১৯শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার,রাত ৯:২৫

শিরোনাম
খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের উদ্যোগে “হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট ও কুলিনারি আর্টস” এর উপর কেরিয়ার কাউন্সিলিং এবং সহযোগি সংগঠনের সাথে মতবিনিময় সভা খুলনায় কারিগরি শিক্ষায় বেকার ও প্রতিবন্ধী যুবদের সম্পৃক্তকরণ ও উদ্বুদ্ধকরণ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় ঝরে পড়া শিশুদের বিদ্যালয়মুখীকরণ বিষয়ক সচেতনতা সভা করেছে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ খুলনার লবণচরায় পিওর আর্থ এর সীসা দূষণ সচেতনতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত খুলনা মহানগরীতে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র “ঝরে পড়া শিশুদের বিদ্যালয়মুখীকরণ বিষয়ক সংলাপ” মোংলা বন্দরের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন খুলনায় ‘তওহীদভিত্তিক আধুনিক রাষ্ট্র গঠনে গণমাধ্যম কর্মীদের ভূমিকা’ শীর্ষক গোল টেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত ব্যাংকিং সেক্টরে এস আলমের একচ্ছত্র নিয়োগ বাতিলের দাবিতে বিক্ষোভ স্বতন্ত্র মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠাসহ ৫ দফা দাবিতে খুলনায় সংবাদ সম্মেলন

দিশেহারা জাতির কাণ্ডারী শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান-মঞ্জু

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৯, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

খবর বিজ্ঞপ্তির : খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও খুলনা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেছেন, স্বাধীনতার পর যুদ্ধবিধ্বস্ত, অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত ও রাজনৈতিক অনিশ্চয়তায় নিমজ্জিত বাংলাদেশ যখন দিশেহারা-ঠিক সেই ঐতিহাসিক মুহূর্তে জাতির কাণ্ডারী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছিলেন শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম।

সংকটের আঁধারে তিনি জাতিকে দেখিয়েছিলেন সাহস, শৃঙ্খলা ও সম্ভাবনার পথ। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বীরত্বপূর্ণ ভূমিকার মধ্য দিয়ে যিনি পরিচিত হয়েছিলেন আপসহীন দেশপ্রেমিক হিসেবে, রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে তিনি সেই দেশপ্রেমকে রূপ দেন কার্যকর রাষ্ট্রনায়কত্বে। ভগ্ন অর্থনীতি পুনর্গঠন, কৃষি ও উৎপাদনমুখী উন্নয়ন, বহুদলীয় গণতন্ত্রের প্রবর্তন এবং জাতীয় ঐক্য গঠনে তার ভূমিকা আজও ইতিহাসে অনন্য।

সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকাল সাড়ে ৩টায় খুলনা প্রেসক্লাব মিলনায়তনে মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের ঘোষক, বাংলাদেশের প্রথম রাষ্ট্রপতি, আধুনিক বাংলাদেশের রূপকার, বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান, বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ এর প্রবক্তা, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তম এর ৯০তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে খুলনা মহানগর বিএনপির উদ্যোগে “স্বাধীনতা, সার্বভৌমিত্ব ও গনতন্ত্র সুরক্ষায় শহিদ জিয়া” শীর্ষক আলোচনা সভায় বক্তারা এসব কথা বলেন। মঞ্জু বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বিশ্বাস করতেন—স্বাধীনতা কেবল রাজনৈতিক অর্জন নয়, এটি অর্থনৈতিক মুক্তি ও আত্মমর্যাদার প্রশ্ন।

সেই বিশ্বাস থেকেই তিনি গ্রামভিত্তিক উন্নয়ন, কৃষকের ক্ষমতায়ন ও কর্মসংস্থানের ওপর গুরুত্ব দেন। দেশ যখন অভ্যন্তরীণ ষড়যন্ত্র ও বহিঃচাপের মুখে নড়বড়ে, তখন দৃঢ় নেতৃত্বে রাষ্ট্র পরিচালনা করে তিনি স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনেন। সেনাবাহিনীর শৃঙ্খলা প্রতিষ্ঠা, প্রশাসনে গতিশীলতা এবং আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের মর্যাদা বৃদ্ধিতেও তার অবদান বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।

রাজনীতিতে সহনশীলতা ও গণতান্ত্রিক চর্চা ফিরিয়ে আনতে তিনি প্রতিষ্ঠা করেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। এই দল কেবল একটি রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম নয়, বরং গণতন্ত্র, জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও জনগণের অধিকার রক্ষার আন্দোলনে পরিণত হয়। ১৯৮১ সালের ৩০ মে চট্টগ্রামে নির্মম হত্যাকাণ্ডে শহীদ হন এই মহান নেতা। তবে ঘাতকের বুলেট থামাতে পারেনি তার আদর্শ। আজও সংকটে-সংগ্রামে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নাম উচ্চারিত হয় সাহসের প্রতীক, নেতৃত্বের মানদণ্ড ও দিশেহারা জাতির অনন্ত প্রেরণা হিসেবে। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়—যখন জাতি পথ হারায়, তখনই জিয়াউর রহমানের মতো নেতারা দিশা দেখাতে জন্ম নেন।

মহানগর বিএনপির সভাপতি ও বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এড. শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বক্তৃতা করেন

খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, সাবেক সংসদ সদস্য সৈয়দা নার্গিস আলী, জেলা আইনজীবী সমিতির আহবায়ক এড. আব্দুল্লাহ হোসেন বাচ্চু, খুলনা প্রেসক্লাবের আহবায়ক এনামুল হক, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন খুলনার সভাপতি রাশিদুল ইসলাম, খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক বেগম রেহানা ঈসা। সভার শুরুতে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীর উত্তমের জীবনীর উপর নিবন্ধন পাঠ করেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন। পবিত্র কোরআন তেলওয়াত করেন ওলামাদলের নেতা আবু নাঈম।

সভায় খুলনা মহানগর, থানা, ওয়ার্ড বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভার পুর্বনির্ধারিত প্রধান অতিথি বিশিষ্ট কবি আব্দুল হাই শিকদার খুলনায় এসে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ায় তার সুস্থতা কমনা করা হয়।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন