১৮ই ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বুধবার,সকাল ১০:১২

শিরোনাম
খুলনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সেবার মানদন্ড সমূহের পর্যবেক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র খুলনায় অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই চলছে ভোটগ্রহণ, ধাক্কায় বিএনপি নেতার মৃত্যুর অভিযোগ জনগনের প্রত্যাশা পুরণে বিএনপি বদ্ধ পরিকর : মঞ্জু জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে কোন সংশয় নেই -স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা যারা মিথ্যার আশ্রয় নেয়, তারা দেশপ্রেমিক নয় : তারেক রহমান খুলনার তিন জেলার এমপি প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিলেন তারেক রহমান ‌তারেক রহমানকে বরণ করতে খুলনাবাসী অধির আগ্রহে অপেক্ষা করছে খুলনায় তারেক রহমানের জনসভায় ৮ লাখ নেতাকর্মীর সমাগমের প্রস্তুতি ক্ষমতায় গেলে বন্ধ শিল্প কারখানা চালু হবে : ডাঃ শফিকুর রহমান

অপসারণ করা হচ্ছে পাইকগাছার ঘোষখালী নদীর কচুরীপানা

প্রকাশিত: আগস্ট ৮, ২০২৩

  • শেয়ার করুন

পাইকগাছা প্রতিনিধি : পাইকগাছার ঐতিহ্যবাহী ঘোষখালী নদীর কচুরীপানা অপসারণ কাজ চলমান রয়েছে। ভাটার মাধ্যমে স্লুইচ গেট দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ কচুরীপানা শিবসা নদীতে বের করে দেওয়া হচ্ছে। এ কাজে প্রতিদিন ২০ জন শ্রমিক নিয়োজিত রয়েছে। অপসারণ কাজ শেষ হলে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা এবং আমন চাষাবাদ স্বাভাবিক হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানসহ এলাকাবাসী।
উল্লেখ্য, ঐতিহ্যবাহী ঘোষখালী নদীটি উপজেলার গড়ইখালী ইউনিয়নের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত। ইউনিয়নের শিবসা নদীর শান্তা স্লুইচ গেট থেকে নদীটি শুরু হয়ে কয়রা উপজেলার আমাদী ইউনিয়নের মসজিদকুঁড় পর্যন্ত নদীটি বিস্তৃত রয়েছে। এ নদীর পানি দিয়ে একদিকে যেমন রবি ফসল উৎপাদন সহ তেমনি পানি নিষ্কাশনের মাধ্যমে পাইকগাছার গড়ইখালী, লস্কর, চাঁদখালী ও কয়রার মহেশ^রীপুর এবং আমাদী ইউনিয়নের হাজার হাজার হেক্টর কৃষি জমির আমন ফসল উৎপাদন হয়ে থাকে। শুষ্ক মৌসুমে নদীটি কচুরীপানায় ভরে যায়। এ সময় অনেকে লবণ পানি তুলে কচুরীপানা মারার কথা বললেও পরিবেশগত দিক বিবেচনা করে ওই সময় লবণ পানি উত্তোলন না করে বিকল্প ব্যবস্থায় কচুরীপানা অপসারণের সিদ্ধান্ত নেয় ইউপি চেয়ারম্যান ও এলাকাবাসী। অবশেষে ইউনিয়ন পরিষদের তত্ত্বাবধায়নে শ্রমিক দিয়ে কচুরীপানা কেটে খন্ড খন্ড করে স্লুইচ গেট দিয়ে নদীতে বের করে দেওয়া হচ্ছে। গত ১৫ দিন যাবৎ প্রতিদিন ২০ জন শ্রমিক এ কাজে নিয়োজিত রয়েছে। কচুরীপানা অপসারণ করার ফলে পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা স্বাভাবিক হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইউপি চেয়ারম্যান জিএম আব্দুস সালাম । এর ফলে আমন ফসলের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন হোগলারচক গ্রামের কৃষক স্বপন মন্ডল ও কুমখালী গ্রামের কৃষক তুষার কান্তি। ইউনিয়নের কোথাও কোন জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হবে না বলে জানিয়েছেন ইউপি সদস্য যমুনা রানী বৈদ্য। ইউনিয়ন পরিষদের এমন উদ্যোগকে সাধুবাদ জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন