১০ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার,সন্ধ্যা ৭:৫৫

শিরোনাম
খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র উইই প্রকল্পের উদ্বোধন খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং সিএসএস হোপ টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট ও এশিয়া টেকিনিক্যাল ট্রেইনিং সেন্টারের মাঝে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে খুলনায় শিশু ও যুব সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত খুলনায় শিশু সুরক্ষা নীতি বাস্তবায়নে সুশীল সমাজের সাথে সমন্বয় সভা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র খুলনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সেবার মানদন্ড সমূহের পর্যবেক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র খুলনায় অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই চলছে ভোটগ্রহণ, ধাক্কায় বিএনপি নেতার মৃত্যুর অভিযোগ জনগনের প্রত্যাশা পুরণে বিএনপি বদ্ধ পরিকর : মঞ্জু জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে কোন সংশয় নেই -স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা যারা মিথ্যার আশ্রয় নেয়, তারা দেশপ্রেমিক নয় : তারেক রহমান

ভারত থেকে অক্সিজেন আমদানি শুরু

প্রকাশিত: জুলাই ৫, ২০২১

  • শেয়ার করুন

মিলন হোসেন বেনাপোল।
বন্ধ থাকার আড়াই মাস পর আবারও ভারত থেকে শুরু হয়েছে অক্সিজেন আমদানি। সোমবার (০৫ জুলাই) বেনাপোল স্থলবন্দর পরিদর্শক এ কে এম সাইফুদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গত দু’দিনে ভারত থেকে একশ’ ৯০ মেট্রিক টন অক্সিজেন আমদানি করেছে লিনডে বাংলাদেশ নামে একটি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান।

প্রতি বছর বেনাপোল বন্দর দিয়ে ভারত থেকে প্রায় ৩৫ হাজার মেট্রিক টন অক্সিজেন আমদানি হয়ে থাকে। তবে অক্সিজেন সংকট দেখা দেওয়ায় গত ২২ এপ্রিল অক্সিজেন রপ্তানি বন্ধ করে দেয় ভারত সরকার।

বর্তমানে দেশটিতে করোনায় আক্রান্ত ও মৃত্যুহার কমে আসায় আবারও অক্সিজেন রপ্তানি শুরু করেছে বলে জানা গেছে।

বাংলাদেশে গড়ে প্রতিদিন ১০০-১২০ টনের মতো অক্সিজেনের দরকার হয়। কিন্তু মার্চ মাসে করোনা সংক্রমণ অনেক বেড়ে যাওয়ার পর সেই চাহিদা দৈনিক ৩০০ টন পর্যন্ত উঠেছিল। এ চাহিদার একটি অংশ দেশেই উৎপাদিত হয়, বাকিটা প্রধানত ভারত থেকে আমদানি করতে হয়। তবে দেশে আবারও বেড়ে গেছে করোনা সংক্রমণ।

গত ২৬ এপ্রিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের একজন পরিচালক ও মুখপাত্র ডা. মোহাম্মদ রোবেদ আমিন  জানান, ভারত অক্সিজেন সরবরাহ বন্ধ করলেও আমাদের কোনো সমস্যা হবে বলে মনে হয় না। তারপরেও আমরা সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়ে রাখছি। বাংলাদেশে যারা ইন্ডাস্ট্রিয়াল অক্সিজেন তৈরি করে, এ রকম বেশ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আমরা এর মধ্যেই কথা বলতে শুরু করেছি। যদি প্রয়োজন পড়ে, তাহলে তারা মেডিকেল অক্সিজেন সরবরাহ করবে।

ইসলাম অক্সিজেনের কর্মকর্তা বদর উদ্দিন আল হোসেনও বলছেন, অক্সিজেনের চাহিদা যদি আরও বেড়ে যায়, তখন আমরা শিল্প খাতের অক্সিজেন মেডিকেল খাতে পরিবর্তন করে নিয়ে আসবো। আরও যে কয়েকটি কারখানা অলস পড়ে আছে, সেগুলোও চালু করা যায়। আমরা এর মধ্যেই এরকম দুইটি কারখানা চালু করেছি। তারপরেও দরকার হলে চায়না, সিঙ্গাপুর থেকে অক্সিজেন আমদানি করে আনা যাবে।

ফলে চাহিদা বাড়লেও অক্সিজেনের সংকট তৈরি হবে না বলেই তিনি মনে করেন।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন