প্রকাশিত: জানুয়ারি ৩১, ২০২৬

খবর বিজ্ঞপ্তির : প্রচারণাকালে বিশেষভাবে নারীদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ও ইতিবাচক আশ্বাস পাওয়ার কথা জানান খুলনা-৩ আসনের জামায়াতের প্রার্থী অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান।
তিনি বলেন, নারীরা পরিবর্তনের পক্ষে দৃঢ় অবস্থান নিয়েছেন, যা আমাদের জন্য অনুপ্রেরণাদায়ক। স্থানীয়দের মতে, সুশাসন ও নৈতিক রাজনীতির বার্তা নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর এই প্রচারণা এলাকাবাসীর মধ্যে নতুন প্রত্যাশা তৈরি করেছে।
শনিবার (৩১ জানুয়ারি) দিনব্যাপী খুলনা পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, রেললাইনের দুই পাশে বসবাসরতদের মাঝে আলমনগর, নিউজপ্রিন্ট মিলস, প্লাটিনাম, ক্রিসেন্ট, পাওয়ায় হাউজ হয়ে ৭নং ওয়ার্ড রেল লাইনসহ বিভিন্ন স্থানে গণসংযোগকালে তিনি এ সব কথা বলেন।
এ সময় তার সঙ্গে শ্রমিক বিভাগের সভানেত্রী বেগম সুফিয়া সুলতানা, খালিশপুর থানা মহিলা বিভাগের কর্মপরিষদ সদস্য শাহিদা খাতুন, মাশহুদা সুলতানা, নাসিমা বেগম, মাহমুদা আক্তার, জুলেখা শারমিন, নাসরিন আক্তার, ৭ নং ওয়ার্ড সভানেত্রী হোসনেয়ারা, সায়মা মিয়াজী, সাহানা বেগম, রাবেয়া বেগম, ৮ নং ওয়ার্ডের সাজেদা, সহকারী সেক্রেটারি নুরজাহান বেগম, মোমতাজ বেগম, ১০ নং ওয়ার্ড সভানেত্রী উম্মে সালমা, সেক্রেটারি ফাতেমা হুসাইন, ১২ নং ওয়ার্ডের নাসরিন আক্তার, ১৩ নং ওয়ার্ডের সভানেত্রী আলেয়া আমিন, মুর্শিদা জামান, মোমতাজ বেগম, আসমা বেগম, হামিদা বেগম, তাবাসসুম আক্তার, শাহনাজ পারভীন, ১৪ নং ওয়ার্ডের মনিরা আক্তার, রুহেলা বেগম, আসমা বেগম, ১৫ নং ওয়ার্ডের শাহনাজ পারভীন, পারুল বেগম, হাসিনা বেগম, দুলি বেগম, তাসলিমা খাতুন প্রমুখ।
ভোটাধিকার প্রসঙ্গে অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেন, যারা মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে তারা ভোট ডাকাত। বিগত তিনটি নির্বাচনে এমন মানুষও আছে যারা জীবনে একবারও ভোট দিতে পারেনি। এই পরিস্থিতির অবসান ঘটাতে তিনি গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, ১১ দলীয় জোট নির্বাচিত হলে এই বিজয় কোনো পরিবার বা দলের নয়-এই বিজয় হবে জনগণের। জনগণের সরকার গঠিত হবে। তিনি বলেন, যুবতীদের পেশাগত ও নৈতিক শিক্ষা দিয়ে দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলা হবে। খয়রাত নয়, দক্ষতার মাধ্যমে তাদের হাতে বাংলাদেশ তুলে দেওয়া হবে ইনশাআল্লাহ।