৪ঠা ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার,রাত ১১:৪৪

শিরোনাম
জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে কোন সংশয় নেই -স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা যারা মিথ্যার আশ্রয় নেয়, তারা দেশপ্রেমিক নয় : তারেক রহমান খুলনার তিন জেলার এমপি প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিলেন তারেক রহমান ‌তারেক রহমানকে বরণ করতে খুলনাবাসী অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছে খুলনায় তারেক রহমানের জনসভায় ৮ লাখ নেতাকর্মীর সমাগমের প্রস্তুতি ক্ষমতায় গেলে বন্ধ শিল্প কারখানা চালু হবে : ডাঃ শফিকুর রহমান ইমাজেন ভেঞ্চারস পিচ ডে-তে বিজয়ী খুলনার তরুণ উদ্ভাবক দল আইনশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে বিএনপি অগ্রাধিকার দেব : তারেক রহমান খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে “সিটিজেন ভয়েস এন্ড একশন” বিষয়ক প্রারম্ভিক সভা অনুষ্ঠিত

নৌবাহিনীর প্রযুক্তিতে কেএসএল’এ নির্মিত ল্যান্ডিং ক্রাফট ট্যাংক লঞ্চিং

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৫, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

খুলনা, ১৫ জানুয়ায়ির ২০২৬: নৌবাহিনীর আধুনিকায়ন এবং নৌবহরের ত্রিমাত্রিক সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড কর্তৃক ০৩টি ল্যান্ডিং ক্রাফট ট্যাংক (এলসিটি) নির্মাণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় আজ বৃহস্পতিবার (১৫-০১-২০২৬) নৌবাহিনীর নিজস্ব সক্ষমতায় খুলনা শিপিয়ার্ডে নির্মিত এলসিটি–১০১ এর লঞ্চিং অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন নৌবাহিনী প্রধান এডমিরাল এম নাজমুল হাসান। এ সময় ও অসামরিক বিভিন্ন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাগণ এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উপকূলীয় অঞ্চলে সেনা ও নৌবাহিনীর সমন্বিত এফিবিয়াস অপারেশনে ট্যাংক, আর্টিলারি ও এপিসিসহ ভারী সরঞ্জাম পরিবহণের পাশাপাশি শান্তিকালে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, মানবিক সহায়তা ও উদ্ধার অভিযানে এসব জাহাজ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। এ প্রয়োজনের প্রেক্ষিতে নৌবাহিনী পরিচালিত খুলনা শিপইয়ার্ডে নিজস্ব সক্ষমতায় ও কানাডার ভার্ড মেরিন ডিজাইনের প্রযুক্তিগত সহায়তায় এলসিটিগুলো নির্মাণ করা হচ্ছে। প্রতিটি এলসিটি ৬টি ট্যাংক অথবা ১২টি এপিসি কিংবা ১৮টি সামরিক যান বহনে সক্ষম। এসব জাহাজ নৌবাহিনীর অপারেশনাল সক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি দেশের প্রতিরক্ষা শিল্প ও প্রযুক্তিগত অগ্রগতির উল্লেখযোগ্য উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত হবে।

খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড (খুশিলি) রূপসা নদীর তীরে অবস্থিত বাংলাদেশের একটি শীর্ষস্থানীয় রাষ্ট্রায়ত্ত জাহাজ নির্মাণ ও মেরামতকারী প্রতিষ্ঠান। ১৯৫৭ সালে প্রতিষ্ঠার পর ১৯৯৯ সালে আর্থিক সংকটগ্রস্ত অবস্থায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নিকট হস্তান্তরের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি নতুন করে যাত্রা শুরু করে। বর্তমানে খুশিলি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন বাণিজ্যিক ও যুদ্ধজাহাজ নির্মাণে জাতীয় ও আন্তর্জাতিকভাবে সুপরিচিত। জাহাজ নির্মাণের পাশাপাশি বিভিন্ন জাতীয় অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রতিষ্ঠানটি গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। উৎপাদনের ক্ষেত্রে ISO এর নির্দেশনা অনুসরণসহ আর্ন্তজাতিক ক্লাসিফিকেশন সোসাইটি কর্তৃক অনুমোদিত সংস্থা BV, DNV-GL, NKK, CCS, LR, RINA, ABS ইত্যাদি এর তত্ত্বাবধায়নে গুনগতমান নিয়ন্ত্রণ ও নিশ্চিত করা হয়ে থাকে। আন্তর্জাতিক মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা, প্রায় ৭০০ কোটি টাকা বার্ষিক টার্নওভার, বছরে ৩,০০০ টন স্টিলওয়ার্ক সক্ষমতা এবং আট শতাধিক জলযান নির্মাণের অভিজ্ঞতার মাধ্যমে খুশিলি আজ বাংলাদেশের শিল্প খাতে একটি শক্তিশালী ব্র্যান্ড ও অনুসরণযোগ্য আদর্শ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। এছাড়ও, নৌবাহিনীর তত্ত্বাবধানে পরিচালিত খুলনা শিপইয়ার্ড লিমিটেড বাংলাদেশ সরকারের শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় কর্তৃক ‘গ্রীন ফ্যাক্টরি অ্যাওয়ার্ড ২০২৫’ অর্জন করেছে। পরিবেশবান্ধব প্রযুক্তি, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা, বৃষ্টির পানি সংরক্ষণ, সৌরবিদ্যুৎ ও সবুজায়নের মাধ্যমে ইকো-ফ্রেন্ডলি শিল্প প্রতিষ্ঠান হিসেবে এ স্বীকৃতি লাভ করে।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন