২১শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার,রাত ১:৩২

শিরোনাম
লাল শাড়িতে স্বামীর বাড়ি যাওয়ার পথে লাশ হয়ে ফিরলেন মিতু সহ ১৪ জন রামপালে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে বর কনেসহ নিহত ১৪ ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ খুলনা শহর এরিয়া প্রোগ্রাম-২ এর ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি’র সূচনা খুলনায় পিছিয়ে পড়া ৫০ জন মাকে নিয়ে জীবন উন্নয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র উইই প্রকল্পের উদ্বোধন খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং সিএসএস হোপ টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট ও এশিয়া টেকিনিক্যাল ট্রেইনিং সেন্টারের মাঝে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে খুলনায় শিশু ও যুব সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত খুলনায় শিশু সুরক্ষা নীতি বাস্তবায়নে সুশীল সমাজের সাথে সমন্বয় সভা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র খুলনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সেবার মানদন্ড সমূহের পর্যবেক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র

খুলনায় মায়ের চিকিৎসা ও নিজের জীবনের নিরাপত্তায় প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত: জুন ৬, ২০২৪

  • শেয়ার করুন

তথ্য প্রতিবেদক:
জীবনের নিরাপত্তা ও পিতার সম্পত্তি আত্মসাতের প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার (৬ জুন) দুপুর ১ টায় আপন ভাইয়ের বিরুদ্ধে খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন খালিশপুর আবাসিক ১১৭ নম্বর রোডের বি/১৪ এর মৃত ফজলুল হকের মেয়ে কোহিনুর বেগম।
তিনি বলেন, আমার ভাইয়েরা বাবার সম্পত্তি আত্মসাৎ করার জন্য আমাকে হত্যা করার চেষ্টা করেছে। প্রায় ৩০ বছর পূর্বে ভাইদের অত্যাচার সইতে না পেরে ছোট ভাই কাজী মোস্তাফিজুল হক রিপন আত্মহত্যা করে।
শুধু তাই নয়, মা জাকিয়া বেগমের সম্পত্তি আত্মসাৎ এর লক্ষে তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে চিকিৎসায় অনিয়ম ও অবহেলা করছেন। আমার ভাই কাজী মাহবুবুল হক খোকন, কাজী মাহফুজুল হক (স্বাধীন), কাজী মঈনুল হক লিটন ও আমার বড় ভাইয়ের স্ত্রী উম্মে সালমা জাহান লুনা সংঘবদ্ধভাবে আমার বাবা চাকুরী থেকে এলপিআর যাবার পরে বাবার উপরেও শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন করে ওয়ারিশদের সকল অর্থ এবং তার গ্রামের বাড়ীর যাবতীয় সম্পত্তি জোর করে দখল করে নেয়। মা অসুস্থ জানতে পেরে আমি ঢাকা থেকে জরুরী ভিত্তিতে ভাই কাজী মাহবুবুল হকের ভাড়া বাসায় মাকে দেখতে ও চিকিৎসা করাতে আসি এবং তার যথাযথ চিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ করি। কিন্তু গত ১৮ মে সকাল অনুমানিক সাড়ে ৯ টার দিকে আমার ভাই কাজী মাহবুবুল হক খোকনের হুকুমে দুই ভাই ও ভাবি আমাকে মারপিট শুরু করে। কাজী মাহফুজুল হক স্বাধীন মায়ের ঘরের আলমারী খুলে (ত্রিশ ভরি) স্বর্ণ ও নগদ দুই লক্ষ টাকা জোর করে নিয়ে যায়। আমাকে বেধড়ক মারপিট করলে আমার ডাক চিৎকারে বুলবুলি বেগম ও জাহানারা বেগম আমাকে উদ্ধার করে। পরে আমাকে স্থানীয় একটি ডিসপেনসারীতে প্রাথমিক চিকিৎসা প্রদান করে। কিন্তু আমার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে রাত আনুমানিক ১০টায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। ২১ মে পর্যন্ত চিকিৎসা গ্রহনের পর কিছুটা সুস্থ্য হয়ে খালিশপুর থানায় মামলা করাতে গেলে থানা পুলিশ কোন অভিযোগ নেয়নি।
তিনি এ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে মায়ের চিকিৎসা ও নিজের জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের সহযোগিতা কামনা করেন।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন