২৯শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার,বিকাল ৫:৩৩

শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে বন্ধ শিল্প কারখানা চালু হবে : ডাঃ শফিকুর রহমান ইমাজেন ভেঞ্চারস পিচ ডে-তে বিজয়ী খুলনার তরুণ উদ্ভাবক দল আইনশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে বিএনপি অগ্রাধিকার দেব : তারেক রহমান খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে “সিটিজেন ভয়েস এন্ড একশন” বিষয়ক প্রারম্ভিক সভা অনুষ্ঠিত খুলনা মহানগরীর ২৮নং ওয়ার্ডে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলদেশ এর আয়োজনে লার্নিং রুটস/শিখন শিকড় কেন্দ্রের উদ্বোধন খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের উদ্যোগে “হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট ও কুলিনারি আর্টস” এর উপর কেরিয়ার কাউন্সিলিং এবং সহযোগি সংগঠনের সাথে মতবিনিময় সভা খুলনায় কারিগরি শিক্ষায় বেকার ও প্রতিবন্ধী যুবদের সম্পৃক্তকরণ ও উদ্বুদ্ধকরণ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় ঝরে পড়া শিশুদের বিদ্যালয়মুখীকরণ বিষয়ক সচেতনতা সভা করেছে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ খুলনার লবণচরায় পিওর আর্থ এর সীসা দূষণ সচেতনতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

শার্শা উপজেলায় প্রতিমা তৈরিতে ব্যস্ত শিল্পীরা।

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১

  • শেয়ার করুন

মিলন হোসেন বেনাপোল।

আর কিছুদিন পরেই সনাতন ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় শারদীয় দুর্গা উৎসব। উৎসবকে ঘীরে হিন্দু সম্প্রদায়ের দরজায় কড়া নাড়ছে আনন্দের বণ্যা। এ উপলক্ষে একটু জোরেসোরে প্রতিমা তৈরি করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন শার্শা-বেনাপোল সীমান্তের প্রতিমা শিল্পীরা। লকডাউন শিথিল হওয়ায় এবার বেড়েছে কাজের চাপ। তাই রাত দিন পরিশ্রম করে নিপুণ হাতে তৈরি করছে দেবী দূর্গাকে। করোনা পরিস্থিতিতে যেন স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত না হয় সে ব্যাপারে প্রস্তুতি নিয়েছেন সংশ্লিষ্টরাও।
সরেজমিনে তথ্য অনুসন্ধানে দেখা যায়, উপজেলার প্রতিমা শিল্পীরা নিপুণ হাতে প্রতিমা তৈরীর কাজ করছেন। ফুটিয়ে তুলেছেন দুর্গা, লক্ষী, সরস্বতী, গণেশ ও কার্তিকের প্রতিমা। বিভিন্ন পূজা মন্ডবে কাদা-মাটি, বাঁশ, খড়, সুতলি দিয়ে শৈল্পিক শ্রদ্ধায় তিলতিল করে গড়ে তোলা হচ্ছে দেবী দুর্গাকে। সনাতন ধর্মালম্বীদের সবচেয়ে বড় উৎসব শারদীয় দুর্গা উৎসব ঘনিয়ে আসায় শার্শা ও বেনাপোলের পূজা মন্ডব গুলোতে দম ফেলার সময় নেই কারিগরদের। করোনাকালে বেড়েছে সব ধরনের উপকরণের দাম। তাই এবার খরচ একটু বেশি বলে জানান সংশ্লিষ্টরা। মাটির কাঠামো নির্মাণের মূল কাজ ইতিমধ্যেই শেষ করেছেন শিল্পীরা। এরপর রং তুলির আঁচড়ে প্রতিমা পাবে দৃষ্টিনন্দন রূপ।
প্রতিমা শিল্পীরা বলেন, অনেক দিন পরে একটু মন খুলে কাজ করতে পেরে খুব ভল লাগছে। করোনা কালীন সময়ে পণ্যের দাম অনেকটা বেশি হওয়ায় এবার পূজায়ও ব্যাপক খঁরচ গুনতে হবে। সব ঠিকঠাক থাকলে যথা সময়ে কাজ শেষ করতে পারবো।
শার্শা উপজেলা পূজা উদযাপন কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক, গৌতম রায় জানান, চলতি করোনা কালীন সময়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবারের শারদীয় দূর্গা উৎসব পালন করা হবে। পূজা উদযাপন কমিটি যথাযথ ভাবে সরকারের বিধিনিষেধ বাস্তবায়নে সচেষ্ট থাকবে।
সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জুয়েল ইমরান বলেন, বরাবরের মতো এবারো শারদীয় দুর্গাপূজায় সার্বিক নিরাপত্তার বিষয়ে প্রশাসনের কঠোর নজরদারি থাকবে। সনাতনধর্মীরা যেন তাদের পূজা উৎসবকে ভাল ভাবে শেষ করতে পারে এবং শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত যেন স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলে তার জন্য প্রশাসন সার্বিক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
শার্শা উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের দেওয়া তথ্যমতে এবছর উপজেলায় ২৮টি মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হবে দুর্গাপূজা। আগামী ১১ অক্টোবর ষষ্ঠী পূজার মধ্য দিয়ে শুরু হবে আনুষ্ঠানিকতা।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন