১৩ই জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, মঙ্গলবার,দুপুর ১২:৩৩

শিরোনাম
খুলনায় কারিগরি শিক্ষায় বেকার ও প্রতিবন্ধী যুবদের সম্পৃক্তকরণ ও উদ্বুদ্ধকরণ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় ঝরে পড়া শিশুদের বিদ্যালয়মুখীকরণ বিষয়ক সচেতনতা সভা করেছে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ খুলনার লবণচরায় পিওর আর্থ এর সীসা দূষণ সচেতনতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত খুলনা মহানগরীতে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র “ঝরে পড়া শিশুদের বিদ্যালয়মুখীকরণ বিষয়ক সংলাপ” মোংলা বন্দরের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন খুলনায় ‘তওহীদভিত্তিক আধুনিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যম কর্মীদের ভূমিকা’ শীর্ষক গোল টেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত ব্যাংকিং সেক্টরে এস আলমের একচ্ছত্র নিয়োগ বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ স্বতন্ত্র মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠাসহ ৫ দফা দাবিতে খুলনায় সংবাদ সম্মেলন খুলনার তেরখাদায় নৌবাহিনীর অভিযানে অবৈধ কারেন্ট জাল ও চায়না দোয়ারী জাল আটক

পাইকগাছায় মুক্তিপণের দাবিতে কলেজ ছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশিত: নভেম্বর ৮, ২০২১

  • শেয়ার করুন

খুলনার পাইকগাছায় আমিনুল ইসলাম (২০) নামে এক কলেজছাত্রকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিখোঁজের এক দিন পর সোমবার উপজেলার আগড়ঘাটা বাজার সংলগ্ন কপোতাক্ষ পাড়ে ওই কলেজছাত্রের জবাই করা আলামত উদ্ধার করেছে পুলিশ। লাশ উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা।
নিহত আমিনুল ইসলাম উপজেলার শ্যামনগর গ্রামের ছুরমান গাজীর ও কপিলমুনি কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র।

নিহতের পিতা বলেন গত (৭ নভেম্বর) রোববার আমার ছেলের ব্যবহৃত ফোন দিয়ে আমার কাছে পনেরো লক্ষ টাকা  মুক্তিপণ দাবী করে। পরে পুলিশকে অবহিত করা হয়।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, রোববার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে একটি অপহরণকারী চক্র উপজেলার আগড়ঘাটা বাজার থেকে আমিনুর রহমানকে অপহরণ করে।

এরপর তাকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে আমিনুরের ব্যবহৃত ফোন দিয়ে ওই দিন রাত ১০টার দিকে তার বাবা ছুরমান গাজীর কাছে পনেরো লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এ সময় মুক্তিপণের টাকা পাইকগাছা ব্রিজের নিচে রাখতে বলা হয় বলেও জানানো হয়। পরে মুক্তিপণের কিছু টাকা ওই স্থানে রেখে কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়।

সোমবার দুপুর ১টার দিকে নির্দিষ্ট স্থান থেকে টাকা নিয়ে চলে যাওয়ার সময় চারপাশে মোতায়ন করা লোকেরা অপহরণকারী ফয়সাল সরদারকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে দেয়।

পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়াউর রহমান জানান, অপহরণের ঘটনায় উপজেলার গদাইপুর গ্রামের জিল্লুর রহমান সরদারের ছেলে ফয়সাল সরদার নামে একজনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে ফয়সাল জানান, অপহৃত আমিনুলেকে রোববার রাত ৯টার দিকে আগড়ঘাটা বাজার সংলগ্ন কপোতাক্ষ নদের পাড়ে পানীয়’র সাথে ঘুমের ঔষধ মিশিয়ে পান করান । এরপর অচেতন হয়ে পড়ে। এ সময় আগে থেকে লুকিয়ে রাখা ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে ও জবাই করে কপোতাক্ষ নদে ফেলে দেয়। জবাইকৃত যাইগায় রক্ত ও পানীয়’র বোতল পড়ে থাকতে দেখাগেছে। যা পুলিশ আলামত হিসেবে সংগৃহীত করেছে।

বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত কপোতাক্ষ নদে পুলিশ,আত্মীয় স্বজন ও সাধারন জনতা খোঁজাখুঁজির পরেও এখনো লাশের সন্ধান মেলেনি। হত্যায় ব্যবহৃত দা কপোতাক্ষ নদে ফেলে দিয়েছে বলে ফয়সাল স্বীকার করেছে। ব্যবহৃত দা ও খোঁজা অব্যহত রয়েছে।

পুলিশ ঘটনায় জড়িত অন্যদেরকেও আটকের চেষ্টা চালাচ্ছে।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন