২৫শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার,রাত ১:৩৭

শিরোনাম
লাল শাড়িতে স্বামীর বাড়ি যাওয়ার পথে লাশ হয়ে ফিরলেন মিতু সহ ১৪ জন রামপালে বাস-মাইক্রোবাস সংঘর্ষে বর কনেসহ নিহত ১৪ ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ খুলনা শহর এরিয়া প্রোগ্রাম-২ এর ‘মা ও শিশু সহায়তা কর্মসূচি’র সূচনা খুলনায় পিছিয়ে পড়া ৫০ জন মাকে নিয়ে জীবন উন্নয়ন কর্মশালা অনুষ্ঠিত খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র উইই প্রকল্পের উদ্বোধন খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং সিএসএস হোপ টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট ও এশিয়া টেকিনিক্যাল ট্রেইনিং সেন্টারের মাঝে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে খুলনায় শিশু ও যুব সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত খুলনায় শিশু সুরক্ষা নীতি বাস্তবায়নে সুশীল সমাজের সাথে সমন্বয় সভা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র খুলনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সেবার মানদন্ড সমূহের পর্যবেক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র

শ্যামনগরে তেলের জন্য মটরসাইকেলের দেড় কিলোমিটার লম্বা লাইন

প্রকাশিত: মার্চ ২৪, ২০২৬

  • শেয়ার করুন

শ্যামনগর প্রতিনিধি : দেশের দক্ষিণ পশ্চিমের জেলা সাতক্ষীরা তেল সংকটে ভুগছে। সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলার আশা পেট্রোলিয়ামে মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকাল ৮ টার সময় তেল সংগ্রহের জন্য সাধারণ মানুষ মোটরসাইকেল নিয়ে অপেক্ষা করছে আর সেই অপেক্ষার লাইন লম্বা দীর্ঘ দেড় কিলোমিটার।

সকাল ৮টার এই চিত্র হলেও তেল সংগ্রহের লাইনের অপেক্ষা কিন্ত গতকাল ২৩ মার্চ বিকাল ৫টা থেকে পাম্পেই রাত্রি যাপন করেছেন অনেকেই কেউবা দাড়িয়ে বসে দীর্ঘ এ সময় পার করেছেন। রাত্র পেরিয়ে সকাল হলে প্রশাসনের (পুলিশ ও বিজিবি) উপস্তিতিতে তেল পাম্প কর্তৃপক্ষ তেল প্রদান করা শুরু করে প্রথম দিকে ৫০০ টাকার কিন্তু বাইকারদের চাওয়া আরও বেশি তৎক্ষণাৎ পান কর্তৃপক্ষ প্রশাসনের সহতায় তেল প্রদান বন্ধ করে দেন। বাইকারদের উপস্তিতি ও সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে প্রশাসন (পুলিশ ও বিজিবি) এবং পাম্প কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে প্রত্যেক মোটরসাইকেলে ৩০০ টাকা করে তেল প্রদান করা হয়।

তেল প্রদান শুরু হলে অপেক্ষার লাইনে একটু সস্তি ফিরলেও তবে ক্ষোভ প্রকাশ করতে থাকেন বাইকাররা। তাদের ভাষ্য কাল থেকে অপেক্ষা করছি ৩০০ টাকার তেল দিয়ে প্রয়োজন মিটবে না। একেক জনের একেক রকম সমস্যার কথা বলে আরও তেল পেতে পীড়াপীড়ি করতে থাকে তবে পাম্প কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসন তাদের সিদ্ধান্তে অনড়, তিনশ’র অধিক টাকার তেল হবে না। প্রশাসন তাদের বুঝিয়ে তেল প্রদান সচ্চল করেন।

বংশীপুর গ্রামের ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালক আব্দুল মাজেদ আক্ষেপের সুরে বলেন আমি সাইকেল চালাই আমার এই ৩০০ টাকার তেলে চলবে না অন্তত আরো ২০০ টাকার তেল দেন। পাম্পের পক্ষ থেকে তাকে বারবার ৩০০ টাকার কথা বলা হয় পাশাপাশি প্রশাসন তাকে বোঝানোর চেষ্টা করেন একপর্যায়ে উপায় না পেয়ে তিনি ৩০০টাকার তেল নিয়ে চলে আসেন।

সকাল থেকে শতশত মোটরসাইকেলে তেল দিলেও দীর্ঘ এ লাইন যেন কমেই না বেলা বাড়ার সাথে সাথে আরও বাইকাররা এসে সে লাইনে যুক্ত হতে থাকেন। পরিস্থিতি দেখে সকাল সাড়ে নয়টার দিকে পাম কর্তৃপক্ষ ও প্রশাসন (পুলিশ ও বিজিবি) পুনরায় সমন্বয় করে সিদ্ধান্ত নেন ২০০ টাকা করে তেল দিবেন। আবারো খুব দেখা দেয় বাইকারদের ভিতরে তারা বলতে থাকেন আগে দিলেন ৩০০টাকার এখন আবার কমিয়ে দু’শো টাকার, আমরা মাত্র ২০০ টাকার তেল নিয়ে কিভাবে চলব। পূর্বের ন্যায় তেলপাম্প কর্তৃপক্ষ প্রশাসন অনড় অবস্থানে থেকে উপস্তিত সবাইকে বুঝিয়ে আবারো তেল প্রদান সচ্ছল করেন।

শুধু শ্যামনগর উপজেলা নয় এমন চিত্র সাতক্ষীরার সবত্র তেল পাম্পগুলোতে তেল সংগ্রহের দীর্ঘ লাইন চোখে পড়ার মত। এ সংকটের সুযোগ নিতে গত সোমবার সাতক্ষীরা সদরে এক বেক্তি অধিক মুনাফার আশায় ১লিটার পেট্রোল ৩০০টাকায় বিক্রি করেন। সাথে সাথে উপস্থিত লোকজনের রোসানলে পরেন।

উল্লেখ্য সাতক্ষীরাতে বেক্তিগত মোটরসাইকেলের সংখ্যা তুলনামূলক বেশি।

এদিকে যত্রতত্র বাজারে তেল পাওয়া যাচ্চে তিন থেকে চারশো টাকা লিটার। আর এই অবৈধ তেল সিন্ডিকেট কে রুখতে শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিয়মিত নজরদারি চলছে উপজেলার ৪টি তেল পাম্পে।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন