২০শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার,সকাল ১০:১১

শিরোনাম
খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশনের WEE প্রকল্পের আওতায় নারী উদ্যোক্তাদের নগদ অর্থ সহায়তা সিএসএস’র ঢাকা কার্যালয়ের নিজস্ব ভবনের উদ্বোধন, কৃতি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান শিশুশ্রম নিরসনে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারে খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র সমন্বয় সভা খুলনায় নারী উদ্যোক্তা ও নিবন্ধিত শিশুদের মাঝে ওয়ার্ল্ড ভিশনের মূলধন সহায়তা ও স্বাস্থ্য সামগ্রী বিতরণ খুলনায় বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কোনো অভাবই স্বপ্নের চেয়ে বড় হতে পারে না খুলনার ৩০ কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ও শিক্ষাবৃত্তি দিল সিএসএস সিএসএস এবং পল মুন্সী দেশের মানুষের আস্থা ও মানবসেবার এক অবিচ্ছেদ্য নাম-খুলনার জোনাল ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম খুলনায় অরুণোদয়ের বার্ষিক পরীক্ষা সম্পন্ন

মিশুক-রিক্সা লাইসেন্সের আওতায় আনার দাবিতে কেসিসির প্রশাসকের নিকট স্মারকলিপি

প্রকাশিত: জুন ৮, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

তথ্য প্রতিবেদক : মিশুক-রিক্সা লাইসেন্সের আওতায় আনা ও চলাচলের জন্য অনুমতি পাওয়ার দাবিতে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জুর কাছে স্মারকলিপি প্রদান করেছে খুলনা মহানগর ব্যাটারি চালিত মিশুক-রিক্সা চালক ঐক্য পরিষদ।

সোমবার সন্ধ্যায় নগর ভবনে স্মারকলিপি প্রদানকালে প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, আমরা নগরীকে ঢেলে সাজাতে চাই। নগরীকে যানজট মুক্ত করতে চাই। সে কারণে নগরীতে চলাচলকারী ইজিবাইক নিয়ন্ত্রন করার চেষ্টা করছি। তবে জনসাধারণের চলাচলের জন্য মিশুক রিকসাকে লাইসেন্সের আওতায় আনা যায় কি না সে বিষয়টিও চিন্তাভাবনার মধ্যে রাখা হয়েছে।

স্মারকলিপি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন, খুলনা মহানগর ব্যাটারি চালিত মিশুক-রিক্সা চালক ঐক্য পরিষদের সভাপতি মোঃ ঈসমাইল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মোঃ তরিকুল ইসলাম নয়ন, সহসভাপতি মোঃ আজিজুর রহিম মনি, মোঃ শামিম শেখ, মোঃ আব্দুর রহিম, মোঃ হাসান শেখ, মোঃ দেলোয়ার হোসেন, মোঃ কাজল শেখ প্রমুখ।

পরিষদ নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা খুলনা সিটি কর্পোরেশন এলাকার নিম্নবিত্ত মিশুক-রিক্সা চালক। খুলনা মহানগরীতে পরিবেশ বান্ধব ব্যাটারী চালিত মিশুক-রিক্সা চালিয়ে পরিবার পরিজন নিয়ে জীবন যাপন করে আসছি।

খুলনা মহানগরীতে বর্তমানে তিনশতাধিক মিশুক চলাচল করছে। এই মিশুকগুলোর লাইসেন্স না থাকায় ট্রাফিক পুলিশ যত্রতত্র ধরে জারিমানা করছে। মাঝে মাঝে সিটি কর্পোরেশনের ম্যাজিস্ট্রেট কর্তৃক ধরে আটক করে জরিমানা করেন। আমরা গরীব খেটে খাওয়া মানুষ, এভাবে প্রতিনিয়ত জরিমানার মুখে পড়লে আমাদের পরিবার চালাতে খুবই কষ্ট হয়, ভোগান্তিতে পড়ে যাই।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন