১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার,রাত ৯:১৩

শিরোনাম
খুলনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সেবার মানদন্ড সমূহের পর্যবেক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র খুলনায় অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই চলছে ভোটগ্রহণ, ধাক্কায় বিএনপি নেতার মৃত্যুর অভিযোগ জনগনের প্রত্যাশা পুরণে বিএনপি বদ্ধ পরিকর : মঞ্জু জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে কোন সংশয় নেই -স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা যারা মিথ্যার আশ্রয় নেয়, তারা দেশপ্রেমিক নয় : তারেক রহমান খুলনার তিন জেলার এমপি প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিলেন তারেক রহমান ‌তারেক রহমানকে বরণ করতে খুলনাবাসী অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছে খুলনায় তারেক রহমানের জনসভায় ৮ লাখ নেতাকর্মীর সমাগমের প্রস্তুতি ক্ষমতায় গেলে বন্ধ শিল্প কারখানা চালু হবে : ডাঃ শফিকুর রহমান

ফেনীতে স্বর্ণ ডাকাতি: ডিবির ওসিসহ ৬ পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেফতার

প্রকাশিত: আগস্ট ১১, ২০২১

  • শেয়ার করুন

ফেনীতে স্বর্ণ ডাকাতির ঘটনায় ডিবির ওসিসহ ৬ পুলিশ সদস্যকে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ খানের আদালতে তোলা হয়েছে৷
বুধবার (১১আগস্ট) দুপুর পৌনে তিনটার দিকে ফেনী মডেল থানা থেকে পুলিশ ভ্যানে করে তাদেরকে ফেনী আদালত এলাকায় নেওয়া হয়। এর কিছুক্ষণ পর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ খানের আদালতে তোলা হয়।

আদালতে জিজ্ঞাসাবাদের পর তাদেরকে জেল হাজতে পাঠানোর কথা রয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার রাতে ২০টি স্বর্ণের বার আত্মসাতের অভিযোগে গোয়েন্দা পুলিশের পরিদর্শকসহ ৬ জনকে গ্রেফতার করেছে মডেল থানা পুলিশ।

তাদের কাছে ১৫টি বার উদ্ধার করা হয়।
চট্টগ্রামের এক স্বর্ণ ব্যবসায়ীর লিখিত অভিযোগের প্রেক্ষিতে ফেনী গোয়েন্দা পুলিশের ইন্সপেক্টর সাইফুল ইসলাম এবং তিন জন এসআই দুই জন এএসআইসহ মোট ছয়জনকে আটক করেছে জেলা পুলিশ ।

আটককৃত অন্যরা হচ্ছে উপ-পরিদর্শক মোতাহের হোসেন, মিজানুর রহমান ও নুরুল হক এবং সহকারী উপ-পরিদর্শক অভিজিত বড়ুয়া ও মাসুদ রানা। তাদের বিরুদ্ধে ফেনী মডেল থানায় ডাকাতি মামলা হয়েছে।
জেলা পুলিশ অভিযুক্ত পুলিশ সদস্যদের কাছ থেকে ১৫ টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করেছে ।
ফেনীর পুলিশ সুপার খোন্দকার নুরুন্নবী জানান, রোববার বিকেলে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকার পথে যাওয়ার সময় স্বর্ণ ব্যবসায়ী গোপাল কান্তি দাস ফেনী ফতেহপুর রেলক্রসিং এলাকায় পৌঁছালে ডিবি পুলিশের সদস্যরা তার থেকে স্বর্ণের বারগুলো নিয়ে যায়। পরে গোপাল দাস ফেনীর পুলিশ সুপারের কাছে লিখিতভাবে অভিযোগ করলে পুলিশ সুপার তাদেরকে শনাক্ত করে চারজনকে প্রাথমিকভাবে আটক করে।

পরবর্তীতে তার জবানবন্দিতে আরো দু’জনকে আটক করে। পুলিশ সুপার তাদের কাছ থেকে ১৫ টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করে বাকি পাঁচটির ব্যাপারে পুলিশ তদন্ত করছে।

পুলিশ সুপার আরো জানান, স্বর্ণের বারগুলো ওই ব্যবসায়ীর বৈধ অথবা অবৈধ কিনা সেটি তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্ত সাপেক্ষে বলা যাবে।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন