীক্ষা করানো হয়েছিল। বাকি ১৫ হাজার ৪৬০ জনের রিপোর্ট প্রতিষ্ঠানটির ল্যাপটপে তৈরি করা হয়। জব্দ করা ল্যাপটপে তার প্রমাণ মিলেছে।

এদিকে করোনাভাইরাস পরীক্ষা নিয়ে জালিয়াতির ঘটনায় জেকেজি ও রিজেন্ট হাসপাতালের সংশ্লিষ্ট থাকার অভিযোগ ওঠার পর শনিবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর একটি সংবাদি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে, যেখানে উল্লেখ করা হয় যে জেকেজি’র স্বত্বাধিকারী আরিফুল হক চৌধুরীর আরেকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কাজ করার পূর্ব অভিজ্ঞতা থাকায় জেকেজি গ্রুপকে কোভিড পরীক্ষার অনুমতি দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন