২২শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার,সন্ধ্যা ৭:০১

শিরোনাম
খুলনা মহানগরীর ২৮নং ওয়ার্ডে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলদেশ এর আয়োজনে লার্নিং রুটস/শিখন শিকড় কেন্দ্রের উদ্বোধন খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের উদ্যোগে “হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট ও কুলিনারি আর্টস” এর উপর কেরিয়ার কাউন্সিলিং এবং সহযোগি সংগঠনের সাথে মতবিনিময় সভা খুলনায় কারিগরি শিক্ষায় বেকার ও প্রতিবন্ধী যুবদের সম্পৃক্তকরণ ও উদ্বুদ্ধকরণ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় ঝরে পড়া শিশুদের বিদ্যালয়মুখীকরণ বিষয়ক সচেতনতা সভা করেছে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ খুলনার লবণচরায় পিওর আর্থ এর সীসা দূষণ সচেতনতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত খুলনা মহানগরীতে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র “ঝরে পড়া শিশুদের বিদ্যালয়মুখীকরণ বিষয়ক সংলাপ” মোংলা বন্দরের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন খুলনায় ‘তওহীদভিত্তিক আধুনিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যম কর্মীদের ভূমিকা’ শীর্ষক গোল টেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত ব্যাংকিং সেক্টরে এস আলমের একচ্ছত্র নিয়োগ বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ

ইউক্রেনে আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে বাধ্য হলেন জার্মান প্রেসিডেন্ট

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৬, ২০২২

  • শেয়ার করুন

হঠাৎ করে ইউক্রেন সফরে গিয়ে বিপদে পড়েছেন জার্মান প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্ক-ভাল্টার স্টেইনমায়ার। জানা গেছে, ইউক্রেনের রাজধানী কিয়েভে পৌঁছানোর পর দক্ষিণ দিকের শহর কোরিউকিভকা সফরে যান জার্মান প্রেসিডেন্ট। তিনি সেখানে পৌছানোর পর হামলার আগাম সতর্কতামূলক সাইরেন বেঁজে ওঠে। এরপর বাধ্য হয়ে দ্রুত একটি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নেন তিনি।

মঙ্গলবার বাধ্য হয়ে আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার ব্যাপারে জার্মান প্রেসিডেন্ট বলেছেন, আমরা প্রথম দেড় ঘণ্টা একটি এয়ার রেইড আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান করি। এখানকার মানুষ কি রকম অবস্থার মধ্যে বাস করছেন তা আমাদের বুঝিয়েছে।

উল্লেখ্য, যুদ্ধের শুরুতে ইউক্রেনের কোরিউকিভকা শহরটি দখল করেছিল রুশ সেনারা। কিন্তু পরবর্তীতে তারা শহরটি থেকে পিছু হটতে বাধ্য হয়।

তবে রুশ বাহিনী শহরটি ত্যাগ করার আগে এর অবকাঠামোর ব্যাপক ক্ষতি সাধন করে। প্রেসিডেন্টের মুখপাত্র জানিয়েছেন, স্টাইনমায়ার শহরটির জরুরি অবকাঠামো তৈরি করতে সহায়তা প্রদান করবেন।

এ শহরের বাসিন্দাদের প্রশংসা করে জার্মান প্রেসিডেন্ট বলেন, এখানকার মানুষ খালি হাতে ট্যাংককে পরাস্ত করেছে।

রাশিয়ার সঙ্গে ভালো সম্পর্ক থাকায় জার্মান প্রেসিডেন্টকে ইউক্রেনে আসতে প্রথমে বাধা দিয়েছিল দেশটির সরকার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি ইউক্রেনে এসেছেন। ইউক্রেনে এসেই জার্মান প্রেসিডেন্ট ঘোষণা দেন, জার্মানি ইউক্রেনকে সামরিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিকভাবে আরও সহায়তা করবে।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন