২১শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার,ভোর ৫:২৫

শিরোনাম
লাল শাড়িতে স্বামীর বাড়ি যাওয়ার পথে লাশ হয়ে ফিরলেন মিতু সহ ১৪ জন রামপালে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে বর কনেসহ নিহত ১৪ ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ খুলনা শহর এরিয়া প্রোগ্রাম-২ এর ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি’র সূচনা খুলনায় পিছিয়ে পড়া ৫০ জন মাকে নিয়ে জীবন উন্নয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র উইই প্রকল্পের উদ্বোধন খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং সিএসএস হোপ টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট ও এশিয়া টেকিনিক্যাল ট্রেইনিং সেন্টারের মাঝে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে খুলনায় শিশু ও যুব সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত খুলনায় শিশু সুরক্ষা নীতি বাস্তবায়নে সুশীল সমাজের সাথে সমন্বয় সভা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র খুলনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সেবার মানদন্ড সমূহের পর্যবেক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র

খুলনায় সাংবাদিক বালু হত্যা মামলায় ৫ আসামির যাবজ্জীবন

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৮, ২০২১

  • শেয়ার করুন

খুলনার একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু হত্যাকাণ্ডে বিস্ফোরক মামলায় ৫ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন আদালত।

সোমবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২ টায় জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাইফুজ্জামান হিরো এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর সাজাপ্রাপ্ত আসামি জাহিদ, নজু ওরফে রিপন, রিমন ও স্বাধীনকে আদালত থেকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। অপর এক আসামি পলাতক রয়েছে।

তবে নিহত বালুর ভাই ও খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম জাহিদ হোসেন বলেন, “এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট নই। আমরা আশা করেছিলাম সর্বোচ্চ শাস্তি হবে।

“রায়ে হত্যার মাস্টারমাইন্ড ও অর্থ যোগানদাতাদের নাম আসেনি। আমরা মামলার পুনঃতদন্ত দাবি করছি।”

মামলার ন‌থিসূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালের ২৭ জুন নগরীর শান্তিধাম মোড়ে দৈনিক জন্মভূমি অফিসের সামনে সন্ত্রাসীদের বোমা হামলায় সাংবাদিক বালু নিহত হন। হত্যাকান্ডের পরদিন (২৮ জুন, ২০০৪) খুলনা থানার তৎকালিন এসআই মারুফ আহমদ বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক ধারায় দুটি মামলা দায়ের করেন। হত্যা মামলায় ২০০৮ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ৭ আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছিলেন আদালত।

এরপর, ২০০৯ সালের ১৫ এপ্রিল রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এনামুল হক বিস্ফোরক মামলাটি অধিকতর তদন্তের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছরের ১০ মে আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তে সিআইডিতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ মামলায় ৭ জন তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন হয়েছেন। সর্বশেষ মামলাটি তদন্ত করেন সিআইডি’র সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ শাহাদাৎ হোসেন।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন