২৮শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার,সকাল ১১:১৭

শিরোনাম
খুলনার ৩০ কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ও শিক্ষাবৃত্তি দিল সিএসএস সিএসএস এবং পল মুন্সী দেশের মানুষের আস্থা ও মানবসেবার এক অবিচ্ছেদ্য নাম-খুলনার জোনাল ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম খুলনায় অরুণোদয়ের বার্ষিক পরীক্ষা সম্পন্ন আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতির আহ্বান জামায়াত আমীরের রেভারেন্ড পল মুন্সী স্মরণে খুলনার পূর্ব রূপসায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে সিভিএ বিষয়ক অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন কর্ম-পরিকল্পনা প্রণয়ন সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় আরএকে সিরামিকসের নতুন ফ্যাক্টরি আউটলেট উদ্বোধন সরকারের পাশাপাশি খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন প্রেসিডেন্ট গ্রাম প্রতিরক্ষা দল সেবা পদক পেলেন খুলনার মোঃ শফিকুজ্জামান

সাগরে ভাসছিলো ১১ জেলে

প্রকাশিত: আগস্ট ৪, ২০২৩

  • শেয়ার করুন

মোংলা প্রতিনিধি : ইঞ্জিন বিকল হয়ে ‘ এমভি জোনায়েদ ‘ নামে একটি ফিশিং ট্রলার বঙ্গোপসাগরে ভাসছিলো। ট্রলারটিতে থাকা ১১ জন জেলে সমুদ্রে মাছ ধরতে যায়। তবে ইঞ্জিন নষ্ট হওয়ায় মাঝ সাগরে ভাসছিলে হতভাগা এই জেলেরা। খবর পেয়ে শুক্রবার (৪ আগষ্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় তাদেরকে বঙ্গোপসাগরের জেফোড পয়েন্টের কাছ থেকে উদ্ধার করে কোস্টগার্ড পশ্চিম জোন। তাদের বাড়ী বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলায়।
বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের মিডিয়া কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আব্দুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবার (৩ আগস্ট) রাত ২টায় বরগুনার পাথরঘাটার সাংবাদিক জসিম এবং স্থানীয় মৎস্য সমিতির সভাপতি মোস্তফা চৌধুরীর দেয়া তথ্যে তারা জানতে পারেন- “এমভি জোবায়েদ” নামক একটি ফিশিং ট্রলার ইঞ্জিন বিকল হয়ে জেফোড পয়েন্টের কাছাকাছি ভাসছে। গত ২৯ জুলাই ওই ফিশিং ট্রলারটি বরগুনা জেলার পাথরঘাটা উপজেলা হতে ১১ জন জেলেসহ মাছ ধরার উদ্দেশ্যে সমুদ্রে গমন করে। গত ৩০ জুলাই সকাল আনুমানিক ৯টায় ইঞ্জিন বিকল হয়ে পড়লে ফিশিং ট্রলারটি সাগরে ভাসতে থাকে।
এরপর শুক্রবার (৪ আগষ্ট) কোস্টগার্ড পশ্চিম জোনের (মোংলা সদর দপ্তর) উদ্ধারকারী দল অভিযান পরিচালনা করে ফিশিং ট্রলার এবং ১১ জন জেলেদের নিরাপদে কোস্টগার্ডের দুবলা স্টেশনে নিয়ে আসে। তাদের খাবার এবং প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করা হয়েছে।
উদ্ধারকৃত ওই ১১ জন জেলেকে মালিক পক্ষের নিকট হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানান কোস্টগার্ড কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট কমান্ডার আব্দুর রহমান।
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের আওতাভুক্ত এলাকা সমূহে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণ, উদ্ধার অভিযান, অবৈধ মৎস্য আহরণ এবং মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ রোধে কোস্ট গার্ড জিরো টলারেন্স নীতি অবলম্বন করে নিয়মিত অভিযান অব্যাহত আছে এবং ভবিষ্যতেও থাকবে।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন