২৭শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার,বিকাল ৩:৫১

শিরোনাম
খুলনার ৩০ কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ও শিক্ষাবৃত্তি দিল সিএসএস সিএসএস এবং পল মুন্সী দেশের মানুষের আস্থা ও মানবসেবার এক অবিচ্ছেদ্য নাম-খুলনার জোনাল ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম খুলনায় অরুণোদয়ের বার্ষিক পরীক্ষা সম্পন্ন আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতির আহ্বান জামায়াত আমীরের রেভারেন্ড পল মুন্সী স্মরণে খুলনার পূর্ব রূপসায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে সিভিএ বিষয়ক অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন কর্ম-পরিকল্পনা প্রণয়ন সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় আরএকে সিরামিকসের নতুন ফ্যাক্টরি আউটলেট উদ্বোধন সরকারের পাশাপাশি খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন প্রেসিডেন্ট গ্রাম প্রতিরক্ষা দল সেবা পদক পেলেন খুলনার মোঃ শফিকুজ্জামান

ডুমুরিয়ায় পানি নিষ্কাশনের খাল জবরদখল

প্রকাশিত: জুলাই ১০, ২০২৫

  • শেয়ার করুন

ভ্রাম্যমাণ প্রতিনিধি : খুলনার ডুমুরিয়া উপজেলার নরনিয়া গ্রামের ডাঃ স্বপন কর নামে এক প্রভাবশালী ব্যক্তি বিরুদ্ধে এলাকার পানি নিষ্কাশনের কালভার্ট বন্ধ করা ও শত বছরের খাল জবরদখল করে ভরাট করে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এঘটনায় গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে অত্র এলাকার পিচের রাস্তা, স্কুল ও কয়েকটি বাড়িতে পানি উঠে গেছে। অনতিবিলম্বে কালভার্ট খুলে দেওয়াসহ মাটি ভরাট করা খাল কেটে না দিলে পুরো এলাকা তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

সরজমিনে গিয়ে এলাকাবাসীর সাথে কথা বলে জানা যায়, নরনিয়া এলাকার পানি নিষ্কাশনের জন্য একটি খাল ছিল। মুরুব্বিদের কাছে জানা যায়, খাল দিয়ে প্রায় একশো বছর ধরে পানি নিষ্কাশন হয়ে আসছে। বিশেষ করে বর্ষার মৌসুমে ঐ খাল দিয়ে পানি ভদ্রা নদীতে গিয়ে পড়ে। সে কারণে এলাকাবাসীর প্রচেষ্টায় রাস্তার নিচ দিয়ে একটি কালভার্টও নির্মান করা হয় এবং ভদ্রা নদী খননের সময় নদীর পাশ দিয়ে মাটি ফেলানো হলে পানি সরবরাহ বন্ধ হয়ে যায়। সে সময় বাসুদেব দত্ত নামে এক সমাজ সেবক নিজের অর্থায়নে মাটির নিচ দিয়ে খুঁড়ে ভদ্রা নদীতে পানি সরবরাহের ব্যবস্থা করেন। এতে পানি সরবরাহে কোন প্রতিবন্ধকতা ছিল না।

কিন্তু গত বছর ডাঃ স্বপন কর ও তার পুত্র সৌরভ কর এলাকার পানি নিষ্কাশনের কথা চিন্তা না করেই খালটি বালি ভরাট করে দেয়। এতে এবছর বর্ষার শুরুতে উক্ত খাল দিয়ে পানি সরতে না পারায় জলাবন্ধতা শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে এত্র এলাকায় যাতায়াতের পিচের রাস্তা তলিয়ে গিয়ে পিচ উঠে বিভিন্ন স্থানে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। নরনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও বিদ্যালয়ের মাঠে বৃষ্টির পানি উঠে গেছে এবং কয়েকটি বাড়িতে পানি উঠে গেছে। এব্যাপারে মাধন ব্রহ্মের স্ত্রী ইতু ব্রহ্ম বলেন, এই গ্রামে বিবাহ হয়েছে প্রায় ৫০ বছর আগে। সেই থেকে আমি উক্ত খাল দিয়ে পানি নিষ্কাশন হতে দেখেছি। বর্তমানে খালটি বালি দিয়ে ভরাট করায় আমাদের বাড়ির উঠানে পানি উঠে গেছে। ডাঃ স্বপন কর বলেন, আমি অল্পদিনের মধ্যে খালটি কেটে দিব। আটলিয়া ইউপি চেয়ারম্যান শেখ হেলাল উদ্দিন বলেন, যদি পানি সরবরাহের খাল কেউ বন্ধ করে এলাকায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টির চেষ্টা করে। তাহলে ঐক্যবদ্ধভাবে খালটি কেটে দেওয়া হবে।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন