৩০শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার,রাত ১১:৫৬

শিরোনাম
জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ও সন্ত্রাসী গ্রেফতারের দাবিতে খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন লাল শাড়িতে স্বামীর বাড়ি যাওয়ার পথে লাশ হয়ে ফিরলেন মিতু সহ ১৪ জন রামপালে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে বর কনেসহ নিহত ১৪ ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ খুলনা শহর এরিয়া প্রোগ্রাম-২ এর ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি’র সূচনা খুলনায় পিছিয়ে পড়া ৫০ জন মাকে নিয়ে জীবন উন্নয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র উইই প্রকল্পের উদ্বোধন খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং সিএসএস হোপ টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট ও এশিয়া টেকিনিক্যাল ট্রেইনিং সেন্টারের মাঝে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে খুলনায় শিশু ও যুব সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত খুলনায় শিশু সুরক্ষা নীতি বাস্তবায়নে সুশীল সমাজের সাথে সমন্বয় সভা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র

জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ও সন্ত্রাসী গ্রেফতারের দাবিতে খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত: মার্চ ৩০, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

তথ্য প্রতিবেদক:
খুলনা মহানগরীর লবণচরা ও মাথাভাঙ্গার ত্রাস, চাঁদাবাজ মৃত আলমগীর শেখ ও পারভীন বেগমের পুত্র আইনুল হক ও তার সহযোগিদের হাত থেকে জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সংবাদ সম্মেলন করেছেন নির্মাণ সামগ্রী ব্যবসায়ী মোঃ আরিফুজ্জামান (আরিফ খলিফা)। তিনি সোমবার দুপুর ১২ টায় খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবির বালু মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলন করেন। এসময় তার পিতা মোঃ নাজিমউদ্দিন উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে আরিফ বলেন, তার ছোট ভাই মোঃ আসাদুজ্জামান আরমান এর মাছের ঘেরের অংশীদার সুবাস বাবু ওরফে দুয়ে বাবুকে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি আইনুল হক ও তার সহযোগিরা ঘেরে যেতে নিষেধ করেন। আইনুল আরও বলেন, “আমরা আরমানের ঘেরের সব মাছ লুট করবো। তুই কাউকে কিছু বললে তোকে জানে মেরে ফেলবো।” যেমন কথা, তেমন কাজ। ঐ রাতেই তারা আরমানের ঘেরের সকল মাছ ধরে নিয়ে যায় এবং যাওয়ার সময় ঘেরের একটি ঘরে আগুন লাগিয়ে দেয়।
ঘটনার পরেরদিন আরিফ লবণচরা থানায় উপস্থিত হয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)’কে বিষয়টি অবগত করেন এবং মামলা দায়ের করেন। যার নং-৮, তারিখ ১৮/০২/২০২৬ইং। এরপর আইনুল ও তার সহযোগিরা পলাতক থাকলেও গত ৪ মার্চ রাত সাড়ে ৮ টার দিকে মোবাইল (০১৯৫২-২০৩৫৩০) কলের মাধ্যমে আইনুল নিজের পরিচয় দিয়ে আরিফের নিকট থানায় মামলার বদৌলতে ক্ষতিপূরণ বাবদ ৫ লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করেন। তিনি আরও বলেন, মাথাভাঙ্গা এলাকায় মাছের ঘেরের ব্যবসা করতে হলে তাকে প্রতি মাসে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দিতে হবে। না হলে আরিফ ও তার পরিবারের সদস্যদের জানে মেরে ফেলার হুমকি প্রদান করেন।
এছাড়াও ঘেরের পাহারাদার ঝানু বেগম ও দুয়ে বাবুকে পুনরায় গালিগালাজ জীবন নাশের হুমকি প্রদান করেন। এতে আরিফ, তার পরিবার ও ঘেরের পাহারাদার সকলেই চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন। এরপর পুনরায় তারা গত ২৫ মার্চ লবনচরা থানার সেকেন্ড অফিসারকে বিষয়টি জানালে তিনি আইনুলকে আইনের আওতায় আনার আশ্বাস প্রদান করেন। কিন্তু আইনুলকে কোনভাবেই প্রশাসন গ্রেফতার করতে পারে নি। পক্ষান্তরে গত ২৮ মার্চ আরিফ মাথাভাঙ্গায় তার নিজ ঘেরে যাওয়ার পথে হামলার উদ্দেশ্যে আইনুল বাঁধা প্রদান করেন।
উল্লেখ্য, সন্ত্রাসী আইনুলের নামে পুলিশ পিসিপিআর সংগ্রহ করে দেখা যায়, ঢাকার আশুলিয়ায় ৩টি, খুলনার লবণচরা থানায় ৩টি, কয়রা থানায় ১টি, বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট “ক” অঞ্চল খুলনা মহানগরে ১টি, গাজীপুরের টঙ্গী পশ্চিম থানায় ১টি, নায়ায়গঞ্জের ফতুল্লায় ১টি, ঢাকার কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় ১টি ও মুন্সিগঞ্জ সদর থানায় ১টি সর্বমোট ১২টি মামলা চলমান রয়েছে।
সবশেষে আরিফ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আইনুলকে গ্রেফতার পূর্বক দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দবিতে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। না হলে আইনুল কর্তৃক আরিফ ও তার পরিবারের সদস্যদের উপর যেকোন সময় জীবন নাশের হামলা হতে পারে বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন