২৩শে সেপ্টেম্বর, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার,রাত ২:২৫

শিরোনাম
শিক্ষার্থী আজমুল হত্যায় মামলার তিন আসামী গ্রেপ্তার খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র আয়োজনে প্রতিবন্ধী শিশুদের মাঝে সহায়ক উপকরণ হস্তান্তর খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন কর্তৃক শিশুশ্রম, ঝরে পড়া ও বাল্যবিবাহমুক্ত ওয়ার্ড ঘোষণা অপ্রতিম হত্যায় চার অভিযুক্তকে আদালতে সোপর্দ খুলনার নগরীর ২৭ নং ওয়ার্ডে ডেঙ্গু প্রতিরোধে আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুভেচ্ছা সফরে চীন নৌবাহিনী জাহাজের বাংলাদেশে আগমন মোড়েলগঞ্জে মাদকের প্রতিবাদ করায় মিথ্যা মামলার অভিযোগ, খুলনা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন পাইকগাছায় খুবির দ্বিতীয় কৃষি ক্যাম্পাসকে ‘বিজ্ঞানী পি সি রায় কৃষি ইনস্টিটিউট’ নামকরণের দাবিতে স্মারকলিপি খুলনায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে জীবনদক্ষতা-ভিত্তিক শিক্ষা চালুর লক্ষ্যে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র পাঠ্যক্রম উন্নয়ন কর্মশালা

খুলনায় নিজ কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে পিতা আটক

প্রকাশিত: অক্টোবর ১৪, ২০২০

  • শেয়ার করুন

খুলনা মহানগরীর উত্তর হরিণটানা এলাকায় ১৪ বছর বয়সী কিশোরী কন্যাকে ধর্ষণের অভিযোগে পিতা মো. শহিদুল ইসলাম (৩৬) কে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) রাতে তাকে আটক করা হয়। নির্যাতিত কিশোরী কন্যা (১৪) কে খুলনা মেডিক্যাল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালের ওসিসিতে চিকিৎসাধীন রাখা হয়েছে।
খুলনা মেট্টোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) মুখপাত্র অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার কানাইলাল সরকার এ ঘটনা নিশ্চিত করে বলেন, ‘নির্যাতিত কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা এবং ঘটনার তদন্ত চলছে।’

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নির্যাতিত কিশোরী পিতা-মাতাসহ মহানগরীর রিয়া বাজার এলাকায় বাস করতো। সেখান থেকে মেয়ের মা বছর দুয়েক আগে স্বামী সংসার ফেলে চলে যান। মা চলে যাওয়ার পর পিতা শহিদুলও দুই ছেলে-দুই মেয়ে ফেলে অন্যত্র চলে যান। পরে ছেলেমেয়েদের তার নানা বাড়ি উত্তর হরিণটানা মসজিদ গলিতে নিয়ে যান মেয়েটির নানি। ২-৩ মাস আগে মেয়ের পিতা-মাতা আবার একত্রে বসবাস শুরু করেন একটি ভাড়া বাড়িতে। সেখান থেকে মেয়ের মা আবার চলে যান। তারপর নির্যাতিত কিশোরী অপর তিন ভাই-বোনসহ পিতার সঙ্গে ওই ভাড়া বাসায় বাস করতো। এমন পরিস্থিতিতে কিছুদিন ধরে ওই কিশোরী কন্যার সঙ্গে অবৈধ কাজ শুরু করে শহিদুল। সোমবার (১২ অক্টোবর) কিশোরী তার নানিকে বিষয়টি জানায়। একপর্যায়ে জানাজানি হলে লোকজনের সহায়তায় মঙ্গলবার রাতে পুলিশ এসে শহিদুলকে আটক করে।

এ ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ মানবাধিকার বাস্তবায়ন সংস্থার খুলনার সমন্বয়কারী অ্যাডভোকেট মোমিনুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘নির্যাতিত কিশোরীকে বিনামূল্যে আইনি সহায়তা দেওয়া হবে। একইসঙ্গে পুলিশের পাশাপাশি আমরা প্যারালাল তদন্ত করবো। ভিকটিমের পাশে দাঁড়াবো। মানসিক সাহসের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কাউন্সিলিংসহ যাবতীয় সহযোগিতা করবো।’7

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন