৫ই মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, বৃহস্পতিবার,রাত ২:৩০

শিরোনাম
খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং সিএসএস হোপ টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট ও এশিয়া টেকিনিক্যাল ট্রেইনিং সেন্টারের মাঝে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে খুলনায় শিশু ও যুব সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত খুলনায় শিশু সুরক্ষা নীতি বাস্তবায়নে সুশীল সমাজের সাথে সমন্বয় সভা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র খুলনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সেবার মানদন্ড সমূহের পর্যবেক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র খুলনায় অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই চলছে ভোটগ্রহণ, ধাক্কায় বিএনপি নেতার মৃত্যুর অভিযোগ জনগনের প্রত্যাশা পুরণে বিএনপি বদ্ধ পরিকর : মঞ্জু জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে কোন সংশয় নেই -স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা যারা মিথ্যার আশ্রয় নেয়, তারা দেশপ্রেমিক নয় : তারেক রহমান খুলনার তিন জেলার এমপি প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিলেন তারেক রহমান

বন্যাকালীন নিরাপদ পানি উৎপাদনের উদ্যোগ নিয়ে যৌথ গবেষণা

প্রকাশিত: অক্টোবর ২৮, ২০২৪

  • শেয়ার করুন

খবর বিজ্ঞপ্তিঃ

বাংলাদেশের সাম্প্রতিক বন্যা পরিস্থিতিতে নিরাপদ পানীয় জল সরবরাহ এক সংকটজনক চ্যালেঞ্জ হয়ে উঠেছে। জলবাহিত রোগের প্রকোপ রোধে কার্যকর ও সাশ্রয়ী সমাধানের অভাব প্রকট। এমন এক সময়ে, ঢাকার নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সিভিল অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ এবং খুলনার বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজির শিক্ষার্থীদের যৌথ গবেষণায় একটি নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করছে। এই যুগান্তকারী গবেষণায় লক্ষ্য করা হচ্ছে, কীভাবে সাধারণত সহজলভ্য রাসায়নিক, সোডিয়াম হাইপোক্লোরাইট, বন্যার দূষিত জলকে সাশ্রয়ীভাবে নিরাপদ পানীয় জলে রূপান্তর করতে পারে। মাঠপর্যায়ে খুলনার ভূপৃষ্ঠের জলাশয়ের পানি ব্যবহার করে গবেষণা পরিচালিত হচ্ছে, যেখানে প্রাথমিক পরীক্ষাগুলো দারুণভাবে সফল প্রমাণিত হয়েছে। গবেষণার নেতৃত্ব দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ প্রফেসর ড. নাদিম রেজা খন্দকার (পিএইচডি, পিইঞ্জি)। যিনি পূর্বে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং বর্তমানে বাংলাদেশ আর্মি ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি খুলনায় শিক্ষকতায় নিয়োজিত আছেন এবং তাঁর সহকারি হিসেবে কাজ করেছেন নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির চারজন মেধাবী শিক্ষার্থী মিনহাজুল হক আবিদ,মোহাম্মদ মুশফিক কালাম,কাজি মাশরাফিন সাজিদ এবং জুবায়েদ আল মেহেদী।এই গবেষণা কার্যক্রমের ফলাফল ভবিষ্যতে জলবাহিত রোগ থেকে জীবন বাঁচাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে। এটি বন্যা-প্রবণ এলাকার মানুষের জন্য বিশুদ্ধ পানীয় জল সরবরাহের এক নতুন দিগন্তের সূচনা করতে যাচ্ছে।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন