২৪শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার,রাত ১০:০৯

শিরোনাম
লাল শাড়িতে স্বামীর বাড়ি যাওয়ার পথে লাশ হয়ে ফিরলেন মিতু সহ ১৪ জন রামপালে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে বর কনেসহ নিহত ১৪ ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ খুলনা শহর এরিয়া প্রোগ্রাম-২ এর ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি’র সূচনা খুলনায় পিছিয়ে পড়া ৫০ জন মাকে নিয়ে জীবন উন্নয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র উইই প্রকল্পের উদ্বোধন খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং সিএসএস হোপ টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট ও এশিয়া টেকিনিক্যাল ট্রেইনিং সেন্টারের মাঝে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে খুলনায় শিশু ও যুব সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত খুলনায় শিশু সুরক্ষা নীতি বাস্তবায়নে সুশীল সমাজের সাথে সমন্বয় সভা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র খুলনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সেবার মানদন্ড সমূহের পর্যবেক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র

মোল্লাহাটে স্ত্রীর ওপর অভিমানে পুত্রসন্তানকে হত্যার পর বাবার আত্মহত্যা

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৯, ২০২২

  • শেয়ার করুন

বাগেরহাটের মোল্লাহাট উপজেলায় স্ত্রীর উপর অভিমান করে স্বামী হায়দার মোল্লা (২৮) তিন বছরের শিশু পুত্রকে বালিশ চাপা দিয়ে হত্যার পর নিজেও আত্মহত্যা করেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শুক্রবার (২৮ অক্টোবর) রাতে মোল্লাহাট উপজেলার বড় গাওলা গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে মোল্লাহাট থানা পুলিশ বাবা ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করেছে।

হায়দার মোল্লা উপজেলার বড়গাওলা গ্রামের সলেমান মোল্লার ছেলে। তিনি গত দুই মাস ধরে ঢাকায় একটি বেসরকারি কোম্পানিতে চাকরিরত ছিলেন।

বাগেরহাট জেলা পুলিশের মিডিয়া সেলের প্রধান সমন্বয়কারী পুলিশ পরিদর্শক এস এম আশরাফুল আলম বলেন, হায়দার মোল্লার সাথে তার স্ত্রীর পারিবারিক বিষয় নিয়ে মনোমালিন্য ছিলো। এর জের ধরে গত ৬ থেকে ৭ মাস আগে তার স্ত্রী তার বাবার বাড়িতে চলে যায়। কিন্তু তাদের তিন বছর বয়সী শিশু পুত্র জিসান দাদীর সাথে হায়দার মোল্লার বাড়িতে থাকতো। গত বৃহস্পতিবার (২৭ অক্টোবর) রাত ১১টার দিকে হায়দার মোল্লা ঢাকা থেকে বাড়িতে আসেন। সন্ধ্যার পরে হায়দার মোল্লা তার বসত ঘরের মধ্যে শিশু পুত্র জিসানকে বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করেন এবং নিজে ঘরের ফ্যানের সাথে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন। পরে স্থানীয় লোকজন ও প্রতিবেশীরা দীর্ঘ সময় ঘরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ দেখে ডাকাডাকি করতে থাকে। একপর্যায়ে কারও কোন সাড়াশব্দ না পেলে তারা ঘরের দরজা ভেঙে ভিতরে প্রবেশ করে হায়দার ও তার ছেলের মরদেহ দেখতে পায়।

আশরাফুল আলম জানান, পরে খবর পেয়ে রাত ৯টার দিকে মোল্লাহাট থানা পুলিশ তাদের মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করেছে। পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান তিনি।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন