১০ই এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শুক্রবার,দুপুর ১২:২৭

শিরোনাম
জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ও সন্ত্রাসী গ্রেফতারের দাবিতে খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন লাল শাড়িতে স্বামীর বাড়ি যাওয়ার পথে লাশ হয়ে ফিরলেন মিতু সহ ১৪ জন রামপালে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে বর কনেসহ নিহত ১৪ ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ খুলনা শহর এরিয়া প্রোগ্রাম-২ এর ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি’র সূচনা খুলনায় পিছিয়ে পড়া ৫০ জন মাকে নিয়ে জীবন উন্নয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র উইই প্রকল্পের উদ্বোধন খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং সিএসএস হোপ টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট ও এশিয়া টেকিনিক্যাল ট্রেইনিং সেন্টারের মাঝে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে খুলনায় শিশু ও যুব সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত খুলনায় শিশু সুরক্ষা নীতি বাস্তবায়নে সুশীল সমাজের সাথে সমন্বয় সভা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র

তিন দিন ধরে বন্ধ খুলনা জেলা রেজিস্ট্রি অফিসের রেকর্ড রুম

প্রকাশিত: মে ১৬, ২০২৪

  • শেয়ার করুন

তথ্য প্রতিবেদক : অতিরিক্ত অর্থ আদায়কে কেন্দ্র করে দলিল লেখক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দ্বন্দ্বে গত তিনদিন বন্ধ রয়েছে খুলনা জেলা রেজিস্ট্রারের এর রেকর্ড রুম। রেকর্ডরুম বন্ধ থাকায় দূর দূরান্ত থেকে আগত নকল প্রত্যাশীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।
রেকর্ড রুম বন্ধ থাকার ঘটনা ঘটলেও তা জানেন না বলে জানিয়েছেন জেলা রেজিস্টার। একই অফিস চত্বরে অবস্থিত খুলনা সদর সাব রেজিস্টার বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলতে চান নি।
খুলনার দলিল লেখকদের সূত্রে জানা যায়, খুলনা জেলা সাব রেজিস্ট্রারের এর রেকর্ডরুম থেকে নকল তুলতে গেলে সরকারি এবং অন্যান্য পাওনাদি বাবদ রেকর্ড কি পারো অন্যান্যদেরকে ৮০০ থেকে ১০০০ টাকা পর্যন্ত দিতে হয়। কিন্তু বর্তমানে সেই টাকার পরিমাণ আরো ৫০০ টাকা বৃদ্ধি করে ১৫০০ টাকা দাবি করছেন সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।
কিন্তু দলিল লেখকরা নকল প্রত্যাশীদের কাছ থেকে বর্ধিত টাকা নিতে পারছেন না, কিন্তু বেশি টাকা না দিলে রেকর্ডরুমের কর্মকর্তা কর্মচারীরা কোন প্রকার নকল সরবরাহ করছেন না।
বিষয়টি নিয়ে বেশ কয়েকদিন দ্বন্দ্ব চলার পর গত ১৩ মে উভয় পক্ষের মধ্যে বসাবসির অলিখিত সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু রেকর্ড রুমের কর্মকর্তা কর্মচারীরা দলিল লেখকদের সঙ্গে বসাবসি করেননি। ফলে দলিল লেখকরা রেকর্ড রুমের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অতিরিক্ত অর্থ প্রধান থেকে বিরত থাকেন। এতে করে এক প্রকার অচল হয়ে যায় খুলনা জেলার রেজিস্টারের রেকর্ড রুম।
দলিল লেখকরা আরও অভিযোগ করে বলেন, রেকর্ডিং থেকে নকল তোলার পর তা স্বাক্ষর করাতে গেলেও প্রতিটি নকলে একশত টাকা করে প্রদান করা লাগে। এই ১০০ টাকা না দিলে নকলে স্বাক্ষর হয় না। রেকর্ড রুম থেকে গড়ে প্রতিদিন ২শত নকল বের হয়। প্রতিটি নকলের জন্য একশত টাকা করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদেরকে প্রদান করা লাগে।
এরপরও রেকর্ড রুমের কর্মচারীদের কে দেওয়া লাগে আরো ৫০ টাকা। টাকা না দিলে কেউ কাজ করতে চায় না।
এ ব্যাপারে জেলা রেজিস্টার এর কার্যালয়ের রেকর্ড কিপার সিরাজুল ইসলাম বলেন, দলিল লেখকরা গত তিনদিন ধরে কোন নকল তুলছেন না। গত তিন দিনের মাত্র চার-পাঁচ দিন নকল সরবরাহ করা হয়েছে রেকর্ড রুম থেকে। তবে অতিরিক্ত টাকার বিনিময় নকল সরবরাহ করার বিষয়টি তিনি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন আজ সদর সাব রেজিস্টার এর বিদায়ী উপলক্ষে আমরা একটু ব্যাস্ত আছি, এ বিষয়ে পরে কথা বলা যাবে।
তবে সদর সাব রেজিস্টার মোঃ হাফিজুর রহমান সব বিষয় অস্বীকার করে বলেন, রেকর্ডরুম চালু রয়েছে, আজও (বৃহস্পতিবার) ২০০ টি নকলে তিনি সই করেছেন। আর আজই তিনি জীবনর শেষ অফিস করছেন।
তবে এতসব কিছুর কোন কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন খুলনা জেলার রেজিস্টার মোঃ আব্দুল হাফিজ। তিনি বলেন, রেকর্ড রুম বন্ধ এ বিষয়টা আমি আজই প্রথম জানলাম। খোঁজ নিয়ে বিষয়টি সুরাহা করা হবে ।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন