৪ঠা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার,দুপুর ১:৪৬

শিরোনাম
খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং সিএসএস হোপ টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট ও এশিয়া টেকিনিক্যাল ট্রেইনিং সেন্টারের মাঝে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে খুলনায় শিশু ও যুব সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত খুলনায় শিশু সুরক্ষা নীতি বাস্তবায়নে সুশীল সমাজের সাথে সমন্বয় সভা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র খুলনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সেবার মানদন্ড সমূহের পর্যবেক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র খুলনায় অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই চলছে ভোটগ্রহণ, ধাক্কায় বিএনপি নেতার মৃত্যুর অভিযোগ জনগনের প্রত্যাশা পুরণে বিএনপি বদ্ধ পরিকর : মঞ্জু জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে কোন সংশয় নেই -স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা যারা মিথ্যার আশ্রয় নেয়, তারা দেশপ্রেমিক নয় : তারেক রহমান খুলনার তিন জেলার এমপি প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিলেন তারেক রহমান

খুলনায় চিকিৎসক হত্যায় মামলার প্রধান আসামীসহ গ্রেফতার ৫

প্রকাশিত: জুন ১৮, ২০২০

  • শেয়ার করুন

খুলনা গল্লামারি রাইসা ক্লিনিকের পরিচালক ডা. মো. আব্দুর রকিব খানের (৫৯) মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় প্রধান আসামীসহ ৫ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ

ডাঃ রকিব হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত প্রধান আসামী জমির, আবুল আলী, গোলাম মোস্তফা, খাদিজাকে গাজীপুরের টঙ্গী ও খুলনার রূপসা থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বুধবার (১৭ জুন) দিবাগত রাতের বিভিন্ন সময় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার রাতে আবদুর রহিম নামের একজনকে আটক করে পুলিশ। পরে তাকে মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এ নিয়ে এজাহারভুক্ত চার আসামীর মধ্যে তিনজন গ্রেফতার হলো।

খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) কমিশনার খন্দকার লুৎফুল কবির এসব তথ্য জানান।

বুধবার (১৭ জুন) দুপুরে নিহতের ছোট ভাই খুলনা মডেল স্কুল এন্ড কলেজের প্রভাষক সাইফুল ইসলাম বাদি হয়ে খুলনা সদর থানায় মামলা দায়ের করেন। হত্যার ঘটনায় চারজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ১০ জনকে আসামি করে হত্যা মামলা করা হয়।

উল্লেখ্য, নগরীর মোহাম্মদ নগরের পল্লবী সড়কের বাসিন্দা আবুল আলীর স্ত্রী শিউলী বেগমকে ১৪ জুন সিজারের জন্য রাইসা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। ওই দিন বিকেল ৫টায় অপারেশন হয়। বাচ্চা ও মা প্রথমে সুস্থ ছিলেন। পরে রোগীর রক্তক্ষরণ হলে ১৫ জুন সকালে খুলনা মেডিক্যার কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করা হয়। সেখানের চিকিৎসকরাও রোগী রক্তক্ষরণ বন্ধ করতে না পেরে ঢাকায় রেফার্ড করে। ঢাকায় নেওয়ার পথে ১৫ জুন রাতে শিউলী বেগম মারা যান।

এ ঘটনায় নিহত রোগীর স্বজনরা ১৫ জুন রাত ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে ডা. রকিবকে লাথি ঘুষি ও লাঠি দিয়ে আঘাত করে। এতে তার মাথার পেছনে জখম হয়। তাকে প্রথমে গাজী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে তার অবস্থার অবনতি হলে শেখ আবু নাসের হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে আইসিইউতে ১৬ জুন চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

জানা যায়, গ্রেফকৃতদের মধ্যে মৃত রোগী শিউলী বেগমের ভাই জমির , স্বামী আবুল আলী, ভাবি খাদিজা ও চাচা গোলাম মোস্তফা রয়েছেন।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন