২৮শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, শনিবার,রাত ১০:৩১

শিরোনাম
খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং সিএসএস হোপ টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট ও এশিয়া টেকিনিক্যাল ট্রেইনিং সেন্টারের মাঝে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে খুলনায় শিশু ও যুব সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত খুলনায় শিশু সুরক্ষা নীতি বাস্তবায়নে সুশীল সমাজের সাথে সমন্বয় সভা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র খুলনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সেবার মানদন্ড সমূহের পর্যবেক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র খুলনায় অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই চলছে ভোটগ্রহণ, ধাক্কায় বিএনপি নেতার মৃত্যুর অভিযোগ জনগনের প্রত্যাশা পুরণে বিএনপি বদ্ধ পরিকর : মঞ্জু জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে কোন সংশয় নেই -স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা যারা মিথ্যার আশ্রয় নেয়, তারা দেশপ্রেমিক নয় : তারেক রহমান খুলনার তিন জেলার এমপি প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিলেন তারেক রহমান

আগামী মাসের প্রথম দিকেই আমরা টিকা পেয়ে যাব: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত: ডিসেম্বর ১০, ২০২০

  • শেয়ার করুন

আসছে জানুয়ারি মাসের প্রথম দিকেই ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউট থেকে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার তৈরি করোনাভাইরাসের টিকার প্রথম চালান বাংলাদেশে আসবে বলে আশা করছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

বৃহস্পতিবার রাজধানীতে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এ কথা জানান।
তিনি বলেন, “আমরা আশা করি, আগামী মাসের প্রথম দিকেই… প্রথম কোয়ার্টারেই আমরা টিকা পেয়ে যাব। অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটের মাধ্যমে বাংলাদেশে আনার ব্যবস্থা করেছি। তিন কোটি ডোজ টিকা সরকার নিয়ে আসছে সরাসরি।”

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ টিকার এই ব্যবস্থা করতে পেরেছে মন্তব্য করে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “ডব্লিউএইচও আমাদের টিকা দেবে আমাদের জনসংখ্যার বিশ শতাংশ হারে। সেটা আসতে হয়ত কিছুটা সময় লাগবে। কিন্তু আমরা টিকা পাব। অনেক দেশ আছে, যারা এখনও টিকার ব্যবস্থা করতে পারেনি।”

অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও অ্যাস্ট্রাজেনেকা করোনাভাইরাসের যে টিকা তৈরি করছে, তার তিন কোটি ডোজ কিনতে সেরাম ইনস্টিটিউটের সঙ্গে চুক্তি করেছে সরকার।

মহামারী মোকাবেলায় যারা সামনে থেকে কাজ করছেন, শুরুতে তাদের বিনামূল্যে এই টিকা দেওয়া হবে বলে ইতোমধ্যে সরকারের তরফ থেকে জানানো হয়েছে।
এছাড়া গ্লোবাল অ্যালায়েন্স ফর ভ্যাকসিনস অ্যান্ড ইমিউনাইজেশনস-গ্যাভি বাংলাদেশের মোট জনসংখ্যার ২০ শতাংশের জন্য ৬ কোটি ৮০ লাখ ডোজ টিকা দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে।

করোনাভাইরাসের কার্যকর টিকা পাওয়া গেলে তা যাতে সারা বিশ্বের মানুষ পায়, তা নিশ্চিত করতে কয়েক মাস ধরে কাজ করছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ও গ্যাভি।

গতবছরের শেষে চীন থেকে পুরো বিশ্বে ছড়িয়ে পড়া নতুন ধরনের এ করোনাভাইরাস ইতোমধ্যে পৌনে সাত কোটির বেশি মানুষকে আক্রান্ত করেছে, কেড়ে নিয়েছে ১৫ লাখ ৭০ হাজার মানুষের প্রাণ।

বাংলাদেশে শনাক্ত রোগীর সংখ্যা ইতোমধ্যে ৪ লাখ ৮৫ হাজার পেরিয়ে গেছে, ছয় হাজার ৯৬৭ জনের মৃত্যু ঘটিয়েছে এ ভাইরাস।

করোনাভাইরাসের কোনো কার্যকর ওষুধ না থাকায় পুরো বিশ্ব এখন তাকিয়ে আছে টিকার দিকে। ভ্যাকসিন কেনার জন্য ১৬ নভেম্বর স্বাস্থ্যসেবা বিভাগকে ৭৩৫ কোটি ৭৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়ে রেখেছে অর্থ বিভাগ।

বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস মিলনায়তনে এই অনুষ্ঠানে কয়েকজন শিশুকে টিকা দেওয়ার মাধ্যমে হাম-রুবেলা টিকাদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, আগামী শনিবার সারাদেশে হাম-রুবেলার টিকাদান কর্মসূচি শুরু হবে, চলবে ২৪ জানুয়ারি পর্যন্ত।

এ কর্মসূচির আওতায় ৯ মাস থেকে ১০ বছরের নিচে প্রায় তিন কোটি ৪০ লাখ শিশুকে এক ডোজ করে টিকা দেওয়া হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্প্রসারিত টিকাদান কর্মসূচি জানিয়েছে, সাপ্তাহিক ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বেলা ৩টা পর্যন্ত টিকা দান চলবে।

করোনাভাইরাস মহামারীর কারণে এ বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে এই কর্মসূচি হবে না। টিকা দেওয়া হবে কমিউনিটি টিকাদান কেন্দ্রের মাধ্যমে।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন