৪ঠা এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার,সকাল ১১:০৪

শিরোনাম
জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ও সন্ত্রাসী গ্রেফতারের দাবিতে খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন লাল শাড়িতে স্বামীর বাড়ি যাওয়ার পথে লাশ হয়ে ফিরলেন মিতু সহ ১৪ জন রামপালে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে বর কনেসহ নিহত ১৪ ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ খুলনা শহর এরিয়া প্রোগ্রাম-২ এর ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি’র সূচনা খুলনায় পিছিয়ে পড়া ৫০ জন মাকে নিয়ে জীবন উন্নয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র উইই প্রকল্পের উদ্বোধন খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং সিএসএস হোপ টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট ও এশিয়া টেকিনিক্যাল ট্রেইনিং সেন্টারের মাঝে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে খুলনায় শিশু ও যুব সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত খুলনায় শিশু সুরক্ষা নীতি বাস্তবায়নে সুশীল সমাজের সাথে সমন্বয় সভা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র

বেনাপোল বন্দরের প্রাচীরের পিলার পোতায় হামানের আঘাতে ঝুঁকিতে রয়েছে বড় আঁচড়া গ্রামের বসবাসরত ১৫ টি বাড়ি।

প্রকাশিত: মে ২২, ২০২২

  • শেয়ার করুন

মিলন হোসেন বেনাপোল,
বেনাপোল স্থল বন্দরের প্রাচীর নির্মানের পিলার গভীর মাটির নিচে প্রবেশ করানোয় ঝুকিতে রয়েছে প্রাচীর এর পাশের প্রায় ১৫ টি পাকা বাড়ি। সিমেন্ট বালু ও রড এর তৈরী বড় বড় পিলার প্রি-কাষ্ট এর মাধ্যমে গভীর মাটির নীচে বসানোর সময় ওই পিলারের মাথায় অত্যাধুনিক মেশিন এর সাহায্য হামান দিয়ে বাড়ি মারার সময় আশে পাশের বাড়ি ঘর কেঁপে উঠছে। এবং ওই সকল বাড়ি ঘর ফাটল ধরেছে বলে অভিযোগ করেছে ভুক্তভোগি পরিবার।

সরেজমিনে দেখা গেছে বেনাপোল বন্দরের বড় আঁচড়ার ৩৪ নং শেডের পিছনে স্থল বন্দর কর্তৃপ সীমানা প্রাচীর নির্মান করছে। ওই সীমানা প্রাচীর এর পাশে রয়েছে কয়েক যুগের বসবাস রত পরিবার। ইতি মধ্যে সেখানে নতুন পাকা ঘরবাড়ি ও নির্মান হয়েছে। তার মধ্যে প্রায় ১৫ টি এক তলা পাকা ঘর পিলার বসানোর সময় হামানের বাড়িতে ফেটে গেছে। প্রতিটি হামানের বাড়িতে ওই সব ভবনের প্লাষ্টার পর্যন্ত খসে খসে পড়ছে।

ভুক্তভোগি পরিবার ইদ্রিস আলী, সুফিয়া, বাপ্পি সহ আরো অনেকে অভিযোগ করে বলেন, বন্দর কর্তৃপক্ষ যে প্রাচীর তৈরী করছে তাতে আমাদের বাড়ি ঘরের চরম খতি হচ্ছে। যে কোন সময় তাদের প্রাচীরের পিলার পোতার সময় হামানের আঘাতের কারনে বাড়ি কেঁপে উঠে ফেটে যাচ্ছে এবং বাড়ি তৈরীর নির্মান সামগ্রী খসে খসে পড়ছে। আমরা বন্দর কর্তৃপরে নিকট অভিযোগ দিলে তারা আমাদের সাথে অসৌজন্য মুলক আচারন করছে। এছাড়া ওই পিলার পোতার কাজে হামিম ইন্টারন্যাশনাল ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী দেলোয়ার সহ আরো কয়েকজন আমাদের সাথে খারাপ আচারন করে।

ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কর্মচারী দেলোয়ার হোসেন বলেন, যদি ড্রিল করে এটা করা হতো তাহলে বাড়ি ঘরের খতি হত না। এভাবে পিলার পুতলে বাড়ি ঘরের খতি হবে। তবে এটা দেখার বিষয় আমাদের নয়। কর্তৃপকে ভুক্তভোগি পরিবারগুলি বিষয়টি অভিযোগ আকারে জানালে তারা যে সিদ্ধান্ত নিবে সেই মোতাবেক আমরা কাজ করব।

ঘটনাস্থলে বেনাপোল বন্দরের সহকারী উপ- পরিচালক রুবেল হোসেন বলেন আমি কয়েকটি বাড়ি দেখেছি তাতে ওই সব বাড়ি ঘরের খতি হচ্ছে। বিষয়টি উর্দ্ধতন কর্তৃপরে নিকট জানাব।

বেনাপোল বন্দরের উপ-পরিচালক মামুন কবির তরফদারকে বিষয়টি জানতে চেয়ে কয়েকবার ফোন দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেন নাই।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন