২রা এপ্রিল, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার,রাত ২:০৯

শিরোনাম
জীবনের নিরাপত্তা চেয়ে ও সন্ত্রাসী গ্রেফতারের দাবিতে খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন লাল শাড়িতে স্বামীর বাড়ি যাওয়ার পথে লাশ হয়ে ফিরলেন মিতু সহ ১৪ জন রামপালে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে বর কনেসহ নিহত ১৪ ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ খুলনা শহর এরিয়া প্রোগ্রাম-২ এর ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি’র সূচনা খুলনায় পিছিয়ে পড়া ৫০ জন মাকে নিয়ে জীবন উন্নয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র উইই প্রকল্পের উদ্বোধন খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং সিএসএস হোপ টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট ও এশিয়া টেকিনিক্যাল ট্রেইনিং সেন্টারের মাঝে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে খুলনায় শিশু ও যুব সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত খুলনায় শিশু সুরক্ষা নীতি বাস্তবায়নে সুশীল সমাজের সাথে সমন্বয় সভা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র

খুলনায় মাদক ব্যবসায়ী কর্তৃক হয়রানী থেকে বাঁচতে ও তাদের শাস্তির দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

প্রকাশিত: আগস্ট ৭, ২০২৫

  • শেয়ার করুন

তথ্য প্রতিবেদক:
বাড়ির আশপাশে মাদক ব্যবসা চালাতে থাকা ব্যবসায়ীদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে সোপর্দ করতে সহায়তা করায় মাদক কারাবারী কর্তৃক হয়রানীমূলক মামলা ও মিথ্যা অপবাদ দিয়ে প্রত্রিকা ও অনলাইনে নিউজ প্রকাশ করে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) দুপুর ১২ টায় খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ুন কবির বালু মিলনায়তনে এ সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মাসুদুর রহমান রাসেল (৪২) এর স্ত্রী ফারজানা শারমিন। এসময় উপস্থিত ছিলেন তার ভাই নাজমুস সাকিব ও ছেলে আব্দুল্লাহ ইবনে মাসুদ।
লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, নগরীর শের এ বাংলা রোডে স্বামী সন্তান নিয়ে আমাদের বসবাস। প্রায় ডজনখানেক মামলার মাদক ব্যবসায়ী আনোয়ার হোসেন সোহাগ ও ৮টি মাদক মামলাসহ ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টা মামলার আসামী ইশান কবির খান জ্যোতি (৪২) বাড়ির আশপাশে রমরমা মাদক ব্যবসা করে আসছিলো। যার প্রেক্ষিতে পরিবেশ নষ্ট হওয়ার উপক্রম হয়। এ অবস্থায় আমার স্বামী মাসুদুর রহমান রাসেল সমাজকে মাদকমুক্ত করতে উক্ত আসামীদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে তুলে দিতে সহায়তা করেন। জামিনে মুক্ত হয়ে আবারও তারা মাদক ব্যবসা করতে থাকে। এরই মধ্যে যৌথবাহিনীর অভিযানে ৫০ পিচ ইয়াবাসহ জ্যোতি আবারও গ্রেফতার হয় এবং তার নামে আরও একটি মাদক মামলা দায়ের করা হয়। পরবর্তীতে অপর আসামী সোহাগ গত ২১ মে দুই কেজি গাঁজাসহ গ্রেফতার হয়। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে আমার স্বামীকে ফাঁসাতে সোহাগ মাদকের অর্থদাতা ও পৃষ্ঠপোশক হিসেবে মাসুদুর রহমান রাসেলের নাম বলে।
এসময় তিনি আরও বলেন, জ্যোতি খুলনার এক সাংবাদিকের সহায়তায় আমার স্বামীর বিরুদ্ধে পত্রিকা ও অনলাইন মিডিয়া ভার্ষণে মিথ্যে বানোয়াট নিউজ প্রকাশ করায়। যার ফলে আমরা সামাজিকভাবে হয়রানির শিকার ও হেয় প্রতিপন্ন হই।
সবশেষে তিনি বলেন, আমরা মনে করছি, সংবাদপত্র ও অনলাইন নিউজের মাধ্যমে এসব মিথ্যা সংবাদ প্রকাশ করে আসামীদের আইনের হাত থেকে বাঁচানোর প্রচেষ্টা ও আমাদের সম্পত্তি দখলের কোন প্রচেষ্টা চালাচ্ছে তারা। তাই আমরা এ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি করছি এবং এসকল হয়রানী থেকে বাঁচতে যথাযথ কর্তৃপক্ষের সহায়তা কামনা করছি।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন