১লা মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার,সকাল ৭:৫০

শিরোনাম
খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এবং সিএসএস হোপ টেকনিক্যাল ইন্সটিটিউট ও এশিয়া টেকিনিক্যাল ট্রেইনিং সেন্টারের মাঝে সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে খুলনায় শিশু ও যুব সম্মেলন-২০২৬ অনুষ্ঠিত খুলনায় শিশু সুরক্ষা নীতি বাস্তবায়নে সুশীল সমাজের সাথে সমন্বয় সভা ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র খুলনায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সেবার মানদন্ড সমূহের পর্যবেক্ষণ সভা অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ’র খুলনায় অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই চলছে ভোটগ্রহণ, ধাক্কায় বিএনপি নেতার মৃত্যুর অভিযোগ জনগনের প্রত্যাশা পুরণে বিএনপি বদ্ধ পরিকর : মঞ্জু জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে কোন সংশয় নেই -স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা যারা মিথ্যার আশ্রয় নেয়, তারা দেশপ্রেমিক নয় : তারেক রহমান খুলনার তিন জেলার এমপি প্রার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিলেন তারেক রহমান

টিকা নিলেন নগরপিতা তালুকদার আব্দুল খালেক; খুলনাসহ সারাদেশে করোনার টিকা দেয়া শুরু

প্রকাশিত: ফেব্রুয়ারি ৭, ২০২১

  • শেয়ার করুন

স্টাফ রিপোর্টারঃ প্রাণঘাতী করোনাভাইরাস রোধে খুলনাসহ সারাদেশে একযোগে টিকা দেয়া শুরু হল আজ, রবিবার (০৭ ফেব্রুয়ারি)। দেশের ১০০৫ কেন্দ্রে এ প্রতিষেধক দেয়া হচ্ছে। আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল কেন্দ্রে কেসিসি মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক নিজে টিকা নিয়ে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন। খুলনা মহানগরে ১৩টি এবং জেলার প্রত্যেক উপজেলায় তিনটি করে মোট ৪০টি কেন্দ্রে টিকা দেয়া হচ্ছে।
খুলনা প্রথম ভ্যাকসিন গ্রহন করলেন সিটি মেয়র আলহাজ্ব তালুকদার আব্দুল খালেক। এসময়ে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হারুনুর রশিদ, খুমেক হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ এটি এম মন্জুর মোর্শেদ, খুমেক অধ্যক্ষ ডাঃ আব্দুল আহাদ, উপাধ্যক্ষ ডাঃ মেহেদী নেওয়াজ, শহীদ শেখ আবু নাসের বিশেয়ায়িত হাসপাতালের পরিচালক ডাঃ মুন্সী রেজা সেকেন্দার ও খুলনার সিভিল সার্জন ডাঃ নিয়াজ মোহাম্মদ।
গতকাল শনিবার দুপুর আড়াইটা পর্যন্ত টিকা নেয়ার জন্য সারাদেশে তিন লাখ ২৮ হাজার ১৩ জন নাম নিবন্ধন করেন। আজ সকাল ১০টা মহাখালী স্বাস্থ্য ভবনে ভার্চুয়ালি টিকা কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক।
সূত্রমতে, গত ২৭ জানুয়ারি একজন নার্স টিকা গ্রহণের মধ্যদিয়ে প্রাথমিক কার্যক্রম শুরু হয়। ওই দিন আরও ২৫জন টিকা নেন। পরদিন রাজধানীর ৫টি হাসপাতালে আরও ৫৪১ জনকে দেয়া হয়। পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বোঝার জন্য এদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। খুব একটা সমস্যা না হওয়ায় ৭ ফেব্রুয়ারি সারাদেশে একযোগে টিকা প্রয়োগ শুরুর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। টিকাদান প্রতিদিন সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত চলবে। আরও একঘন্টা কেন্দ্রেই অবস্থান করবেন স্বাস্থ্যকর্র্মীরা।
কারা টিকা নিতে পারবেন না, জানতে চাইলে সেব্রিনা ফ্লোরা বলেন, ১৮ বছরের নিচে, গর্ভবতী নারী, শিশুকে দুগ্ধদানকারী মা, যাদের অনেক জ্বর আছে তাদের টিকা দেয়া যাবে না। যাদের কোভিড আছে, তাদের ৪ সপ্তাহ পর্যন্ত টিকা নেয়া যাবে না। অন্য কোনো রোগের ক্ষেত্রে দেয়া যাবে না- এমন কোনো নিষেধ নেই। কিন্তু সতর্কতার অংশ হিসাবে যারা এ মুহূর্তে গুরুতর অসুস্থ, হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন, তাদের আমরা বলছি তারা যেন টিকা নিতে না আসেন। এছাড়া কিছু প্রশ্ন থাকবে, টিকাদান কর্মী সেই সব প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করেই টিকা দেবেন। ওষুধে অ্যালার্জি আছে, তাদের টিকা দেওয়া হবে না। প্রাথমিক অবস্থায় এ কথাগুলো বলছি। টিকা কার্যক্রম কিছু দিন চলার পর আমাদের অবজারভেশনের ভিত্তিতে আপডেট করা হবে বলে জানান তিনি।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন