১৪ই জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার,সকাল ১০:৫১

শিরোনাম
সরকারের পাশাপাশি খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন প্রেসিডেন্ট গ্রাম প্রতিরক্ষা দল সেবা পদক পেলেন খুলনার মোঃ শফিকুজ্জামান খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন ও কর্ম-পরিকল্পনা প্রনয়ণ সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশনের আয়োজনে শহরে উন্নয়নমূলক কাজ ও গবেষণার ফলাফল উপস্থাপন সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশনের সহযোগিতায় “শিশুদের বাজেট ভাবনা-২০২৬” বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কেসিসিতে ওয়ার্ল্ড ভিশনের কার্যক্রমের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ও সন্ত্রাসী গ্রেফতারের দাবিতে খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন লাল শাড়িতে স্বামীর বাড়ি যাওয়ার পথে লাশ হয়ে ফিরলেন মিতু সহ ১৪ জন রামপালে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে বর কনেসহ নিহত ১৪

মেডিকেলের খাতা অন্য কলেজে দেখানো উচিত: প্রধান বিচারপতির মত

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৮, ২০২১

  • শেয়ার করুন

মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার উত্তরপত্র (খাতা) নিজ কলেজে না দেখে অন্য মেডিকেল কলেজে পাঠিয়ে সেই খাতা মূল্যায়ন করে ফলাফল তৈরি করা উচিত বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন।

বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) ‘বিএমডিসি বনাম শাহ এমডি আরমান এন্ড আদার্স’ মামলার শুনানিতে বিএমডিসির আইনজীবীকে উদ্দেশ্যে করে এমন মন্তব্য করেছেন প্রধান বিচারপতি।

শুনানিতে প্রধান বিচারপতি বলেন, দেশের কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার খাতা তো সেই একই বিশ্ববিদ্যালয় দেখে না। অন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে সে খাতা দেখতে পাঠানো হয়। কিন্তু মেডিকেল কলেজে যে কলেজের শিক্ষার্থী সেই একই কলেজে রিটেনের (লিখিত পরীক্ষা) খাতা কাটা (মূল্যায়ন) হয় এবং রেজাল্ট সিট (ফলাফল তৈরি) করা হয়।

বাংলাদেশ মেডিকেল এন্ড ডেন্টাল কাউন্সিলের (বিএমডিসি) পক্ষের আইনজীবী তানজীব উল আলমের উদ্দেশে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন আরও বলেন, মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার খাতা একই কলেজে না দেখে এবং রেজাল্ট সিট না করে (ডিফারেন্ট) ভিন্ন মেডিকেল কলেজে পাঠিয়ে সে খাতা দেখানো ও রেজাল্ট সিট করানো উচিত।’

আদালতে বিএমডিসির পক্ষে ছিলেন আইনজীবী তানজীব উল আলম। ওই শিক্ষার্থীদের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী আশরাফ আলী।

আদালতে বিএমডিসির আইনজীবী তানজীব উল আলম জানান, ওই শিক্ষার্থী ভর্তির নির্ধারিত স্কোর, মেধা তালিকা ক্রম নিয়ে সঠিক তথ্য দেননি। তাই তাকে রেজিস্ট্রেশন দিতে রাজি হয়নি বিএমডিসি। এ কারণে সে হাইকোর্টে এসে রিট করে বিভিন্ন বর্ষে পরীক্ষা দিয়েছে। ওর তো গোড়ায় গলদ। সে প্রতারণা করে ভর্তি হয়েছে।

শুনানি শেষে ওই শিক্ষার্থীর পক্ষে পরীক্ষার সুযোগ চেয়ে করা আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন