৩রা এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার,দুপুর ১২:৪৬

শিরোনাম
জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ও সন্ত্রাসী গ্রেফতারের দাবিতে খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন লাল শাড়িতে স্বামীর বাড়ি যাওয়ার পথে লাশ হয়ে ফিরলেন মিতু সহ ১৪ জন রামপালে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে বর কনেসহ নিহত ১৪ ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ খুলনা শহর এরিয়া প্রোগ্রাম-২ এর ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি’র সূচনা খুলনায় পিছিয়ে পড়া ৫০ জন মাকে নিয়ে জীবন উন্নয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র উইই প্রকল্পের উদ্বোধন খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং সিএসএস হোপ টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট ও এশিয়া টেকিনিক্যাল ট্রেইনিং সেন্টারের মাঝে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে খুলনায় শিশু ও যুব সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত খুলনায় শিশু সুরক্ষা নীতি বাস্তবায়নে সুশীল সমাজের সাথে সমন্বয় সভা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র

ভালো কাজের আশায় ভারত যেয়ে জেল খেটে দেশে ফিরল ৮ যুবক।

প্রকাশিত: মার্চ ১২, ২০২৩

  • শেয়ার করুন

মিলন হোসেন বেনাপোল,
ভালো কাজের আশায় পাসপোর্ট ভিসা বাদে চোরাইপথে ভারত যেয়ে ৫ মাস থেকে ৩ বছর পর্যান্ত জেল খেটে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যেমে  বেনাপোল চেকপোষ্ট দিয়ে দেশে ফিরেছে ৮ যুবক। রোববার বিকাল ৫ টার সময় ভারতীয় ইমিগ্রেশন পুলিশ বেনাপোল ইমিগ্রেশন পুলিশ এর কাছে হস্তান্তর করে।
ফেরত আসারা হলেনঃ- সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জ থানার হামিদ গাজির ছেলে সাইফুল গাজি (২৯) একই জেলার ইশার আলী গাজির ছেলে মনিরুল গাজি (৩০) মুর্শীদ আলীর ছেলে আহসানুর রহমান (২৯) সেফায়েত খার ছেলে আল আমিন (২৮) আবুল হোসেনের ছেলে শাশসুজ্জামান (৩৪) ময়মনসিংহ জেলার বাদশা মিয়ার ছেলে শওকাত হোসেন (৩১) একই জেলার নিজাম উদ্দিন এর ছেলে আল আমিন (৩০) আবুল বাশার এর ছেলে আশরাফুল আলম (২৭) ।
বেনাপোল ইমিগ্রেশন ওসি আহসান হাবিব বলেন, এরা ভাল কাজের আশায় বিভিন্ন সীমান্ত পথে ভারত যায়। এরপর সেদেশের তামিল নাড়ু শহরে কৃষি কাজ করার সময় পুলিশের কাছে ধরা পড়ে। সেই থেকে এরা বিভিন্ন মেয়াদে জেল খেটে দেশে আসে বিশেষ ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যেমে।
বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি কামাল হোসেন বলেন, ফেরত আসা বাংলাদেশী নাগরিকদের থানার আনুষ্ঠানিকতা শেষে জাস্টিস ফর কেয়ার নামে একটি বেসরকারী সংস্থার কাছে হস্থান্তর করা হবে।
যশোর বেসরকারী এনজিও জাস্টিস এন্ড কেয়ার এর মাঠ কর্মকর্তা মুহিদ বলেন, ফেরত আসাদের যশোর তাদের নিজ শেল্টার হোমে রাখা হবে। এরপর পরিবারের সাথে যোগাযোগের মাধ্যেমে তাদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন