২৬শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার,সন্ধ্যা ৬:৩৩

শিরোনাম
লাল শাড়িতে স্বামীর বাড়ি যাওয়ার পথে লাশ হয়ে ফিরলেন মিতু সহ ১৪ জন রামপালে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে বর কনেসহ নিহত ১৪ ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ খুলনা শহর এরিয়া প্রোগ্রাম-২ এর ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি’র সূচনা খুলনায় পিছিয়ে পড়া ৫০ জন মাকে নিয়ে জীবন উন্নয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র উইই প্রকল্পের উদ্বোধন খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং সিএসএস হোপ টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট ও এশিয়া টেকিনিক্যাল ট্রেইনিং সেন্টারের মাঝে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে খুলনায় শিশু ও যুব সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত খুলনায় শিশু সুরক্ষা নীতি বাস্তবায়নে সুশীল সমাজের সাথে সমন্বয় সভা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র খুলনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সেবার মানদন্ড সমূহের পর্যবেক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র

পাইকগাছায় মুক্তিপণের দাবিতে কলেজ ছাত্রকে কুপিয়ে হত্যা

প্রকাশিত: নভেম্বর ৮, ২০২১

  • শেয়ার করুন

খুলনার পাইকগাছায় আমিনুল ইসলাম (২০) নামে এক কলেজছাত্রকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিখোঁজের এক দিন পর সোমবার উপজেলার আগড়ঘাটা বাজার সংলগ্ন কপোতাক্ষ পাড়ে ওই কলেজছাত্রের জবাই করা আলামত উদ্ধার করেছে পুলিশ। লাশ উদ্ধার তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে পুলিশ ও নিহতের স্বজনরা।
নিহত আমিনুল ইসলাম উপজেলার শ্যামনগর গ্রামের ছুরমান গাজীর ও কপিলমুনি কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র।

নিহতের পিতা বলেন গত (৭ নভেম্বর) রোববার আমার ছেলের ব্যবহৃত ফোন দিয়ে আমার কাছে পনেরো লক্ষ টাকা  মুক্তিপণ দাবী করে। পরে পুলিশকে অবহিত করা হয়।

পুলিশ ও পারিবারিক সূত্র জানায়, রোববার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে একটি অপহরণকারী চক্র উপজেলার আগড়ঘাটা বাজার থেকে আমিনুর রহমানকে অপহরণ করে।

এরপর তাকে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে আমিনুরের ব্যবহৃত ফোন দিয়ে ওই দিন রাত ১০টার দিকে তার বাবা ছুরমান গাজীর কাছে পনেরো লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। এ সময় মুক্তিপণের টাকা পাইকগাছা ব্রিজের নিচে রাখতে বলা হয় বলেও জানানো হয়। পরে মুক্তিপণের কিছু টাকা ওই স্থানে রেখে কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়।

সোমবার দুপুর ১টার দিকে নির্দিষ্ট স্থান থেকে টাকা নিয়ে চলে যাওয়ার সময় চারপাশে মোতায়ন করা লোকেরা অপহরণকারী ফয়সাল সরদারকে হাতেনাতে আটক করে পুলিশে দেয়।

পাইকগাছা থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জিয়াউর রহমান জানান, অপহরণের ঘটনায় উপজেলার গদাইপুর গ্রামের জিল্লুর রহমান সরদারের ছেলে ফয়সাল সরদার নামে একজনকে আটক করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে ফয়সাল জানান, অপহৃত আমিনুলেকে রোববার রাত ৯টার দিকে আগড়ঘাটা বাজার সংলগ্ন কপোতাক্ষ নদের পাড়ে পানীয়’র সাথে ঘুমের ঔষধ মিশিয়ে পান করান । এরপর অচেতন হয়ে পড়ে। এ সময় আগে থেকে লুকিয়ে রাখা ধারালো দা দিয়ে কুপিয়ে ও জবাই করে কপোতাক্ষ নদে ফেলে দেয়। জবাইকৃত যাইগায় রক্ত ও পানীয়’র বোতল পড়ে থাকতে দেখাগেছে। যা পুলিশ আলামত হিসেবে সংগৃহীত করেছে।

বিকাল থেকে রাত পর্যন্ত কপোতাক্ষ নদে পুলিশ,আত্মীয় স্বজন ও সাধারন জনতা খোঁজাখুঁজির পরেও এখনো লাশের সন্ধান মেলেনি। হত্যায় ব্যবহৃত দা কপোতাক্ষ নদে ফেলে দিয়েছে বলে ফয়সাল স্বীকার করেছে। ব্যবহৃত দা ও খোঁজা অব্যহত রয়েছে।

পুলিশ ঘটনায় জড়িত অন্যদেরকেও আটকের চেষ্টা চালাচ্ছে।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন