৮ই অক্টোবর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার,রাত ১১:৩৫

শিরোনাম
খুলনা শপিং কমপ্লেক্স ব্যবসায়ী সমিতির মানববন্ধন খুলনায় বাড়িঘর ভাঙচুর-লুটপাটের অভিযোগে সাবানা বেগমের সংবাদ সম্মেলন মংলা বন্দর দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক ভূমিকা রেখে চলেছে -মবক চেয়ারম্যান নৌবাহিনীর শিপইয়ার্ডে নির্মিত হলো টাগবোট ‘টিয়াখালী ক্ষোভের তীর সারজিসের দিকে, এনসিপির খুলনা জেলা আহ্বায়ক কমিটি থেকে পদত্যাগের ঘোষণা বাবুলের শিক্ষার্থী আজমুল হত্যায় মামলার তিন আসামী গ্রেপ্তার খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র আয়োজনে প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে সহায়ক উপকরণ হস্তান্তর খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন কর্তৃক শিশুশ্রম, ঝরে পড়া ও বাল্যবিবাহমুক্ত ওয়ার্ড ঘোষণা অপ্রতিম হত্যায় চার অভিযুক্তকে আদালতে সোপর্দ

বেতাগায় চেতনানাশকের বিষক্রিয়ায় সাবেক পুলিশ কর্মকর্তার মৃত্যু

প্রকাশিত: অক্টোবর ৮, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

ফকিরহাট প্রতিনিধি : বাগেরহাটের ফকিরহাটে চেতনানাশক ওষুধ স্প্রে করে একটি বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটেছে। চেতনানাশক ওষুধের বিষক্রিয়ায় মোঃ হাফিজুর রহমান শিকারী (৭৭) নামের একজন অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ কর্মকর্তা (এসআই) মারা গেছেন।

পুলিশ বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) রাত ৮টার দিকে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বেতাগা এলাকায়। এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী নুরজাহান বেগম রিনা (৬৮) এখনো অসুস্থ আছেন। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। নিহত হাফিজুর রহমান বেতাগা এলাকার মৃত ইজার উদ্দিন শিকারীর ছেলে।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বুধবার (৭ অক্টোবর) দিবাগত রাতের কোন এক সময় দুষ্কৃতকারীরা সুকৌশলে ঘরের ভেতর চেতনানাশক ওষুধ স্প্রে করে। পরে দুষ্কৃতকারীরা ঘর থেকে স্বর্ণালংকারসহ অন্যান্য জিনিসপত্র চুরি করে পালিয়ে যায়। পরের দিন বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুর ১২টার দিকে স্থানীয়রা ওই বাড়িতে হাফিজুর রহমান ও তার স্ত্রীকে অচেতন অবস্থায় দেখতে পান। সেসময় তাদেরকে দ্রুত উদ্ধার করে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক হাফিজুর রহমানকে মৃত বলে ঘোষনা করেন। পরে মরদেহ বাড়িতে আনা হয়। খবর পেয়ে থানা পুলিশ, সিআইডি ও ডিবি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শণ করেন। স্থানীয়রা আরো জানান, ওই বাড়িতে হাফিজুর রহমান ও তার স্ত্রী নুরজাহান বেগম রিনা বসবাস করতেন। একমাত্র ছেলে নুরুল ইসলাম রিপন চাকুরীর সুবাদে ঢাকায় বসবাস করেন। ওই বাড়ির ঘরের ভেতর সকল মালামাল ও জিনিসপত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে ছিল। ঘরের একটি জানালা খোলা পেয়েছে থানা পুলিশ। তবে ঘরের ভেতর আগে থেকে কেউ লুকিয়ে থাকতে পারে বলে স্থানীয়রা ধারনা করছেন।

ফকিরহাট মডেল থানা পুলিশের পরিদর্শক (ওসি) মোঃ রজিউল্লাহ খান বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, প্রাথমিক সুরোতহাল প্রতিবেদন শেষে মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। মযনা তদন্তের জন্য বাগেরহাট সদর হাসাপালের মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হবে। তিনি প্রাথমিকভাবে ধারনা করছেন ওই বাড়িতে চেতনানাশক ওষুধ স্প্রে করে চুরির ঘটনা ঘটিয়েছে দুষ্কৃতকারীরা। ওষুধের বিষক্রিয়ায় ওই ব্যাক্তি মারা গেছেন বলে ধারনা করছেন। ময়না তদন্ত প্রতিবেদন আসলে তার মৃত্যুর সঠিক কারন জানা যাবে। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখছেন বলে জানান।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন