৩রা এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার,সকাল ১১:৪৮

শিরোনাম
জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ও সন্ত্রাসী গ্রেফতারের দাবিতে খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন লাল শাড়িতে স্বামীর বাড়ি যাওয়ার পথে লাশ হয়ে ফিরলেন মিতু সহ ১৪ জন রামপালে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে বর কনেসহ নিহত ১৪ ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ খুলনা শহর এরিয়া প্রোগ্রাম-২ এর ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি’র সূচনা খুলনায় পিছিয়ে পড়া ৫০ জন মাকে নিয়ে জীবন উন্নয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র উইই প্রকল্পের উদ্বোধন খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং সিএসএস হোপ টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট ও এশিয়া টেকিনিক্যাল ট্রেইনিং সেন্টারের মাঝে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে খুলনায় শিশু ও যুব সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত খুলনায় শিশু সুরক্ষা নীতি বাস্তবায়নে সুশীল সমাজের সাথে সমন্বয় সভা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র

বেনাপোল বাজারে আজিজ মিষ্টান্ন ভান্ডারে স্বাস্থ্য বিধি মানছে না,ঈদকে পুঁজি করে মিষ্টির দাম জোরপূর্বক বেশি নেওয়া হচ্ছে।

প্রকাশিত: জুলাই ২৩, ২০২১

  • শেয়ার করুন


মিলন হোসেন বেনাপোল।
যশোরের বেনাপোল বাজারে আজিজ মিষ্টান্ন ভান্ডারে স্বাস্থ্য বিধি না মেনেই চলছে মিষ্টি ও দই কেনাবেচা। সেই সাথে পাল্লা দিয়ে দাম বেশি নেওয়া হচ্ছে মিষ্টি ও দইয়ের।
কাস্টমাররা প্রতিবাদ করলে তাদেরকে বলা হচ্ছে করোনা ভাইরাসের মধ্যে ঝুঁকি নিয়েই দোকান খোলা রাখার কারণে বেশি নেওয়া হচ্ছে ।

অনেকেই মিষ্টি ও দই না নিয়ে ঝামেলা করে ফেরত যাচ্ছেন।ঝামেলা সময় জোর হচ্ছে অনেক লোক।এতে মহামারি করোনা ভাইরাসের ঝুঁকি বেশি হচ্ছে।
তাদের অভিযোগ আজিজ মিষ্টান্ন ভান্ডারে ঈদের আগে যে মিষ্টি বিক্রি করতো ১৪০ টাকা বর্তমানে সেটা ১৬০ টাকা,দই বিক্রি হতো ১১০ টাকা বর্তমানে নিচ্ছে ১৩০ টাকা।অভিযোগে তারা আরো বলেন দই খুরিতে যে পরিমাণ থাকার কথা সেটাও কম থাকে যা স্থানীয় প্রশাসন হঠাৎ করে অভিযান চালালে ধরা পড়বে।
দই ক্রয় করতে আসা সাদিপুর গ্রামের মাসুদ বলেন ঈদের ৫ দিন আগে আজিজ মিষ্টান্ন ভান্ডার থেকে যে দই কেনা হয়েছে ১১০ টাকায় ঈদের পরের সেই একই মাপের দই নিচ্ছে ১৩০ টাকা।দূর্গাপুর গ্রামের ইলিয়াস বলেন ঈদের আগে যে মিষ্টি আজিজ থেকে নিয়েছি ১৪০ টাকায়  ঈদের পরের দিন নিল ১৬০ টাকা।
এ সমস্ত বিষয়ে আজিজ মিষ্টান্ন ভান্ডারে মালিক আজিজ এর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন ঈদের জন্য স্বাস্থ্য বিধি মানা কঠিন হচ্ছে।আর চিনির দাম বেশি হওয়ার কারণে মিষ্টি দাম বেশি নেওয়া হচ্ছে।দইয়ের বিষয়ে বলেন ১৩০ টাকা বিক্রি করা হচ্ছে না বাজার কমিটির সাথে আলোচনা সাপেক্ষে ১২০ টাকা করে বিক্রি করা হচ্ছে।
এ ব্যাপারে বেনাপোল বাজার কমিটির সভাপতি আজিজুর রহমান শুক্রবার দুপুর ৩ টা ৮ মিনিটে মোবাইলে জানান,দই বিক্রির ব্যাপারে বাজার কমিটির সাথে কোন আলোচনা হয়নি।যদি ঈদকে পুঁজি করে দই ও মিষ্টি বেশি দামে বিক্রি করে বিকালে এসে তাকে ডেকে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এ ব্যাপারে শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মীর আলিফ রেজা জানান যদি স্বাস্থ্য বিধি না মেনে ব্যবসা করে ও ঈদকে পুঁজি করে মিষ্টি ও দইয়ের দাম জোরপূর্বক ভাবে বেশি নেন তারা বিরুদ্ধে আইনের আওতায় আনা হবে।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন