২৫শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার,সকাল ৭:২৯

শিরোনাম
লাল শাড়িতে স্বামীর বাড়ি যাওয়ার পথে লাশ হয়ে ফিরলেন মিতু সহ ১৪ জন রামপালে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে বর কনেসহ নিহত ১৪ ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ খুলনা শহর এরিয়া প্রোগ্রাম-২ এর ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি’র সূচনা খুলনায় পিছিয়ে পড়া ৫০ জন মাকে নিয়ে জীবন উন্নয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র উইই প্রকল্পের উদ্বোধন খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং সিএসএস হোপ টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট ও এশিয়া টেকিনিক্যাল ট্রেইনিং সেন্টারের মাঝে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে খুলনায় শিশু ও যুব সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত খুলনায় শিশু সুরক্ষা নীতি বাস্তবায়নে সুশীল সমাজের সাথে সমন্বয় সভা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র খুলনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সেবার মানদন্ড সমূহের পর্যবেক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র

প্রাথমিকের শিক্ষকদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে সতর্ক করল সরকার

প্রকাশিত: সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২

  • শেয়ার করুন

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদেরকে ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘সরকারে সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে মন্তব্য’ করা এবং নেতিবাচক কোনো পোস্ট শেয়ার করার বিষয়ে সতর্ক করেছে সরকার।

প্রাথমিকের বিভাগীয় উপ-পরিচালক, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এবং উপজেলা/থানা শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশনাটি পাঠিয়ে সবাইকে বিষয়টি অবহিত করতে অনুরোধ করা হয়েছে।গত সোমবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ‘সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে স্ট্যাটাস/মন্তব্য প্রদান সংক্রান্ত’ ওই নির্দেশনা প্রাথমিক শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের পাঠিয়েছে।

নির্দেশনায় বলা হয়েছে, ইদানিং ফেসবুকসহ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রাথমিক শিক্ষা সম্পর্কে ‘নেতিবাচক স্ট্যাটাস/মন্তব্য ও বিভিন্ন অপপ্রচারমূলক তথ্য’ দেওয়া হচ্ছে, যা ২০১৬ সালের সরকারি প্রতিষ্ঠানে সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার সংক্রান্ত নির্দেশিকার পরিপন্থি বলে জানানো হয়েছে এ নির্দেশনায়।
অধিদপ্তর বলছে, এ ধরনের ‘স্ট্যাটাস বা মন্তব্য’ প্রাথমিক শিক্ষা তথা সরকারের সিদ্ধান্তের ব্যাপারে বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে, যা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

নির্দেশনায় আরও বলা হয়, বাস্তব বা স্বাভাবিক অবস্থায় একজন সরকারি কর্মচারীর আচরণ, প্রকাশ, মিথস্ক্রিয়া সংক্রান্ত নিয়ম-নীতি, করণীয় ও বর্জনীয় দিকসমূহের প্রতিফলন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারের ক্ষেত্রে নিশ্চিত করতে হবে। কনটেন্ট ও ফ্রেন্ড সিলেকশনে সতর্কতা অবলম্বন এবং অপ্রয়োজনীয় ট্যাগিং বা রেফারেন্সিং পরিহার করতে হবে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার বা নিজ অ্যাকাউন্টের ক্ষতিকারক কন্টেন্টের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মচারী ব্যক্তিগতভাবে দায়ী হবেন এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে প্রচলিত আইন বা বিধি-বিধানের সম্মুখীন হবেন।

সরকারের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দায়িত্বশীল আচরণ করার আহ্বান জানিয়ে ২০১৫ সালের ২৮ অক্টোবর একটি নির্দেশনা জারি করেছিল মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। ওই নির্দেশনা অনুযায়ী, মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তারা নিজের ফেসবুক পাতায় ‘একান্ত ব্যক্তিগত’ কোনো বিষয় প্রকাশ করতে পারবেন না।
পরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সক্রিয় করার পাশাপাশি তাদের কর্মকাণ্ড নিয়মের মধ্যে আনতে ২০১৬ সালের ২০ মার্চ আরেকটি নির্দেশিকা জারি করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ। ওই নির্দেশনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অ্যাকাউন্ট ব্যবস্থাপনা অংশে বলা হয়, সরকারি কর্মচারীদের ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট থাকতে পারে, তা এই নির্দেশনার আওতায় আসবে না। তবে- ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্ট পরিচালনায় সরকারি কর্মচারীকে ‘দায়িত্বশীল নাগরিকসুলভ আচরণ ও অনুশাসন’ মেনে চলতে হবে।

অধিদপ্তরের আরেকজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কিছু শিক্ষক ফেসবুকে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছেন বলে আমাদের কাছে খবর আসে। পরে কয়েকটি ঘটনা যাচাই করে সত্যতা পাওয়া যায়। এর ভিত্তিতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবের নির্দেশনার আলোকে ওই নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।’

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন