২৮শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, রবিবার,দুপুর ২:৩৯

শিরোনাম
খুলনার ৩০ কৃতি শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা ও শিক্ষাবৃত্তি দিল সিএসএস সিএসএস এবং পল মুন্সী দেশের মানুষের আস্থা ও মানবসেবার এক অবিচ্ছেদ্য নাম-খুলনার জোনাল ম্যানেজার শফিকুল ইসলাম খুলনায় অরুণোদয়ের বার্ষিক পরীক্ষা সম্পন্ন আরেকটি অনিবার্য বিপ্লবের জন্য প্রস্তুতির আহ্বান জামায়াত আমীরের রেভারেন্ড পল মুন্সী স্মরণে খুলনার পূর্ব রূপসায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত শিশু সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে সিভিএ বিষয়ক অংশগ্রহণমূলক উন্নয়ন কর্ম-পরিকল্পনা প্রণয়ন সভা অনুষ্ঠিত খুলনায় আরএকে সিরামিকসের নতুন ফ্যাক্টরি আউটলেট উদ্বোধন সরকারের পাশাপাশি খুলনায় ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ এর আয়োজনে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন প্রেসিডেন্ট গ্রাম প্রতিরক্ষা দল সেবা পদক পেলেন খুলনার মোঃ শফিকুজ্জামান

খুলনার থ্রি ডক্টরস কোচিং সেন্টারের মালিক তারিম আবারও আটক

প্রকাশিত: আগস্ট ১৮, ২০২৩

  • শেয়ার করুন

তথ্য প্রতিবেদক : মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের জাড়িত থাকার অভিযোগে খুলনার থ্রি ডক্টরস কোচিং সেন্টারের মালিক ডা. ইউনুস খান তারিম আবারও আটক হয়েছেন। একই অভিযোগে ২০১৯ সালের ১০ অক্টোবর তিনি আটক হয়েছিলেন।

পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) ঢাকার সদস্যরা শুক্রবার সকালে তাকে খুলনা থেকে আটক করে ঢাকায় নিয়ে গেছেন।

খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান আল মামুন জানান, মেডিক্যাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তাকে আটক করা হয়েছে। তাঁকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
গোয়েন্দা পুলিশের একটি সূত্র জানিয়েছে, ডা. ইউনুস খান তারিম মেডিক্যাল কলেজের ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের সঙ্গে ১৬ বছর ধরে জড়িত। তিনি থ্রি ডক্টরস কোচিং সেন্টারের মাধ্যমে মেডিক্যাল কলেজে ভর্তির প্রশ্নপত্র ফাঁস করে কোটি কোটি টাকা আয় করেছেন।

একটি গোয়েন্দা সংস্থা এ বিষয়ে অনুসন্ধান শেষে এক প্রতিবেদনে বলেছে, খুলনার এই কোচিং সেন্টার ভর্তি বাণিজ্যের মাধ্যমে ‘মেধাহীন’, ‘অযোগ্য’ ছাত্রছাত্রীদের মেডিক্যালে ভর্তির সুযোগ করে দিচ্ছে। এর মাধ্যমে জনপ্রতি ৩৫ থেকে ৪০ লাখ টাকা করে নিচ্ছে। এই ভর্তি বাণিজ্যের মাধ্যমে বছরে শতকোটি টাকার বেশি অবৈধ লেনদেন হচ্ছে।

ফলাফল বিবরণীর তথ্য অনুযায়ী, যারা থ্রি ডক্টরসে কোচিং করেছেন। তারা অনেকেই এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ–-৫ পায়নি । তবে ভর্তি পরীক্ষায় ৭৩ করে নম্বর পেয়েছে। একজন ৭৩.২৫ নম্বর পেয়েছে। একটি মেডিক্যাল কলেজের অধ্যক্ষের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, তাদের পড়াশোনা ও জ্ঞান এত নিম্নমানের যে তারা কীভাবে মেডিক্যালে ভর্তি পরীক্ষার মতো কঠিন পরীক্ষা সম্পন্ন করেছেন, তা বোধগম্য নয়।

সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছে, সম্প্রতি সিআইডি প্রশ্নপত্র ফাঁস চক্রের ১২ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। তাদের মধ্যে সাতজন চিকিৎসক রয়েছে। ডা. তারিমও ওই চক্রের সঙ্গে সম্পৃক্ত।

ভাল লাগলে শেয়ার করুন
  • শেয়ার করুন