২রা এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার,দুপুর ২:০৩

শিরোনাম
জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ও সন্ত্রাসী গ্রেফতারের দাবিতে খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন লাল শাড়িতে স্বামীর বাড়ি যাওয়ার পথে লাশ হয়ে ফিরলেন মিতু সহ ১৪ জন রামপালে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে বর কনেসহ নিহত ১৪ ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ খুলনা শহর এরিয়া প্রোগ্রাম-২ এর ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি’র সূচনা খুলনায় পিছিয়ে পড়া ৫০ জন মাকে নিয়ে জীবন উন্নয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র উইই প্রকল্পের উদ্বোধন খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং সিএসএস হোপ টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট ও এশিয়া টেকিনিক্যাল ট্রেইনিং সেন্টারের মাঝে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে খুলনায় শিশু ও যুব সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত খুলনায় শিশু সুরক্ষা নীতি বাস্তবায়নে সুশীল সমাজের সাথে সমন্বয় সভা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র

মায়ানমারে সিমেন্ট পাচারকালে নৌবাহিনীর হাতে আটক ১৯

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ২০, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

চট্টগ্রাম, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬: দেশের সমুদ্রসীমার সার্বভৌমত্ব সুরক্ষা ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং সমুদ্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নৌবাহিনী নিয়মিত টহল পরিচালনা করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল বৃহস্পতিবার (১৯-০২-২০২৬) সেন্টমার্টিন দ্বীপ সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর হতে ১১৪০ বস্তা সিমেন্টসহ দুইটি ইঞ্জিন চালিত বোট এবং ১৯ জন চোরাকারবারীকে আটক করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী।

সমুদ্রপথে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে অবৈধভাবে সিমেন্ট মায়ানমারে পাচার পরিকল্পনার সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সেন্টমার্টিন ও তৎসংলগ্ন এলাকায় টহল জোরদার করে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। এ সময় টহল কার্যে নিয়োজিত থাকাকালীন বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজ ‘প্রত্যাশা’ সেন্টমার্টিন বাতিঘর হতে ৩৮ মাইল দূরে সন্দেহজনক বোট দেখতে পায়। নৌবাহিনী জাহাজ বোটটি তল্লাশির লক্ষ্যে থামার সংকেত প্রদান করলে, তারা পালানোর চেষ্টা করে। বাংলাদেশ নৌবাহিনী জাহাজ প্রত্যাশা ধাওয়া করে ‘এফবি সীমান্ত’ নামক বোটটি আটক করে। আটককৃত বোটটি তল্লাশি করে ৪৫০ বস্তা সিমেন্ট, ২৫০ কেজি ডাল-চানা, ১৬০ কেজি আদা এবং ৩৬০ বোতল এনার্জি ড্রিংক উদ্ধার করা হয়।

অপরদিকে একই এলাকায় পৃথক অভিযানে সন্দেহজনকভাবে চলাচলরত ‘এফবি সুরভি’ নামক আরও একটি ফিশিং বোট আটক করা হয়। এ সময় বোটটি তল্লাশি করে ৭০০ বস্তা সিমেন্ট উদ্ধার করা হয়। আটককৃত উভয় বোটে চোরাকারবারী দলের ১৯ জন সদস্যকেও আটক করা হয়। আটকৃত ব্যক্তিদের সূত্রে জানা যায়, অধিক মুনাফা লাভের আশায় সিমেন্টগুলো মায়ানমারে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যাচ্ছিল। পরবর্তীতে জব্দকৃত মালামাল ও আটকৃত ব্যক্তিদের আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নৌবাহিনীর ফরোয়ার্ড বেইজ সেন্টমার্টিনে হস্তান্তর করা হয়।

উল্লেখ্য, সমুদ্র ও উপকূলীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা বজায় রাখার পাশাপাশি অভ্যন্তরীণ সন্ত্রাস, মাদক চোরাচালান ও অন্যান্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড দমনে নৌবাহিনীর অভিযান ও টহল কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন