২৮শে জানুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার,সন্ধ্যা ৭:২৭

শিরোনাম
ক্ষমতায় গেলে বন্ধ শিল্প কারখানা চালু হবে : ডাঃ শফিকুর রহমান ইমাজেন ভেঞ্চারস পিচ ডে-তে বিজয়ী খুলনার তরুণ উদ্ভাবক দল আইনশৃঙ্খলা ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণে বিএনপি অগ্রাধিকার দেব : তারেক রহমান খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে “সিটিজেন ভয়েস এন্ড একশন” বিষয়ক প্রারম্ভিক সভা অনুষ্ঠিত খুলনা মহানগরীর ২৮নং ওয়ার্ডে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলদেশ এর আয়োজনে লার্নিং রুটস/শিখন শিকড় কেন্দ্রের উদ্বোধন খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশের উদ্যোগে “হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট ও কুলিনারি আর্টস” এর উপর কেরিয়ার কাউন্সিলিং এবং সহযোগি সংগঠনের সাথে মতবিনিময় সভা খুলনায় কারিগরি শিক্ষায় বেকার ও প্রতিবন্ধী যুবদের সম্পৃক্তকরণ ও উদ্বুদ্ধকরণ বিষয়ক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় ঝরে পড়া শিশুদের বিদ্যালয়মুখীকরণ বিষয়ক সচেতনতা সভা করেছে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ খুলনার লবণচরায় পিওর আর্থ এর সীসা দূষণ সচেতনতা কার্যক্রম অনুষ্ঠিত

খুলনার থ্রি ডক্টরস কোচিং সেন্টারের মালিক তারিম আবারও আটক

প্রকাশিত: আগস্ট ১৮, ২০২৩

  • শেয়ার করুন

তথ্য প্রতিবেদক : মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের জাড়িত থাকার অভিযোগে খুলনার থ্রি ডক্টরস কোচিং সেন্টারের মালিক ডা. ইউনুস খান তারিম আবারও আটক হয়েছেন। একই অভিযোগে ২০১৯ সালের ১০ অক্টোবর তিনি আটক হয়েছিলেন।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ঢাকার সদস্যরা শুক্রবার সকালে তাকে খুলনা থেকে আটক করে ঢাকায় নিয়ে গেছেন।

খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আল মামুন জানান, মেডিক্যাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে। তাঁকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
গোয়েন্দা পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, ডা. ইউনুস খান তারিম মেডিক্যাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে ১৬ বছর ধরে জড়িত। তিনি থ্রি ডক্টরস কোচিং সেন্টারের মাধ্যমে মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির প্রশ্নপত্র ফাঁস করে কোটি কোটি টাকা আয় করেছেন।

একটি গোয়েন্দা সংস্থা এ বিষয়ে অনুসন্ধান শেষে এক প্রতিবেদনে বলেছে, খুলনার এই কোচিং সেন্টার ভর্তি বাণিজ্যের মাধ্যমে ‘মেধাহীন’, ‘অযোগ্য’ ছাত্রছাত্রীদের মেডিক্যালে ভর্তির সুযোগ করে দিচ্ছে। এর মাধ্যমে জনপ্রতি ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকা করে নিচ্ছে। এই ভর্তি বাণিজ্যের মাধ্যমে বছরে শতকোটি টাকার বেশি অবৈধ লেনদেন হচ্ছে।

ফলাফল বিবরণীর তথ্য অনুযায়ী, যারা থ্রি ডক্টরসে কোচিং করেছেন। তারা অনেকেই এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ–-৫ পায়নি । তবে ভর্তি পরীক্ষায় ৭৩ করে নম্বর পেয়েছে। একজন ৭৩.২৫ নম্বর পেয়েছে। একটি মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, তাদের পড়াশোনা ও জ্ঞান এত নিম্নমানের যে তারা কীভাবে মেডিক্যালে ভর্তি পরীক্ষার মতো কঠিন পরীক্ষা সম্পন্ন করেছেন, তা বোধগম্য নয়।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, সম্প্রতি সিআইডি প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের ১২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের মধ্যে সাতজন চিকিৎসক রয়েছে। ডা. তারিমও ওই চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন