২২শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার,রাত ১১:৪৪

শিরোনাম
খুলনা মহানগরীর ২৮নং ওয়ার্ডে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলদেশ এর আয়োজনে লার্নিং রুটস/শিখন শিকড় কেন্দ্রের উদ্বোধন খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের উদ্যোগে “হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট ও কুলিনারি আর্টস” এর উপর কেরিয়ার কাউন্সিলিং এবং সহযোগি সংগঠনের সাথে মতবিনিময় সভা খুলনায় কারিগরি শিক্ষায় বেকার ও প্রতিবন্ধী যুবদের সম্পৃক্তকরণ ও উদ্বুদ্ধকরণ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় ঝরে পড়া শিশুদের বিদ্যালয়মুখীকরণ বিষয়ক সচেতনতা সভা করেছে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ খুলনার লবণচরায় পিওর আর্থ এর সীসা দূষণ সচেতনতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত খুলনা মহানগরীতে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র “ঝরে পড়া শিশুদের বিদ্যালয়মুখীকরণ বিষয়ক সংলাপ” মোংলা বন্দরের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন খুলনায় ‘তওহীদভিত্তিক আধুনিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যম কর্মীদের ভূমিকা’ শীর্ষক গোল টেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত ব্যাংকিং সেক্টরে এস আলমের একচ্ছত্র নিয়োগ বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ

‘বাংলার সমৃদ্ধি’ জাহাজকে ‘পরিত্যক্ত’ ঘোষণা: বিএসসি

প্রকাশিত: মার্চ ৪, ২০২২

  • শেয়ার করুন

ইউক্রেনের জলসীমায় আটকে থাকা বাংলাদেশি জাহাজে বিমান হামলার পর ক্ষতিগ্রস্ত ‘বাংলার সমৃদ্ধি’কে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি নাবিক ও প্রকৌশলীদের নামিয়ে নেওয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশন (বিএসসি)।
বাংলার সমৃদ্ধি জাহাজ পরিত্যক্ত ঘোষণা

বিএসসির নির্বাহী পরিচালক পীযূষ দত্ত বলেছেন, ‘নাবিকরা জাহাজ ত্যাগ করছেন। তাদের টাগ বোটে করে সরিয়ে নেওয়া হচ্ছে।’ সবাইকে পোল্যান্ডে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

এদিকে, বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সুলতানা লায়লা হোসেন জানিয়েছেন, ইউক্রেনের অলভিয়া বন্দরে আটকেপড়া বাংলাদেশি জাহাজটিতে থাকা ২৮ জন নাবিক ও প্রকৌশলীকে ওই বন্দর থেকে দুই কিলোমিটার দূরের একটি নিরাপদ আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।

রাষ্ট্রদূত সুলতানা লায়লা হোসেন আরও জানান, বন্দরটির আশপাশের এলাকায় বাংলাদেশি অনেকে রয়েছেন- যাদের সহায়তায় এ কাজটি দ্রুত করা সম্ভব হয়েছে। হাদিসুর রহমানের মরদেহও তাদের সাথে রয়েছে। সবাইকে সীমান্ত পার করে পোল্যান্ডে নিয়ে যাবার চেষ্টা করা হচ্ছে।

এর আগে, বিমান হামলার পর থেকেই জীবিত ২৮ নাবিক বারবার তাদের নিরাপদে সরিয়ে নেওয়ার আকুতি জানাতে থাকেন। জাহাজে তাদের রুদ্ধশ্বাস মূহুর্তগুলো ভিডিও বার্তায় জানাতে থাকেন। এরপরই তাদের উদ্ধারে চেষ্টা শুরু করে সরকার।

জাহাজের নাবিক ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার পদে কর্মরত মাসুদুর রহমানের ভাই মফিজুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, হামলার পর বৃহস্পতিবার সকালে তার ভাই জানিয়েছেন, জাহাজের রান্নার সরঞ্জাম নষ্ট হয়েছে। এখন তারা শুকনা খাবার খেয়ে আছেন। দ্রুত উদ্ধার না করলে আরও বিপদে পড়তে হবে।

বাংলার সমৃদ্ধির চিফ ইঞ্জিনিয়ার ওমর ফারুক তুহিন গণমাধ্যমকে বলেছেন, উদ্বেগ আর অনিশ্চয়তার মধ্যে সময় কাটছে তাদের। যে কোনো সময় এখানে আবারও মিসাইল পড়তে পারে।

তিনি বলেন, ‘আমরা এখনও শিপে অবস্থান করছি। আমাদের শিপ থেকে নামানোর কোনো ব্যবস্থা করা হয় নাই। কাইন্ডলি এটা প্রচার করেন।’

ইঞ্জিন ক্যাডেট মৌ আরেকটি ভিডিওতে বলেন, ‘আমি ইঞ্জিন ক্যাডেট মৌ। বাংলার সমৃদ্ধি জাহাজ থেকে বলছি। আমাদের শিপে বোম্বিং হয়েছে। আমাদের থার্ড ইঞ্জিনিয়ার স্যার অলরেডি মারা গেছে। আমরা এখনও শিপের মধ্যে আছি। সবাই চাচ্ছি এখান থেকে বের হতে। আপনারা প্লিজ কোনো উপায়ে আমাদের এখান থেকে বের করুন। আমরা এখানে থাকতে চাচ্ছি না।’

‘রাশিয়ার’ রকেটের আঘাতে বিধ্বস্ত ‘বাংলার সমৃদ্ধি’। আচমকা হামলায় মুহূর্তে জ্বলন্ত অগ্নিকুণ্ডে পরিণত হয় ইউক্রেনের অলভিয়া বন্দরে থাকা বাংলাদেশি জাহাজটি। জাহাজের ব্রিজে অবস্থানরত থার্ড ইঞ্জিনিয়ার মো. হাদিসুর রহমান ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন