২৭শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, সোমবার,সকাল ১১:১৬

শিরোনাম
মোড়েলগঞ্জে মাদকের প্রতিবাদ করায় মিথ্যা মামলার অভিযোগ, খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন পাইকগাছায় খুবির দ্বিতীয় কৃষি ক্যাম্পাসকে ‘বিজ্ঞানী পি সি রায় কৃষি ইনস্টিটিউট’ নামকরণের দাবিতে স্মারকলিপি খুলনায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জীবনদক্ষতা-ভিত্তিক শিক্ষা চালুর লক্ষ্যে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র পাঠ্যক্রম উন্নয়ন কর্মশালা খুলনা নগরীতে ভূমি ব্যবহার, আবাসন ও উন্মুক্ত স্থান বিষয়ক পরামর্শমূলক কর্মশালা অনুষ্ঠিত খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশনের WEE প্রকল্পের আওতায় নারী উদ্যোক্তাদের নগদ অর্থ সহায়তা সিএসএস’র ঢাকা কার্যালয়ের নিজস্ব ভবনের উদ্বোধন, কৃতি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান শিশুশ্রম নিরসনে সমন্বিত উদ্যোগ জোরদারে খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র সমন্বয় সভা খুলনায় নারী উদ্যোক্তা ও নিবন্ধিত শিশুদের মাঝে ওয়ার্ল্ড ভিশনের মূলধন সহায়তা ও স্বাস্থ্য সামগ্রী বিতরণ খুলনায় বিশ্ব শিশুশ্রম প্রতিরোধ দিবসের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

খুলনায় সাংবাদিক বালু হত্যা মামলায় ৫ আসামির যাবজ্জীবন

প্রকাশিত: জানুয়ারি ১৮, ২০২১

  • শেয়ার করুন

খুলনার একুশে পদকপ্রাপ্ত সাংবাদিক হুমায়ুন কবীর বালু হত্যাকাণ্ডে বিস্ফোরক মামলায় ৫ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ১০ হাজার টাকা করে জরিমানা করেছেন আদালত।

সোমবার (১৮ জানুয়ারি) দুপুর সাড়ে ১২ টায় জননিরাপত্তা বিঘ্নকারী অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক সাইফুজ্জামান হিরো এ রায় ঘোষণা করেন। রায় ঘোষণার পর সাজাপ্রাপ্ত আসামি জাহিদ, নজু ওরফে রিপন, রিমন ও স্বাধীনকে আদালত থেকে কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। অপর এক আসামি পলাতক রয়েছে।

তবে নিহত বালুর ভাই ও খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এসএম জাহিদ হোসেন বলেন, “এ রায়ে আমরা সন্তুষ্ট নই। আমরা আশা করেছিলাম সর্বোচ্চ শাস্তি হবে।

“রায়ে হত্যার মাস্টারমাইন্ড ও অর্থ যোগানদাতাদের নাম আসেনি। আমরা মামলার পুনঃতদন্ত দাবি করছি।”

মামলার ন‌থিসূত্রে জানা যায়, ২০০৪ সালের ২৭ জুন নগরীর শান্তিধাম মোড়ে দৈনিক জন্মভূমি অফিসের সামনে সন্ত্রাসীদের বোমা হামলায় সাংবাদিক বালু নিহত হন। হত্যাকান্ডের পরদিন (২৮ জুন, ২০০৪) খুলনা থানার তৎকালিন এসআই মারুফ আহমদ বাদী হয়ে হত্যা ও বিস্ফোরক ধারায় দুটি মামলা দায়ের করেন। হত্যা মামলায় ২০০৮ সালের ১৩ ফেব্রুয়ারি ৭ আসামিকে বেকসুর খালাস দিয়েছিলেন আদালত।

এরপর, ২০০৯ সালের ১৫ এপ্রিল রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী এনামুল হক বিস্ফোরক মামলাটি অধিকতর তদন্তের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ওই বছরের ১০ মে আদালত মামলাটি অধিকতর তদন্তে সিআইডিতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। এ মামলায় ৭ জন তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন হয়েছেন। সর্বশেষ মামলাটি তদন্ত করেন সিআইডি’র সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মোঃ শাহাদাৎ হোসেন।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন