১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার,রাত ৯:০৯

শিরোনাম
খুলনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সেবার মানদন্ড সমূহের পর্যবেক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র খুলনায় অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই চলছে ভোটগ্রহণ, ধাক্কায় বিএনপি নেতার মৃত্যুর অভিযোগ জনগনের প্রত্যাশা পুরণে বিএনপি বদ্ধ পরিকর : মঞ্জু জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে কোন সংশয় নেই -স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা যারা মিথ্যার আশ্রয় নেয়, তারা দেশপ্রেমিক নয় : তারেক রহমান খুলনার তিন জেলার এমপি প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিলেন তারেক রহমান ‌তারেক রহমানকে বরণ করতে খুলনাবাসী অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছে খুলনায় তারেক রহমানের জনসভায় ৮ লাখ নেতাকর্মীর সমাগমের প্রস্তুতি ক্ষমতায় গেলে বন্ধ শিল্প কারখানা চালু হবে : ডাঃ শফিকুর রহমান

শার্শায় গ্রীষ্মকালীন শিম আর টমেটো চাষে চাষির মুখে হাসি

প্রকাশিত: আগস্ট ২৪, ২০২১

  • শেয়ার করুন


মিলন হোসেন বেনাপোল।
গ্রীষ্মকালীন শিম এবং টমেটো চাষে সাফল্যের মুখ দেখছেন যশোরের শার্শার চাষিরা। অসময়ে শীত মৌসুমের ফসল হাতে পেয়ে কৃষকেরা যেন সোনার হরিণ হাতে পেয়েছেন। অল্প জমিতে গ্রীষ্মকালীন সবজি চাষ করে অধিক মুনাফা লাভে তাদের মুখে ফুটেছে আনন্দের হাসি। জেলায় পলি শেড আর নিচে বেড করে টমেটোর চাষ হচ্ছে।

বাঁশের তৈরি মাঁচায় ঝুলছে শিমের থোকা থোকা ফুল। ভাল ফলন এবং বাজারে পর্যাপ্ত চাহিদার পাশাপাশি দাম বেশি পাওয়ায় অধিক লাভের সম্ভাবনা দেখছেন কৃষকরা।
উপজেলার শ্যামলাগাছি, নারানপুর, কাশিপুর গ্রামের মাঠে মাঠে গ্রীষ্মকালীন শিম ও টমেটোর চাষ হচ্ছে। এ বছর আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় গ্রীষ্মকালীন এই চাষে সফলতার মুখ দেখছেন চাষিরা।বেগুনি আর হলুদ ফুলে ছেয়ে গেছে কৃষকের মন। গত সপ্তাহে বেনাপোল এবং নাভারনের কাঁচা বাজারে প্রতি কেজি শিম ৭৫-৮০ টাকা এবং টমেটো ৪০-৪৫ টাকা কেজি দরে পাইকারি বিক্রি হয়েছে।
শার্শার ডিহি ইউনিয়নের কাশিপুর গ্রামের শিম চাষি রহমান মিয়া জানান, প্রতি বিঘা শিম চাষে খরচ দাঁড়ায় প্রায় লাখ টাকা, টমেটোর বিঘা প্রতি খরচ একটু বেশি হলেও বাজারে ভাল দাম থাকায় খরচের দ্বিগুণ লাভ হতে পারে বলে তিনি মনে করেন।
নারানপুর গ্রামের কৃষক আবেদিন জানায়, বারি-৮ জাতের টমেটো চাষ করে গত বছর এক বিঘা জমিতে প্রায় ২ লাখ টাকা লাভ করেন তিনি।

শার্শা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সৌতম কুমার বলেন, যশোর অঞ্চলে চাষিদের মধ্যে গ্রীষ্মকালীন সবজি চাষের আগ্রহ দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। আধুনিক চাষাবাদ পদ্ধতি প্রয়োগ করে নতুন নতুন সবজি উদ্ভাবনে চাষিরা এগিয়ে আসার কারণে প্রতিবছর নতুন নতুন এলাকায় গ্রীষ্মকালীন সবজি চাষ বৃদ্ধি পাচ্ছে। ফলে একদিকে যেমন চাষিরা লাভবান হচ্ছে অন্যদিকে অসময়ে বাজারে পাওয়া যাচ্ছে নতুন নতুন সবজি। এ বছর শার্শা উপজেলার বেশ কিছু গ্রামে ২৭ একর জমিতে শিম এবং ৩১ একর জমিতে টমেটোর চাষ করা হয়েছে। গত বছর এর পরিমাণ ছিল কম।

আশা করছি আগামী বছর অধিক পরিমাণ জমিতে গ্রীষ্মকালীন সবজি চাষে চাষিরা আগ্রহী হয়ে উঠবেন।
প্রেরক
মিলন হোসেন বেনাপোল
তারিখ ২৩/০৮ /২১
মোবাইল ০১৭১২২১৭১৪৩

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন