২১শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার,সকাল ১১:২৯

শিরোনাম
লাল শাড়িতে স্বামীর বাড়ি যাওয়ার পথে লাশ হয়ে ফিরলেন মিতু সহ ১৪ জন রামপালে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে বর কনেসহ নিহত ১৪ ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ খুলনা শহর এরিয়া প্রোগ্রাম-২ এর ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি’র সূচনা খুলনায় পিছিয়ে পড়া ৫০ জন মাকে নিয়ে জীবন উন্নয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র উইই প্রকল্পের উদ্বোধন খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং সিএসএস হোপ টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট ও এশিয়া টেকিনিক্যাল ট্রেইনিং সেন্টারের মাঝে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে খুলনায় শিশু ও যুব সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত খুলনায় শিশু সুরক্ষা নীতি বাস্তবায়নে সুশীল সমাজের সাথে সমন্বয় সভা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র খুলনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সেবার মানদন্ড সমূহের পর্যবেক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র

যশোরের শার্শায় মেয়েকে বিষ খাইয়ে মায়ের আত্মহত্যা

প্রকাশিত: আগস্ট ১৭, ২০২১

  • শেয়ার করুন

মিলন হোসেন বেনাপোল : যশোরের শার্শা উপজেলার লক্ষণপুর ইউনিয়নের শুড়ারঘোপ গ্রামে মায়ের সাথে অভিমান করে নিজ মেয়েকে বিষ খাইয়ে মাও আত্মহত্যা করেছে। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার (১৭ আগস্ট রাত ৮টার দিকে।
নিহতরা হলেন ওই গ্রামের সিরাজুল ইসলামের মেয়ে সুমি খাতুন (৩০) ও আখি মনি (৬)। এ ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
প্রতিবেশীরা জানান, ৩ বছর আগে বিবাহ বিচ্ছেদের পর সুমি খাতুন তার শিশু কন্যা আখি মনিকে নিয়ে বাবার বাড়িতে থাকতেন। এ নিয়ে সুমির মায়ের সঙ্গে প্রতিনিয়ত কথা কাটাকাটি হতো। মঙ্গলবার মা তাকে এ নিয়ে বকাঝকা করেন। এরপর তার ও মায়ের মধ্যে কলহের সৃষ্টি হয়। পারিবারিক কলহ ও মায়ের ওপর অভিমান থেকে আত্মহত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে ধারনা প্রতিবেশীদের।
এ বিষয়ে লক্ষণপুর ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মোমিনুল হোসেন জানান, মেয়েটার বিয়ের পর সংসারে ঝামেলার কারণে বিচ্ছেদ হয়। তারপর থেকে সুমি খাতুন মেয়েকে নিয়ে বাবার বাড়িতে থাকতেন। আজ মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মায়ের সাথে পারিবারিক বিষয়ে তার কথা কাটাকাটি হয়। এরপর রাত ৮ টার দিকে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে সুমি খাতুন প্রথমে মেয়েকে বিষপান করান। এরপর নিজেও বিষপান করেন। খবর পেয়ে তার পরিবার ও এলাকার লোকজন তাদের উদ্ধার করে প্রথমে শার্শা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখান থেকে তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক আখি মনি (৬) কে মৃত ঘোষণা করেন এবং মা সুমি খাতুনকে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ৯টার দিকে সুমি খাতুন মারা যান। মরদেহ দুটি যশোর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে আছে বলে তিনি জানান।
এ ব্যাপারে শার্শা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বদরুল আলম খান জানান, বিষয়টি শুনেছি সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে ।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন