২৮শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার,সকাল ৮:৩১

শিরোনাম
খুলনার ৩০ কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ও শিক্ষাবৃত্তি দিল সিএসএস সিএসএস এবং পল মুন্সী দেশের মানুষের আস্থা ও মানবসেবার এক অবিচ্ছেদ্য নাম-খুলনার জোনাল ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম খুলনায় অরুণোদয়ের বার্ষিক পরীক্ষা সম্পন্ন আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতির আহ্বান জামায়াত আমীরের রেভারেন্ড পল মুন্সী স্মরণে খুলনার পূর্ব রূপসায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে সিভিএ বিষয়ক অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন কর্ম-পরিকল্পনা প্রণয়ন সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় আরএকে সিরামিকসের নতুন ফ্যাক্টরি আউটলেট উদ্বোধন সরকারের পাশাপাশি খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন প্রেসিডেন্ট গ্রাম প্রতিরক্ষা দল সেবা পদক পেলেন খুলনার মোঃ শফিকুজ্জামান

পাইকগাছায় মুক্তিপণের দাবিতে কলেজ ছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশিত: নভেম্বর ৮, ২০২১

  • শেয়ার করুন

খুলনার পাইকগাছায় আমিনুল ইসলাম (২০) নামে এক কলেজছাত্রকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিখোঁজের এক দিন পর সোমবার উপজেলার আগড়ঘাটা বাজার সংলগ্ন কপোতাক্ষ পাড়ে ওই কলেজছাত্রের জবাই করা আলামত উদ্ধার করেছে পুলিশ। লাশ উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা।
নিহত আমিনুল ইসলাম উপজেলার শ্যামনগর গ্রামের ছুরমান গাজীর ও কপিলমুনি কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র।

নিহতের পিতা বলেন গত (৭ নভেম্বর) রোববার আমার ছেলের ব্যবহৃত ফোন দিয়ে আমার কাছে পনেরো লক্ষ টাকা  মুক্তিপণ দাবী করে। পরে পুলিশকে অবহিত করা হয়।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, রোববার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে একটি অপহরণকারী চক্র উপজেলার আগড়ঘাটা বাজার থেকে আমিনুর রহমানকে অপহরণ করে।

এরপর তাকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে আমিনুরের ব্যবহৃত ফোন দিয়ে ওই দিন রাত ১০টার দিকে তার বাবা ছুরমান গাজীর কাছে পনেরো লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এ সময় মুক্তিপণের টাকা পাইকগাছা ব্রিজের নিচে রাখতে বলা হয় বলেও জানানো হয়। পরে মুক্তিপণের কিছু টাকা ওই স্থানে রেখে কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়।

সোমবার দুপুর ১টার দিকে নির্দিষ্ট স্থান থেকে টাকা নিয়ে চলে যাওয়ার সময় চারপাশে মোতায়ন করা লোকেরা অপহরণকারী ফয়সাল সরদারকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে দেয়।

পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়াউর রহমান জানান, অপহরণের ঘটনায় উপজেলার গদাইপুর গ্রামের জিল্লুর রহমান সরদারের ছেলে ফয়সাল সরদার নামে একজনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে ফয়সাল জানান, অপহৃত আমিনুলেকে রোববার রাত ৯টার দিকে আগড়ঘাটা বাজার সংলগ্ন কপোতাক্ষ নদের পাড়ে পানীয়’র সাথে ঘুমের ঔষধ মিশিয়ে পান করান । এরপর অচেতন হয়ে পড়ে। এ সময় আগে থেকে লুকিয়ে রাখা ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে ও জবাই করে কপোতাক্ষ নদে ফেলে দেয়। জবাইকৃত যাইগায় রক্ত ও পানীয়’র বোতল পড়ে থাকতে দেখাগেছে। যা পুলিশ আলামত হিসেবে সংগৃহীত করেছে।

বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত কপোতাক্ষ নদে পুলিশ,আত্মীয় স্বজন ও সাধারন জনতা খোঁজাখুঁজির পরেও এখনো লাশের সন্ধান মেলেনি। হত্যায় ব্যবহৃত দা কপোতাক্ষ নদে ফেলে দিয়েছে বলে ফয়সাল স্বীকার করেছে। ব্যবহৃত দা ও খোঁজা অব্যহত রয়েছে।

পুলিশ ঘটনায় জড়িত অন্যদেরকেও আটকের চেষ্টা চালাচ্ছে।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন